
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে ব্যাংকের করা আপিল আবেদনের ওপর আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) চূড়ান্ত আদেশ দেবেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চে যমুনা ব্যাংকের করা একটি আপিল আবেদনের ওপর এই রায় ঘোষণা করার কথা রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসলাম চৌধুরীর আইনজীবী মো. মজিবুর রহমান।
এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে ব্যাংকের করা আপিল আবেদনের ওপর দীর্ঘ শুনানি শেষ হয়। ঋণখেলাপির অভিযোগ থাকার পরও আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ব্যাংকের করা রিট হাইকোর্ট খারিজ করে দিলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে আপিল বিভাগে আবেদন জানায়।
নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির শেষ দিন গত ১৮ জানুয়ারি আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার সময় নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ তাকে সতর্ক করে বলেছিলেন যে, ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ না করলে জনরোষ তৈরি হতে পারে।
অন্যদিকে, আসলাম চৌধুরীর পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। তবে এই আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. আনোয়ার ছিদ্দিকের আইনজীবী ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির দাবি করেন যে, আসলাম চৌধুরী একজন দণ্ডিত ব্যক্তি এবং তার প্রার্থিতা বহাল রাখা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।
আসলাম চৌধুরীর হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, তার সম্পদের তুলনায় ঋণের পরিমাণ অত্যন্ত বেশি। তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৪৫৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকা হলেও ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকায়, যা সম্পদের তুলনায় ২৪ দশমিক ২৫ গুণ বেশি। এর মধ্যে পাঁচটি ব্যাংক ও অন্যান্য খাতে নিজস্ব ঋণ ৩৫৪ কোটি টাকা এবং জামিনদার হিসেবে ১ হাজার ৫৯ কোটি টাকা ও পরিচালক হিসেবে ২৮৫ কোটি টাকা ঋণ রয়েছে। যদিও হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ঋণের বড় একটি অংশই তিনি জামিনদার ও পরিচালক হওয়ার সুবাদে পেয়েছেন। মজার বিষয় হলো, ঋণের বোঝা বেশি থাকলেও চট্টগ্রামের অন্যান্য প্রার্থীদের চেয়ে তার কাছে নগদ অর্থের পরিমাণও সবচেয়ে বেশি, যার পরিমাণ প্রায় ১১ কোটি টাকা। আজকের এই আদেশের মাধ্যমেই চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে যে আসলাম চৌধুরী নির্বাচনী মাঠে থাকতে পারবেন কি না।

চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে ব্যাংকের করা আপিল আবেদনের ওপর আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) চূড়ান্ত আদেশ দেবেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চে যমুনা ব্যাংকের করা একটি আপিল আবেদনের ওপর এই রায় ঘোষণা করার কথা রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসলাম চৌধুরীর আইনজীবী মো. মজিবুর রহমান।
এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বৈধ ঘোষণার বিরুদ্ধে ব্যাংকের করা আপিল আবেদনের ওপর দীর্ঘ শুনানি শেষ হয়। ঋণখেলাপির অভিযোগ থাকার পরও আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ব্যাংকের করা রিট হাইকোর্ট খারিজ করে দিলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে আপিল বিভাগে আবেদন জানায়।
নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির শেষ দিন গত ১৮ জানুয়ারি আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার সময় নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ তাকে সতর্ক করে বলেছিলেন যে, ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ না করলে জনরোষ তৈরি হতে পারে।
অন্যদিকে, আসলাম চৌধুরীর পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। তবে এই আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. আনোয়ার ছিদ্দিকের আইনজীবী ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির দাবি করেন যে, আসলাম চৌধুরী একজন দণ্ডিত ব্যক্তি এবং তার প্রার্থিতা বহাল রাখা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।
আসলাম চৌধুরীর হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, তার সম্পদের তুলনায় ঋণের পরিমাণ অত্যন্ত বেশি। তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৪৫৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকা হলেও ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকায়, যা সম্পদের তুলনায় ২৪ দশমিক ২৫ গুণ বেশি। এর মধ্যে পাঁচটি ব্যাংক ও অন্যান্য খাতে নিজস্ব ঋণ ৩৫৪ কোটি টাকা এবং জামিনদার হিসেবে ১ হাজার ৫৯ কোটি টাকা ও পরিচালক হিসেবে ২৮৫ কোটি টাকা ঋণ রয়েছে। যদিও হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ঋণের বড় একটি অংশই তিনি জামিনদার ও পরিচালক হওয়ার সুবাদে পেয়েছেন। মজার বিষয় হলো, ঋণের বোঝা বেশি থাকলেও চট্টগ্রামের অন্যান্য প্রার্থীদের চেয়ে তার কাছে নগদ অর্থের পরিমাণও সবচেয়ে বেশি, যার পরিমাণ প্রায় ১১ কোটি টাকা। আজকের এই আদেশের মাধ্যমেই চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে যে আসলাম চৌধুরী নির্বাচনী মাঠে থাকতে পারবেন কি না।

সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে ৩৩ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সময়ের মধ্যে কোথাও কোনো ভোটকেন্দ্র বন্ধ হয়নি।
১৮ ঘণ্টা আগে
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস বলেছেন, বাংলাদেশের নাগরিকরা ভোটে অংশগ্রহণে উৎসাহী এবং তারা আশা করছেন এবারের নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য।
১৮ ঘণ্টা আগে
ভোট দেওয়ার অনুভূতি জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খুব ভালো লাগল। আমার জীবনে মহা আনন্দের দিন। বাংলাদেশের সবার জন্য মহা আনন্দের দিন। আজ মুক্তির দিন। আমাদের দুঃস্বপ্নের অবসান। নতুন স্বপ্ন শুরু। সেটাই আমাদের আজকের এই প্রক্রিয়া।
১৯ ঘণ্টা আগে
সিইসি বলেন, আমরা চাই— বাংলাদেশ এই যে গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেল, এই ট্রেন ইনশাল্লাহ গন্তব্যস্থলে পৌঁছাবে আপনাদের সবার সহযোগিতায়। আপনারা জানেন, ২০২৬ সালে সারা বিশ্বে সবচেয়ে বড় একটা নির্বাচন দিচ্ছে বাংলাদেশ। এত বড় নির্বাচন আর এ বছরে কোথাও হয় নাই।
১৯ ঘণ্টা আগে