
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক ১৫টি সমঝোতা স্মারক সই হবে।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) ঐতিহাসিক গ্রেট হলে দুই প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে মিলিত হন।
বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সই শেষে চীনের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের সম্মানে রাষ্ট্রীয় ভোজের আয়োজন করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) মুখপাত্র মাহদী আমিন বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমরা আশা করি, এসব চুক্তি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বৃহস্পতিবারের কর্মসূচি শেষে শুক্রবারঅ ব্যস্ত সময় কাটাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ দিন স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে) ঐতিহাসিক গ্রেট হলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।
মাহদী আমিন বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরবেন। আমরা আশা করি, এসব আলোচনা ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে, যা বাংলাদেশের জনগণের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে আরও সুসংহত করবে।
মাহদী আমিন বলেন, চীনা প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে বেইজিংয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থান, ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি, বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান তৈরি, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের প্রসার, জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক জোরদার করা এবং শিক্ষা, সংস্কৃতি, তথ্যপ্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে আরও কার্যকর সহযোগিতা প্রতিষ্ঠা করা।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রী লি গুয়োয়িং। মাহদী আমিন জানান, বৈঠকে তিস্তা মহাপরিকল্পনাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন নদী ব্যবস্থাপনা, বন্যা ঝুঁকি মোকাবিলা, নদী খনন, নদীভাঙন রোধ, সেচ ও নৌ-নেভিগেশন উন্নয়নে দুই দেশের সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে উভয় পক্ষ ঐকমত্য হয়। চীনা মন্ত্রী এ খাতে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এ ছাড়া বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড (সিসিপিআইটি) এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) যৌথ উদ্যোগে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ নামে এক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এতে চীনের ৮০ জন প্রথম সারির ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তা ও মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশে কীভাবে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা যায়, বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারের অবস্থান কী এবং কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত ব্যবসায়িক নেতাদের সামনে বিস্তারিত তুলে ধরেন। একই সঙ্গে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের প্রত্যাশা, পরিকল্পনা এবং বিনিয়োগ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আজ বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই অতিথি ভবনে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইক্সিংও বৈঠক করেন।
মাহদী আমিন জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সহযোগিতা, টেকসই প্রবৃদ্ধি ও পারস্পরিক সমৃদ্ধির লক্ষ্যে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানান। এ সময় চীনা পক্ষ দুই দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও জনসম্পৃক্ততা আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করে এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়নে চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে।
উভয় পক্ষই উন্নয়ন, বিনিয়োগ, জনগণের সংযোগ ও পার্টি-টু-পার্টি সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পরে বৈঠকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়।
মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাবা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালের ঐতিহাসিক সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্বের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। পরে তার মা প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সাতটি স্মরণীয় সফরের মাধ্যমে সেই বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করেন। এর মধ্যে ২০০২ সালে খালেদা জিয়ার চীন সফরে তারেক রহমানও সঙ্গী হয়েছিলেন। এই দেশ থেকে অনেক সমৃদ্ধ স্মৃতি নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্রের সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনিসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। বাসস।

বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক ১৫টি সমঝোতা স্মারক সই হবে।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) ঐতিহাসিক গ্রেট হলে দুই প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে মিলিত হন।
বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সই শেষে চীনের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের সম্মানে রাষ্ট্রীয় ভোজের আয়োজন করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) মুখপাত্র মাহদী আমিন বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমরা আশা করি, এসব চুক্তি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বৃহস্পতিবারের কর্মসূচি শেষে শুক্রবারঅ ব্যস্ত সময় কাটাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ দিন স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে) ঐতিহাসিক গ্রেট হলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।
মাহদী আমিন বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরবেন। আমরা আশা করি, এসব আলোচনা ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে, যা বাংলাদেশের জনগণের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে আরও সুসংহত করবে।
মাহদী আমিন বলেন, চীনা প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে বেইজিংয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থান, ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি, বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান তৈরি, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের প্রসার, জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক জোরদার করা এবং শিক্ষা, সংস্কৃতি, তথ্যপ্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে আরও কার্যকর সহযোগিতা প্রতিষ্ঠা করা।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন চীনের পানিসম্পদ মন্ত্রী লি গুয়োয়িং। মাহদী আমিন জানান, বৈঠকে তিস্তা মহাপরিকল্পনাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন নদী ব্যবস্থাপনা, বন্যা ঝুঁকি মোকাবিলা, নদী খনন, নদীভাঙন রোধ, সেচ ও নৌ-নেভিগেশন উন্নয়নে দুই দেশের সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে উভয় পক্ষ ঐকমত্য হয়। চীনা মন্ত্রী এ খাতে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এ ছাড়া বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড (সিসিপিআইটি) এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) যৌথ উদ্যোগে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ নামে এক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এতে চীনের ৮০ জন প্রথম সারির ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তা ও মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশে কীভাবে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা যায়, বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারের অবস্থান কী এবং কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত ব্যবসায়িক নেতাদের সামনে বিস্তারিত তুলে ধরেন। একই সঙ্গে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের প্রত্যাশা, পরিকল্পনা এবং বিনিয়োগ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আজ বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই অতিথি ভবনে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইক্সিংও বৈঠক করেন।
মাহদী আমিন জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সহযোগিতা, টেকসই প্রবৃদ্ধি ও পারস্পরিক সমৃদ্ধির লক্ষ্যে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানান। এ সময় চীনা পক্ষ দুই দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও জনসম্পৃক্ততা আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করে এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়নে চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে।
উভয় পক্ষই উন্নয়ন, বিনিয়োগ, জনগণের সংযোগ ও পার্টি-টু-পার্টি সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পরে বৈঠকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়।
মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাবা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালের ঐতিহাসিক সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্বের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। পরে তার মা প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সাতটি স্মরণীয় সফরের মাধ্যমে সেই বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করেন। এর মধ্যে ২০০২ সালে খালেদা জিয়ার চীন সফরে তারেক রহমানও সঙ্গী হয়েছিলেন। এই দেশ থেকে অনেক সমৃদ্ধ স্মৃতি নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্রের সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনিসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। বাসস।

চীন সফরের শেষ দিন শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল ১০টায় বেইজিংয়ের ‘গ্রেট হল অব পিপলে’ এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৩ জুন) সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময় কারও শরীরে হামের সংক্রমণ নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হয়নি।
৩ ঘণ্টা আগে
চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ওই বছরের ১৮ আগস্ট মাহবুব মোর্শেদকে দুই বছরের জন্য বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। ওই সময় নিজের একটি গাড়ি আরেকটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত এ সংবাদমাধ্যমেই ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে।
৪ ঘণ্টা আগে
সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে হত্যাচেষ্টা মামলায় এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এই মামলায় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সরকার দলীয় হুইপ জি কে গউছ এবং সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবরসহ অন্য আসামিদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে