
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার বিচারিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে র্যাবের আলোচিত টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল, যা ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত, পরিদর্শন করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারকরা।
শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর উত্তরায় র্যাব-১ সদর দপ্তরে গিয়ে ট্রাইব্যুনালের তিন সদস্যের বেঞ্চ ঘটনাস্থলের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনের সময় প্রসিকিউশন টিমের সদস্য এবং আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার। তার সঙ্গে ছিলেন সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
পরিদর্শনকালে বিচারকরা টিএফআই সেলের বিভিন্ন কক্ষ ও স্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেন। বেলা ১১টার দিকে তারা র্যাব-১ সদর দপ্তরে পৌঁছান।
প্রসিকিউশন দলের পক্ষ থেকে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম ছাড়াও প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এম এইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদী, সহিদুল ইসলাম সরদার ও তাসমিরুল ইসলামসহ অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ২১ জুলাই র্যাব, ডিজিএফআই ও ডিবির কথিত গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনের অনুমতি চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করে প্রসিকিউশন। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল-১ ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অনুমতি দেয়।
প্রসিকিউশনের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিরোধী মতের ব্যক্তিদের কথিত গোপন বন্দিশালায় আটকে রেখে নির্যাতন ও গুমের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের তদন্ত এবং বিচারিক কার্যক্রমে ঘটনাস্থলের বাস্তব অবস্থা পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেই পরিদর্শনের আবেদন করা হয়েছিল।

গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার বিচারিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে র্যাবের আলোচিত টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল, যা ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত, পরিদর্শন করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারকরা।
শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর উত্তরায় র্যাব-১ সদর দপ্তরে গিয়ে ট্রাইব্যুনালের তিন সদস্যের বেঞ্চ ঘটনাস্থলের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনের সময় প্রসিকিউশন টিমের সদস্য এবং আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার। তার সঙ্গে ছিলেন সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
পরিদর্শনকালে বিচারকরা টিএফআই সেলের বিভিন্ন কক্ষ ও স্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেন। বেলা ১১টার দিকে তারা র্যাব-১ সদর দপ্তরে পৌঁছান।
প্রসিকিউশন দলের পক্ষ থেকে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম ছাড়াও প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এম এইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদী, সহিদুল ইসলাম সরদার ও তাসমিরুল ইসলামসহ অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ২১ জুলাই র্যাব, ডিজিএফআই ও ডিবির কথিত গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনের অনুমতি চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করে প্রসিকিউশন। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল-১ ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অনুমতি দেয়।
প্রসিকিউশনের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিরোধী মতের ব্যক্তিদের কথিত গোপন বন্দিশালায় আটকে রেখে নির্যাতন ও গুমের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের তদন্ত এবং বিচারিক কার্যক্রমে ঘটনাস্থলের বাস্তব অবস্থা পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেই পরিদর্শনের আবেদন করা হয়েছিল।

মন্ত্রী জানান, গুলশান ও হাইকোর্ট-সংলগ্ন এলাকায় সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সম্পূর্ণ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিহত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
৬ ঘণ্টা আগে
তিন দিনব্যাপী মেলাটি প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে। দেশের পর্যটন খাতের অন্যতম বড় এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের জন্য রাজধানীর অন্যতম বড় ও বহুমুখী ইভেন্ট ভেন্যু আইসিসিবিকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাইয়ের ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের’ মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের প্রতিবাদে সুপ্রিম কোর্টে ‘নীরব প্রতিবাদ’ জানিয়েছেন আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা।
৭ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে প্রতিবাদকারীরা ডাকসু সংগ্রহশালার ফটকের সামনের মেঝেতে দুটি এবং ভেতরের মেঝেতে দুটি ছবি সাঁটিয়ে দেন। এ সময় তারা জিন্নাহ ও গোলাম আযমের ছবি পদদলন করে প্রতিবাদ জানান।
৮ ঘণ্টা আগে