প্রাথমিকের বাতিল হওয়া নিয়োগের দাবিতে ১০ম দিনের মতো শাহবাগে চাকরিপ্রার্থীরা

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৬: ২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে বাতিল হওয়া নিয়োগ ফিরে পাওয়ার দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। তারা বলছেন, চাকরিতে যোগদানের আদেশ না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথে অবস্থান চালিয়ে যাবেন।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। এ নিয়ে টানা দশম দিনের মতো তারা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। এর আগে গত দুই দিনেই তাদের শাহবাগ থেকে উঠিয়ে দিতে লাঠিচার্জসহ জলকামান ব্যবহার করেছে পুলিশ।

আন্দোলনকারীরা বলছেন, তারা দিনভর শাহবাগ মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। রাতে অবস্থান করেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে। এভাবেই ১০ দিন ধরে তারা কর্মসূচি পালন করে চলেছেন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে দুই ধাপের নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষে তৃতীয় ধাপের নিয়োগ নিয়ে এই জটিলতা চলছে। এই ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ছয় হাজার ৫৩১ জনকে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়েছিল। পরে এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট এ নিয়োগ স্থগিত করেছেন।

সুপারিশ পাওয়া নিয়োগপ্রত্যাশীরা বলছেন, কই নিয়োগের প্রথম দুই ধাপ সম্পন্ন করা হলেও তৃতীয় ধাপের নিয়োগ আটকে দিয়ে তাদের সঙ্গে বৈষম্য করা হচ্ছে। এতে দুই বিভাগের ২১ জেলার প্রার্থীরা বৈষম্যের শিকার হয়েছেন।

আসাদুজ্জামান নামে একজন বলেন, প্রথম দুই ধাপে নিয়োগপ্রাপ্তরা এখন রীতিমতো চাকরি করছে। তাহলে আমাদের নিয়ে অসুবিধাটা কোথায়? আমরাও তো তাদের মতো একই প্রক্রিয়ায় নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েছি।

চাকরি ফিরে পাওয়ার এই আন্দোলন ঘিরে অন্তত তিন দিন লাঠিচার্জ, জলকামান ব্যবহার, টিয়ার শেল নিক্ষেপের মতো বলপ্রয়োগ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এ আচরণের নিন্দা জানিয়েছেন চাকরিপ্রার্থী আন্দোলনকারীরা।

আন্দোলনকারীরা আগেই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়ার পুরোটা তুলে ধরেন। তারা জানান, ২০২৩ সালের ১৪ জুন তৃতীয় ধাপের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। ২০২৪ সালের ২৯ মার্চ হয় লিখিত পরীক্ষা, ফল প্রকাশিত হয় একই বছরের ২১ এপ্রিল। ১২ জুন সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। আইন মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে ৩১ অক্টোবর প্রকাশিত হয় চূড়ান্ত ফল।

ওই সময় সহকারী শিক্ষক পদে ছয় হাজার ৫৩১ জনকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হয়। ওই সময় সুপারিশ থেকে বঞ্চিত ৩১ জন হাইকোর্টে রিট করলে প্রথমে হাইকোর্ট নিয়োগ কার্যক্রমে ছয় মাসের স্থগিতাদেশ দেন। পরে গত ৬ ফেব্রুয়ারি এই নিয়োগ বাতিলই করে রায় দেন হাইকোর্ট।

ওই দিন থেকেই রাজপথে অবস্থান নিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। তারা বলছেন, নিয়োগ ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত রাজপথে অবস্থান চালিয়ে যাবেন। এর মধ্যে আন্দোলনের নবম দিনে গতকাল হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

Ad
Ad
ad
ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

মেলায় সরকারি-বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ৭৩টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, স্বতন্ত্র গবেষক, শিক্ষার্থী, নতুন স্টার্টআপ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান (এসএমই) এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা অংশ নিয়েছেন। আয়োজনে প্রযুক্তি, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও পরিবেশসহ বিভিন্ন খাতের এক হাজারের বেশি নতুন

১৭ ঘণ্টা আগে

তরুণরা চাইলে দেশ পরিবর্তন করা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি একটা সাহায্য চাই, হেল্প চাই। আমি যতটুকু জানি বাংলাদেশে স্কাউটসের সংখ্যা প্রায় ২৩ লাখ, বিএনসিসি সদস্যের সংখ্যা ২২ হাজার। এছাড়া প্রাথমিক স্কুল-মাদ্রাসা ছাড়াও সারা দেশে হাইস্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। আর প্রাথমিক স্কুল-মাদ্রাসাসহ আড

১৮ ঘণ্টা আগে

ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শতভাগ না পারলেও ৮০ শতাংশ ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব।৩ মাসে ডেঙ্গু সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবে সরকার।

১৯ ঘণ্টা আগে

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ: চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, সারাদেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস

১৯ ঘণ্টা আগে
Advertisement