
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভৌগলিক ও মানবসৃষ্ট বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশে সুপেয় পানির সংকট রয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় এলাকায় এই সংকট সবচেয়ে বেশি। উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাপনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পানির সংকটের নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় পানি সংকট নিরসনে সরকারি-বেসরকারি সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি।
আজ মঙ্গবার রাজধানীর একটি হোটেলে "নিরাপদ পানির প্রবেশাধিকার ত্বরান্বিত করতে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সহায়তা" শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এ সব কথা বলেন। দেশের পানি সমস্যার টেকসই সমাধানে সহযোগিতার পথ খুঁজে বের করার করার উদ্দেশ্যে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশ এ সভার আয়োজন করে।
সভায় জানানো হয়, সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশ ‘এইচ টু ও: এ সিস্টেমিক ওয়াটার এনট্রপ্রনরশীপ প্রজেক্ট ইন বাংলাদেশ’- প্রকল্পের মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানীয় জলের প্রাপ্তি সুলভ করতে কাজ করছে। এই প্রকল্পটি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এবং সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় কমিউনিটিভিত্তিক পানি উদ্যোগ, স্কুলভিত্তিক সামাজিক কল্যাণ মডেল এবং মোবাইল পানি সরবরাহ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করছে। এই উদ্যোগগুলোর লক্ষ্য সবার জন্য নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী মূল্যের পানীয় জল নিশ্চিত করা। এখন পর্যন্ত প্রকল্পটি ৪২৬টি পরিবারকে ৪ লাখ ২ হাজার ৯১৫ লিটার নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহ করেছে। প্রতি লিটার পানি মাত্র ৪০ পয়সায় সরবরাহ করা হচ্ছে। নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার করে ৬ দশমিক ৪৭ মেগাওয়াট ঘণ্টা সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়েছে। এর ফলে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা পরিবেশবান্ধব হয়েছে। প্রকল্প এলাকায় পানি বাহিত রোগের হার ৩৭ শতাংশ কমেছে।
সভায় ইজি সেন্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা রোহান কামাল বলেন, উপকূলীয় এলাকার পানি সংকট সমাধানে সরকারি সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা খুবই জরুরি। কোনো একটি পক্ষের উদ্যোগে সবার সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এস এম শফিউল আলম বলেন, এইচটুও প্রকল্পের মতো উদ্যোগগুলোর দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য নিশ্চিত করতে একটি বিশেষায়িত কনসোর্টিয়াম গঠন করা উচিত।
সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মুজিবুল হাসান সিজান বলেন, এইচটুও প্রকল্প দেখিয়েছে যে কমিউনিটি এবং উদ্যোক্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পানি সমস্যার টেকসই সমাধান সম্ভব।
এইচ টু ও প্রকল্পটি ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে চলতই বছর ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৫ মাসের একটি উদ্যোগ। এটি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি লোকালেস ওয়াসার ৩৭ এর অর্থায়নে এবং সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশন (এসডিসি) ও ফেডারেল ডিপার্টমেন্ট অফ ফরেন অ্যাফেয়ার্স (এফডিএফএ)-এর সহঅর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে। নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহের পাশাপাশি পানি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা গড়ে তুলতে কাজ করছে এই প্রকল্প।

ভৌগলিক ও মানবসৃষ্ট বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশে সুপেয় পানির সংকট রয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় এলাকায় এই সংকট সবচেয়ে বেশি। উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাপনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পানির সংকটের নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় পানি সংকট নিরসনে সরকারি-বেসরকারি সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি।
আজ মঙ্গবার রাজধানীর একটি হোটেলে "নিরাপদ পানির প্রবেশাধিকার ত্বরান্বিত করতে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সহায়তা" শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এ সব কথা বলেন। দেশের পানি সমস্যার টেকসই সমাধানে সহযোগিতার পথ খুঁজে বের করার করার উদ্দেশ্যে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশ এ সভার আয়োজন করে।
সভায় জানানো হয়, সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশ ‘এইচ টু ও: এ সিস্টেমিক ওয়াটার এনট্রপ্রনরশীপ প্রজেক্ট ইন বাংলাদেশ’- প্রকল্পের মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানীয় জলের প্রাপ্তি সুলভ করতে কাজ করছে। এই প্রকল্পটি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এবং সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় কমিউনিটিভিত্তিক পানি উদ্যোগ, স্কুলভিত্তিক সামাজিক কল্যাণ মডেল এবং মোবাইল পানি সরবরাহ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করছে। এই উদ্যোগগুলোর লক্ষ্য সবার জন্য নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী মূল্যের পানীয় জল নিশ্চিত করা। এখন পর্যন্ত প্রকল্পটি ৪২৬টি পরিবারকে ৪ লাখ ২ হাজার ৯১৫ লিটার নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহ করেছে। প্রতি লিটার পানি মাত্র ৪০ পয়সায় সরবরাহ করা হচ্ছে। নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার করে ৬ দশমিক ৪৭ মেগাওয়াট ঘণ্টা সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়েছে। এর ফলে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা পরিবেশবান্ধব হয়েছে। প্রকল্প এলাকায় পানি বাহিত রোগের হার ৩৭ শতাংশ কমেছে।
সভায় ইজি সেন্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা রোহান কামাল বলেন, উপকূলীয় এলাকার পানি সংকট সমাধানে সরকারি সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা খুবই জরুরি। কোনো একটি পক্ষের উদ্যোগে সবার সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এস এম শফিউল আলম বলেন, এইচটুও প্রকল্পের মতো উদ্যোগগুলোর দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য নিশ্চিত করতে একটি বিশেষায়িত কনসোর্টিয়াম গঠন করা উচিত।
সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মুজিবুল হাসান সিজান বলেন, এইচটুও প্রকল্প দেখিয়েছে যে কমিউনিটি এবং উদ্যোক্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পানি সমস্যার টেকসই সমাধান সম্ভব।
এইচ টু ও প্রকল্পটি ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে চলতই বছর ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৫ মাসের একটি উদ্যোগ। এটি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি লোকালেস ওয়াসার ৩৭ এর অর্থায়নে এবং সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশন (এসডিসি) ও ফেডারেল ডিপার্টমেন্ট অফ ফরেন অ্যাফেয়ার্স (এফডিএফএ)-এর সহঅর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে। নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহের পাশাপাশি পানি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা গড়ে তুলতে কাজ করছে এই প্রকল্প।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাসা থেকে বের হয়ে একসঙ্গে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন ওই পাঁচজন। পথেই তাদের বহনকারী গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তারা।
৭ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে। আসক বলেছে, রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা অবস্থায় একজন তরুণের মৃত্যু জনমনে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়। তাই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
৭ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
৯ ঘণ্টা আগে
রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে প্রত্যাহারের বিষয়টি জানানো হয়।
৯ ঘণ্টা আগে