দক্ষিণের ২১ জেলা ‘ব্ল্যাক আউট’

খুলনা ব্যুরো
আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০২৫, ১৯: ৫৬
জাতীয় গ্রিডে সমস্যার কারণে ‘ব্ল্যাক আউটে‘র ‍শিকার হয়েছে ২১ জেলা। শনিবার সন্ধ্যায় খুলনা নগরী থেকে তোলা। ছবি: রাজনীতি ডটকম

জাতীয় গ্রিডে সমস্যার কারণে দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের ২১ জেলায় ‘ব্ল্যাক আউট’ তথা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। শনিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেল ৫টা ৪৮ মিনিটে এই ‘ব্ল্যাক আউট’ শুরু হয়।

দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের ২১ জেলায় বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্বে থাকা ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ হায়দার আলী রাজনীতি ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

হায়দার আলী বলেন, গোপালগঞ্জের আমিন বাজারে ন্যাশনাল গ্রিডে সমস্যা হওয়ার জন্য এই ‘ব্ল্যাক আউট’ হয়েছে। তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে এবং বিভিন্ন জেলায় বিদ্যুৎ বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। সমস্যার সমাধান হতে আরও কিছু সময় লাগবে।

গোপালগঞ্জের আমিন বাজার জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ফলে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়। এই কেন্দ্রটি রামপাল ও পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সঞ্চালন কেন্দ্র।

‘ব্ল্যাক আউটে’র কারণে খুলনা শহরে বিদ্যুৎ চলে যায় বিকেল ৫টা ৪৮ মিনিটে। দুই ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে বিদ্যুৎ এসেছে। এ সময় পর্যন্ত সবগুলা জেলায় পুরোপুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন ওজোপাডিকোর এমডি।

গ্রিড জটিলতার কারণে ব্ল্যাক আউটের শিকার হয়েছে যেসব জেলা তার মধ্যে খুলনা বিভাগের জেলা ১০টি— খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, নড়াইল, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা।

এই তালিকায় ঢাকা বিভাগেরও পাঁচটি জেলা রয়েছে। সেগুলো হলো— ফরিদপুর, রাজবাড়ি, মাদারীপুর, শরিয়তপুর ও গোপালগঞ্জ।

এ ছাড়া বরিশাল বিভাগের ছয়টি জেলাও ‘ব্ল্যাক আউটে’র মধ্যে পড়েছে— বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, বরগুনা ও ভোলা।

Ad
Ad
ad
ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

একাদশে ভর্তি পুরোনো পদ্ধতিতেই: শিক্ষামন্ত্রী

পরীক্ষায় ভালো করার কথা থাকলেও অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফল করতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের বোর্ডের ১৯৯৮ সালের আইন অনুযায়ী খাতা পরিদর্শনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমানে আমরা এটি পরিবর্তন করেছি। যেসব শিক্ষার্থী পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করবেন, তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হব

১ ঘণ্টা আগে

এসএসসিতে জিপিএ-৫ বেশি পেয়েছে মেয়েরা, পাসের হারেও এগিয়ে

গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালেও ছিল একই চিত্র। সেবার মেয়েদের পাসের হার ছিল ৭১ দশমিক ০৩ শতাংশ, বিপরীতে ছেলেদের মধ্যে পাস করেছিল ৬৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ পরীক্ষার্থী।

১ ঘণ্টা আগে

এসএসসিতে পাসের হার ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

এর আগে ২০০৭ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৫৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছিল। এরপর গত ১৯ বছরে আর কখনো পাবলিক এ পরীক্ষায় পাসের হার এত কম ছিল না।

২ ঘণ্টা আগে

একজন শিক্ষার্থীও পাস করেনি ৩১২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিল। এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১ লাখ

৩ ঘণ্টা আগে