
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের আবাসিক হলে প্রবেশের ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক নিয়ম বাতিলসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। একই সঙ্গে ছাত্রীদের চলমান আন্দোলনে সংহতি জানিয়েছে সংগঠনটি।
রোববার ( ৯ আগস্ট) এক বিবৃতিতে শিক্ষক নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে বলা হয়, ছাত্রী হলের ‘সান্ধ্য আইন’ বাতিল করে ২৪ ঘণ্টা যাতায়াতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি বৈধ পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে সব ছাত্রীকে যেকোনো হলে প্রবেশ এবং অনুমতিসাপেক্ষে রাতযাপনের সুযোগ দিতে হবে। ছাত্রীদের মা, বোনসহ নারী স্বজনদের হলে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি।
বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত হল ফি দেওয়ার পরও অনাবাসিক ছাত্রীদের নিজ হলে প্রবেশের সুযোগ নেই। এমনকি বিরতি নেওয়া বা খাবারের জন্যও তারা হলে যেতে পারেন না। আবাসিক ছাত্রীদের মা-বোন বা অন্য হলের ছাত্রীদের প্রবেশেও বিধিনিষেধ রয়েছে। শিক্ষক নেটওয়ার্কের দাবি, পুরুষ হলগুলোর ক্ষেত্রে এ ধরনের বিধিনিষেধ নেই।
সংগঠনটির অভিযোগ, নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ছাত্রীদের জন্য রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত যে ‘সান্ধ্য আইন’ চালু রয়েছে, তা অনেক ক্ষেত্রে হয়রানির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দূরপাল্লার যাত্রা শেষে রাতে হলে ফিরলে গেটে অপেক্ষা করা, জরুরি প্রয়োজনে বাইরে যাওয়া কিংবা চিকিৎসার প্রয়োজনে বের হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের প্রশাসনিক হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়।
শিক্ষক নেটওয়ার্ক আরও বলেছে, ক্যাম্পাসে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে ছাত্রীদের চলাচল সীমিত করার মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যে পদ্ধতি নেওয়া হয়েছে, তা প্রশাসনিক ব্যর্থতারই প্রমাণ।
বিবৃতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও বৈষম্যের অভিযোগ তোলা হয়। সংগঠনটির দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে কোনো নারী শিক্ষার্থী সংবাদমাধ্যমে যুক্ত হতে পারেন না এবং আবাসিক নারী শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনে অংশগ্রহণও নানা বিধিনিষেধের কারণে সংকুচিত হয়।
এ ক্ষেত্রে ঢাকা মেডিকেল কলেজ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা নার্সিং কলেজের নারী শিক্ষার্থীদের আবাসিক হলের নিয়মের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্থক্যের বিষয়টি তুলে ধরে শিক্ষক নেটওয়ার্ক। পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হলে পরিবারের নারী সদস্য ও বান্ধবীদের প্রবেশের সুযোগ থাকার কথাও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
শিক্ষক নেটওয়ার্ক বলেছে, এসব বৈষম্য ও দ্বৈতনীতির বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা ‘সময়ের শেকল ভাঙো’ কর্মসূচির মাধ্যমে আন্দোলন করছেন। তাদের স্বাধীনভাবে চলাচল এবং প্রশাসনের কাছ থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে চলমান এই আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়েছে সংগঠনটি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের আবাসিক হলে প্রবেশের ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক নিয়ম বাতিলসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। একই সঙ্গে ছাত্রীদের চলমান আন্দোলনে সংহতি জানিয়েছে সংগঠনটি।
রোববার ( ৯ আগস্ট) এক বিবৃতিতে শিক্ষক নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে বলা হয়, ছাত্রী হলের ‘সান্ধ্য আইন’ বাতিল করে ২৪ ঘণ্টা যাতায়াতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি বৈধ পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে সব ছাত্রীকে যেকোনো হলে প্রবেশ এবং অনুমতিসাপেক্ষে রাতযাপনের সুযোগ দিতে হবে। ছাত্রীদের মা, বোনসহ নারী স্বজনদের হলে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি।
বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত হল ফি দেওয়ার পরও অনাবাসিক ছাত্রীদের নিজ হলে প্রবেশের সুযোগ নেই। এমনকি বিরতি নেওয়া বা খাবারের জন্যও তারা হলে যেতে পারেন না। আবাসিক ছাত্রীদের মা-বোন বা অন্য হলের ছাত্রীদের প্রবেশেও বিধিনিষেধ রয়েছে। শিক্ষক নেটওয়ার্কের দাবি, পুরুষ হলগুলোর ক্ষেত্রে এ ধরনের বিধিনিষেধ নেই।
সংগঠনটির অভিযোগ, নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ছাত্রীদের জন্য রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত যে ‘সান্ধ্য আইন’ চালু রয়েছে, তা অনেক ক্ষেত্রে হয়রানির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দূরপাল্লার যাত্রা শেষে রাতে হলে ফিরলে গেটে অপেক্ষা করা, জরুরি প্রয়োজনে বাইরে যাওয়া কিংবা চিকিৎসার প্রয়োজনে বের হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের প্রশাসনিক হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়।
শিক্ষক নেটওয়ার্ক আরও বলেছে, ক্যাম্পাসে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে ছাত্রীদের চলাচল সীমিত করার মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যে পদ্ধতি নেওয়া হয়েছে, তা প্রশাসনিক ব্যর্থতারই প্রমাণ।
বিবৃতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও বৈষম্যের অভিযোগ তোলা হয়। সংগঠনটির দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে কোনো নারী শিক্ষার্থী সংবাদমাধ্যমে যুক্ত হতে পারেন না এবং আবাসিক নারী শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনে অংশগ্রহণও নানা বিধিনিষেধের কারণে সংকুচিত হয়।
এ ক্ষেত্রে ঢাকা মেডিকেল কলেজ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা নার্সিং কলেজের নারী শিক্ষার্থীদের আবাসিক হলের নিয়মের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্থক্যের বিষয়টি তুলে ধরে শিক্ষক নেটওয়ার্ক। পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হলে পরিবারের নারী সদস্য ও বান্ধবীদের প্রবেশের সুযোগ থাকার কথাও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
শিক্ষক নেটওয়ার্ক বলেছে, এসব বৈষম্য ও দ্বৈতনীতির বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা ‘সময়ের শেকল ভাঙো’ কর্মসূচির মাধ্যমে আন্দোলন করছেন। তাদের স্বাধীনভাবে চলাচল এবং প্রশাসনের কাছ থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে চলমান এই আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়েছে সংগঠনটি।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
রোববার (৯ আগস্ট) কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মাতারবাড়ী আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনের সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এসব নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
৪ ঘণ্টা আগে
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
৫ ঘণ্টা আগে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জনসংযোগ কর্মকর্তা বোসরা ইসলাম বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, রোম ফ্লাইট ১২টা ৩০ মিনিটে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে সেইফলি।”
৫ ঘণ্টা আগে