
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

শিশু-কিশোরদের প্রতি নিজেদের কখনো ছোট না ভেবে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, “নিজেদের ছোট ভাববে না, নিজেদের গড়ে তোলো। তাহলেই সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।”
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
দীর্ঘ বিরতির পর আবারও শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতার এ দিন জাতীয় পর্যায়ের বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে বিকেল ৪টায় তিনি মাঠের পাশে বসে বালিকাদের ফুটবল ফাইনাল উপভোগ করেন।
ফাইনালে রংপুর অঞ্চলের কিশোরী ফুটবলাররা ৪-০ গোলে রাজশাহীকে হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয়। অন্যদিকে বালকদের ফুটবল ফাইনালে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে ময়মনসিংহ অঞ্চলকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় সিলেট অঞ্চল।
বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তোমরা যদি আগামী দিনে নিজেদেরকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারো, তাহলেই আমরা ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে পারব। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আজ গ্যালারিতে বসে থাকা হাজার হাজার ছোট বন্ধুর মধ্য থেকেই একজন ভালো ডাক্তার, আর্কিটেক্ট, ইঞ্জিনিয়ার, ক্রিকেটার, সাঁতারু ও টেনিস খেলোয়াড় বেরিয়ে আসবে।”
শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি সংবাদমাধ্যমের প্রতি এ আয়োজনের খবরকে প্রধান শিরোনাম হিসেবে প্রকাশের অনুরোধ জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকে যে প্রতিযোগিতাটা আপনারা দেখে গেলেন, এই প্রতিযোগিতাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।”
শিশু-কিশোরদের শিক্ষা ও বিকাশে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার বিদ্যালয়ের সমস্যা সমাধান এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে কাজ করছে। পাশাপাশি নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের মতো আয়োজনের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।
তিনি বলেন, “আমরা দেশকে সঠিকভাবে গড়ে তোলার কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজ সফল হবে তখনই, যখন তোমরা নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারবে। তোমরা যদি নিজেদের গড়ে তুলতে পারো, তাহলে আমরাও বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে পারব।”
এরপর গ্যালারিতে উপস্থিত শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রাখেন, “বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে কে কে কাজ করবে? আমার সঙ্গে আছো তোমরা? কারা বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাও? হাত তোলো।” এ সময় গ্যালারিতে উপস্থিত হাজারো কিশোর-কিশোরী একসঙ্গে হাত উঁচু করলে তাদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই দেশটা আমাদের সবার। এ দেশের আলো, বাতাস ও পরিবেশ আমরা সবাই মিলে ঠিক রাখলে তবেই সুন্দর পরিবেশে বাস করতে পারব। তোমরা সুন্দরভাবে বড় হতে পারবে, ভালোভাবে পড়াশোনা করতে পারবে।”
পরিবেশ সংরক্ষণে শিক্ষার্থীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যেখানে-সেখানে বর্জ্য না ফেলা এবং অন্যরাও যাতে পরিবেশ নষ্ট না করে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, “কেউ যদি পুকুর, নদী বা খালে ময়লা ফেলে, তাহলে তোমরা বন্ধুদের নিয়ে সম্ভব হলে তা পরিষ্কার করবে। আমাদের নদী ও পুকুরের পানি পরিষ্কার রাখতে হবে, যাতে মানুষ সেখানে সুন্দরভাবে চলাফেরা করতে পারে এবং পরিবেশ সুস্থ থাকে।”
প্রতিবছর অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাড়ি কিংবা স্কুলের আশপাশে সবাইকে একটি করে গাছ রোপণ করতে হবে।
পশু-পাখির প্রতিও সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের সমাজে কিছু মানুষ প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতি নির্দয় আচরণ করে। আমি আমার ছোট বন্ধুদের অনুরোধ করব, আমাদের আশপাশের কুকুর, বিড়াল, হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগলসহ সব ধরনের প্রাণীকে দেশের সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে তাদের যত্ন নেবে।”
এ সময় উপস্থিত কিশোর-কিশোরীরা সমস্বরে ‘হ্যাঁ’ বলে সাড়া দেয়।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে অংশ নেওয়া বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী সব ক্ষুদে ক্রীড়াবিদকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তাদের খেলাধুলায় উৎসাহ দেওয়ার জন্য অভিভাবকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, গত ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আঞ্চলিক পর্যায়ে সারাদেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার ক্ষুদে ক্রীড়াবিদ আটটি ডিসিপ্লিনে অংশ নেয়। পরে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতাগুলো রাজধানীর বিভিন্ন ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হয়।

