
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার। এক চিঠিতে তিনি তারেক রহমানের সরকার তথা বাংলাদেশের সমর্থনের থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) কিয়ের স্টারমারের শুভেচ্ছাবার্তার চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
চিঠিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য অংশীদারত্ব আরও জোরদার করা এবং অভিন্ন অগ্রাধিকার এগিয়ে নিতে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
কিয়ার স্টারমার লিখেছেন, বাংলাদেশের নির্বাচনে আপনার বিজয় ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার দায়িত্ব গ্রহণ নিশ্চিত হওয়ায় আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাতে এই চিঠি লিখছি। যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ ও দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, আপনার নেতৃত্বে আমাদের সহযোগিতা কেবলই বাড়বে, যা আমাদের অভিন্ন মূল্যবোধ ও সমৃদ্ধ ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠবে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আরও লিখেছেন, আমি আমাদের অংশীদারি শক্তিশালী করতে এবং অভিন্ন অগ্রাধিকারগুলো এগিয়ে নিতে আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করছি। বাংলাদেশে অন্যতম বৃহত্তম বিদেশি বিনিয়োগকারী হিসেবে আমরা আমাদের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের আশা করছি।
অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের বিরুদ্ধে লড়াই এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার জন্য আরও সহযোগিতার সুযোগকে স্বাগত জানান কিয়ের স্টারমার।
চিঠিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আরও লিখেছেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের উদারভাবে গ্রহণ করায় যুক্তরাজ্যও আপনার পাশে থেকে সমর্থন জারি রাখবে। আমি আমাদের দুই দেশের অংশীদারত্বের এই পরবর্তী অধ্যায়ের অপেক্ষায় রয়েছি।

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার। এক চিঠিতে তিনি তারেক রহমানের সরকার তথা বাংলাদেশের সমর্থনের থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) কিয়ের স্টারমারের শুভেচ্ছাবার্তার চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
চিঠিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য অংশীদারত্ব আরও জোরদার করা এবং অভিন্ন অগ্রাধিকার এগিয়ে নিতে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
কিয়ার স্টারমার লিখেছেন, বাংলাদেশের নির্বাচনে আপনার বিজয় ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার দায়িত্ব গ্রহণ নিশ্চিত হওয়ায় আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাতে এই চিঠি লিখছি। যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ ও দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, আপনার নেতৃত্বে আমাদের সহযোগিতা কেবলই বাড়বে, যা আমাদের অভিন্ন মূল্যবোধ ও সমৃদ্ধ ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠবে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আরও লিখেছেন, আমি আমাদের অংশীদারি শক্তিশালী করতে এবং অভিন্ন অগ্রাধিকারগুলো এগিয়ে নিতে আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করছি। বাংলাদেশে অন্যতম বৃহত্তম বিদেশি বিনিয়োগকারী হিসেবে আমরা আমাদের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের আশা করছি।
অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের বিরুদ্ধে লড়াই এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার জন্য আরও সহযোগিতার সুযোগকে স্বাগত জানান কিয়ের স্টারমার।
চিঠিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আরও লিখেছেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের উদারভাবে গ্রহণ করায় যুক্তরাজ্যও আপনার পাশে থেকে সমর্থন জারি রাখবে। আমি আমাদের দুই দেশের অংশীদারত্বের এই পরবর্তী অধ্যায়ের অপেক্ষায় রয়েছি।

সাক্ষাতে মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে স্টিফেন রড্রিগেজ বলেন, আপনি সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন জেনে আমরা আনন্দিত। আপনি চাইলে আমরা এ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে আগ্রহী।
৬ ঘণ্টা আগে
ঢাকার বড় ও প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলের বিষয়েও কথা বলেন তথ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘এসব যান চলাচলে মানুষের কিছুটা সুবিধা হলেও যানজটসহ নানা সমস্যা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি চালকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ঘাটতি এবং যানবাহনের কারিগরি নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।’
৭ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে বাংলাদেশ ও ডেনমার্কের দ্বিপাক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার, পানি সরবরাহ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং উন্নয়ন প্রকল্পে ডেনমার্কের বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের শুরুতে রাষ্ট্রদূত নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার
৭ ঘণ্টা আগে
২০১৭ সালের আগস্টের পর বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে প্রত্যাবাসন নিয়ে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০১৭ সালের নভেম্বরে দুই দেশ প্রত্যাবাসন নিয়ে চুক্তি করে। পরে প্রত্যাবাসনের জন্য তালিকা তৈরি, যাচাই-বাছাই এবং সম্ভাব্য প্রত্যাবাসনের তারিখও নির্ধারণ করা হয়। ২০১৮ ও ২০১৯ সালে দুই দফায় প্রত্যাবাসন শুরুর উদ্যোগ
৮ ঘণ্টা আগে