
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ মামলায় সাবেক আইজিপি ‘রাজসাক্ষী’ (অ্যাপ্রুভার) হওয়ায় তার বিরুদ্ধে রায় বাকি দুজনের চেয়ে আলাদা হতে পারে।
আইনজীবীরা বলছেন, ‘রাজসাক্ষী’র সাজার বিষয়টি সম্পূর্ণ আদালতের এখতিয়ার। আদালত তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন। আবার যেকোনো সাজাও দিতে পারেন।
গত ১০ জুলাই এই তিন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এ দিনই আদালতে ‘আমি জুলাই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত’ বলে অপরাধের দায় স্বীকার করেন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। বলেন, তিনি রাজসাক্ষী হয়ে জুলাই আন্দোলনের সময়কার গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ আদালতকে দেবেন।
আইন অঙ্গনের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধের বিচারে অনেক ক্ষেত্রেই আসামিদের মধ্য থেকে একজনকে রাজসাক্ষী করা হয়, যিনি ক্ষমা কিংবা কম সাজার বিনিময়ে অন্যান্য অপরাধীর জড়িত থাকার বিষয়সহ ঘটনার সত্য বিবরণ আদালতের কাছে তুলে ধরেন।
১৯৮২ সালে বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে পুলিশে যোগ দেন চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ পুলিশের ২৯তম মহাপরিদর্শক হিসেবে নিযুক্ত হন তিনি। এর আগে তিনি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) ছিলেন, ছিলেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান।
জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিকুল ইসলাম সোহেল রাজনীতি ডটকমকে বলেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডে জড়িত হিসেবে দোষ স্বীকার করেছেন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। সে দোষ স্বীকার করে অন্যান্য তথ্য সরবরাহের শর্তে তিনি ‘রাজসাক্ষী’ হয়েছেন। এখন তার সাজা কী হবে, সেটি ট্রাইব্যুনাল নির্ধারণ করবেন।
ব্যারিস্টার শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, আদালত সন্তুষ্ট হলে তাকে খালাস দিতে পারেন, স্বল্প সাজাও দিতে পারেন, কিংবা বাকি আসামিদের মতো সর্বোচ্চ সাজাও দিতে পারে। এটি সম্পূর্ণ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার।

জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ মামলায় সাবেক আইজিপি ‘রাজসাক্ষী’ (অ্যাপ্রুভার) হওয়ায় তার বিরুদ্ধে রায় বাকি দুজনের চেয়ে আলাদা হতে পারে।
আইনজীবীরা বলছেন, ‘রাজসাক্ষী’র সাজার বিষয়টি সম্পূর্ণ আদালতের এখতিয়ার। আদালত তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন। আবার যেকোনো সাজাও দিতে পারেন।
গত ১০ জুলাই এই তিন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এ দিনই আদালতে ‘আমি জুলাই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত’ বলে অপরাধের দায় স্বীকার করেন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। বলেন, তিনি রাজসাক্ষী হয়ে জুলাই আন্দোলনের সময়কার গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ আদালতকে দেবেন।
আইন অঙ্গনের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধের বিচারে অনেক ক্ষেত্রেই আসামিদের মধ্য থেকে একজনকে রাজসাক্ষী করা হয়, যিনি ক্ষমা কিংবা কম সাজার বিনিময়ে অন্যান্য অপরাধীর জড়িত থাকার বিষয়সহ ঘটনার সত্য বিবরণ আদালতের কাছে তুলে ধরেন।
১৯৮২ সালে বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে পুলিশে যোগ দেন চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ পুলিশের ২৯তম মহাপরিদর্শক হিসেবে নিযুক্ত হন তিনি। এর আগে তিনি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) ছিলেন, ছিলেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান।
জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিকুল ইসলাম সোহেল রাজনীতি ডটকমকে বলেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডে জড়িত হিসেবে দোষ স্বীকার করেছেন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। সে দোষ স্বীকার করে অন্যান্য তথ্য সরবরাহের শর্তে তিনি ‘রাজসাক্ষী’ হয়েছেন। এখন তার সাজা কী হবে, সেটি ট্রাইব্যুনাল নির্ধারণ করবেন।
ব্যারিস্টার শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, আদালত সন্তুষ্ট হলে তাকে খালাস দিতে পারেন, স্বল্প সাজাও দিতে পারেন, কিংবা বাকি আসামিদের মতো সর্বোচ্চ সাজাও দিতে পারে। এটি সম্পূর্ণ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার।

অ্যাপোলো মিশনের রেকর্ড ভেঙে চাঁদের সবচেয়ে দূরবর্তী পথ পাড়ি দিয়ে এই চার ক্রু সদস্য মানব ইতিহাসের এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লন্ডনে নিয়োগ পাওয়ার আগে আকবর হোসেন বিবিসি বাংলার ঢাকা অফিসে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল, ২০২৬’ পাসের পর বিরোধী দলের আপত্তি ও সংশোধনী নিয়ে আলোচনার সময় সংসদ উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্পিকার এই মন্তব্য করেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ই মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ২৩ জন এবং হামের লক্ষণ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ১৪৪ জনে। আর ২৭ দিনে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৪০৯ জন। এসময়ে সন্দেহজনক মোট হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৪৯৭ জনে।
১৬ ঘণ্টা আগে