শিশু-কিশোরদের প্রতি নিজেদের কখনো ছোট না ভেবে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, “নিজেদের ছোট ভাববে না, নিজেদের গড়ে তোলো। তাহলেই সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।”
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
দীর্ঘ বিরতির পর আবারও শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতার এ দিন জাতীয় পর্যায়ের বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে বিকেল ৪টায় তিনি মাঠের পাশে বসে বালিকাদের ফুটবল ফাইনাল উপভোগ করেন।
ফাইনালে রংপুর অঞ্চলের কিশোরী ফুটবলাররা ৪-০ গোলে রাজশাহীকে হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয়। অন্যদিকে বালকদের ফুটবল ফাইনালে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে ময়মনসিংহ অঞ্চলকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় সিলেট অঞ্চল।
বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তোমরা যদি আগামী দিনে নিজেদেরকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারো, তাহলেই আমরা ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে পারব। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আজ গ্যালারিতে বসে থাকা হাজার হাজার ছোট বন্ধুর মধ্য থেকেই একজন ভালো ডাক্তার, আর্কিটেক্ট, ইঞ্জিনিয়ার, ক্রিকেটার, সাঁতারু ও টেনিস খেলোয়াড় বেরিয়ে আসবে।”
শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি সংবাদমাধ্যমের প্রতি এ আয়োজনের খবরকে প্রধান শিরোনাম হিসেবে প্রকাশের অনুরোধ জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকে যে প্রতিযোগিতাটা আপনারা দেখে গেলেন, এই প্রতিযোগিতাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।”
শিশু-কিশোরদের শিক্ষা ও বিকাশে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার বিদ্যালয়ের সমস্যা সমাধান এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে কাজ করছে। পাশাপাশি নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের মতো আয়োজনের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।
তিনি বলেন, “আমরা দেশকে সঠিকভাবে গড়ে তোলার কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজ সফল হবে তখনই, যখন তোমরা নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারবে। তোমরা যদি নিজেদের গড়ে তুলতে পারো, তাহলে আমরাও বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে পারব।”
এরপর গ্যালারিতে উপস্থিত শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রাখেন, “বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে কে কে কাজ করবে? আমার সঙ্গে আছো তোমরা? কারা বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাও? হাত তোলো।” এ সময় গ্যালারিতে উপস্থিত হাজারো কিশোর-কিশোরী একসঙ্গে হাত উঁচু করলে তাদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই দেশটা আমাদের সবার। এ দেশের আলো, বাতাস ও পরিবেশ আমরা সবাই মিলে ঠিক রাখলে তবেই সুন্দর পরিবেশে বাস করতে পারব। তোমরা সুন্দরভাবে বড় হতে পারবে, ভালোভাবে পড়াশোনা করতে পারবে।”
পরিবেশ সংরক্ষণে শিক্ষার্থীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যেখানে-সেখানে বর্জ্য না ফেলা এবং অন্যরাও যাতে পরিবেশ নষ্ট না করে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, “কেউ যদি পুকুর, নদী বা খালে ময়লা ফেলে, তাহলে তোমরা বন্ধুদের নিয়ে সম্ভব হলে তা পরিষ্কার করবে। আমাদের নদী ও পুকুরের পানি পরিষ্কার রাখতে হবে, যাতে মানুষ সেখানে সুন্দরভাবে চলাফেরা করতে পারে এবং পরিবেশ সুস্থ থাকে।”
প্রতিবছর অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাড়ি কিংবা স্কুলের আশপাশে সবাইকে একটি করে গাছ রোপণ করতে হবে।
পশু-পাখির প্রতিও সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের সমাজে কিছু মানুষ প্রকৃতি ও পশুপাখির প্রতি নির্দয় আচরণ করে। আমি আমার ছোট বন্ধুদের অনুরোধ করব, আমাদের আশপাশের কুকুর, বিড়াল, হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগলসহ সব ধরনের প্রাণীকে দেশের সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে তাদের যত্ন নেবে।”
এ সময় উপস্থিত কিশোর-কিশোরীরা সমস্বরে ‘হ্যাঁ’ বলে সাড়া দেয়।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে অংশ নেওয়া বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী সব ক্ষুদে ক্রীড়াবিদকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তাদের খেলাধুলায় উৎসাহ দেওয়ার জন্য অভিভাবকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, গত ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আঞ্চলিক পর্যায়ে সারাদেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার ক্ষুদে ক্রীড়াবিদ আটটি ডিসিপ্লিনে অংশ নেয়। পরে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতাগুলো রাজধানীর বিভিন্ন ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হয়।

মহেশখালীর বিকল হয়ে যাওয়া এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) টার্মিনাল পুরোপুরি সচল হতে আরও দুয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে ধীরে ধীরে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
সোমবার (২৭ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠককালে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এ তথ্য জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেকোনো দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং শিল্পায়নের মূল ভিত্তি হলো শক্তিশালী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। বিনিয়োগকারীরা তাদের পুঁজি খাটাতে চান নিরাপদ ও অনুকূল পরিবেশে। যদি জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে সামান্যতম শঙ্কাও থাকে, তবে বিদেশি বিনিয়োগ তো দূরের কথা, দেশীয় উদ্যোক্তারাও বিনিয
৭ ঘণ্টা আগে
সোমবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রামের সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী নগরের একটি কলেজের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী। এ দিন পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, জীববিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র, ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা প্রথম পত্র এবং খাদ্য ও পুষ্টি প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনু
৮ ঘণ্টা আগে