
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সাবেক এমপিসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের আরও পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
শনিবার (১০ মে) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেফতাররা হলেন- একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪৯ থেকে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের কুমিল্লা উত্তর জেলার সহ-সভাপতি সেলিনা ইসলাম (৫০), কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সোবহান ভূঁইয়া ওরফে হাসান, চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ পৌরসভার তিনবারের মেয়র এবং মতলব দক্ষিণ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন লিটন (৫৪), মাদারীপুর জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি ও মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস নার্গিস আক্তার (৫৪) ও শাহবাগ থানা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মাহমুদ হোসেন (৩৪)।
ডিবির বরাত দিয়ে তালেবুর রহমান বলেন, শনিবার রাত আনুমানিক ১টা ৫ মিনিটের দিকে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে সেলিনা ইসলামকে গ্রেফতার করে ডিবি-মতিঝিল বিভাগের একটি দল। অন্যদিকে শুক্রবার ডিবি লালবাগ বিভাগের একটি দল রাত আনুমানিক ১১টার দিকে রাজধানীর টিকাটুলি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আব্দুস সোবহান ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করে।
এছাড়াও শনিবার রাত আনুমানিক ১টা ১০মিনিটের দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে মো. আওলাদ হোসেন লিটনকে গ্রেফতার করে ডিবি গুলশান বিভাগের একটি দল। অন্যদিকে ডিবি-উত্তরা বিভাগের একটি আভিযানিক দল রাজধানীর উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ৪ নম্বর রোড এলাকা থেকে রাত আনুমানিক ৩টা ৩৫ মিনিটের দিকে নার্গিস আক্তারকে গ্রেফতার করে।
শুক্রবার (৯ মে) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে রাজধানীর বকশীবাজার এলাকা মাহমুদ হোসেনকে গ্রেফতার করে ডিবি সাইবার বিভাগের একটি দল।
গ্রেফতার সবার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে। তারা সংঘবদ্ধ হয়ে আইনশৃঙ্খলা বিনষ্টের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করাসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিল করার মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিলেন বলেও জানান তালেবুর রহমান।
গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি।

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সাবেক এমপিসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের আরও পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
শনিবার (১০ মে) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেফতাররা হলেন- একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪৯ থেকে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের কুমিল্লা উত্তর জেলার সহ-সভাপতি সেলিনা ইসলাম (৫০), কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সোবহান ভূঁইয়া ওরফে হাসান, চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ পৌরসভার তিনবারের মেয়র এবং মতলব দক্ষিণ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন লিটন (৫৪), মাদারীপুর জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি ও মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস নার্গিস আক্তার (৫৪) ও শাহবাগ থানা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মাহমুদ হোসেন (৩৪)।
ডিবির বরাত দিয়ে তালেবুর রহমান বলেন, শনিবার রাত আনুমানিক ১টা ৫ মিনিটের দিকে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে সেলিনা ইসলামকে গ্রেফতার করে ডিবি-মতিঝিল বিভাগের একটি দল। অন্যদিকে শুক্রবার ডিবি লালবাগ বিভাগের একটি দল রাত আনুমানিক ১১টার দিকে রাজধানীর টিকাটুলি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আব্দুস সোবহান ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করে।
এছাড়াও শনিবার রাত আনুমানিক ১টা ১০মিনিটের দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে মো. আওলাদ হোসেন লিটনকে গ্রেফতার করে ডিবি গুলশান বিভাগের একটি দল। অন্যদিকে ডিবি-উত্তরা বিভাগের একটি আভিযানিক দল রাজধানীর উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ৪ নম্বর রোড এলাকা থেকে রাত আনুমানিক ৩টা ৩৫ মিনিটের দিকে নার্গিস আক্তারকে গ্রেফতার করে।
শুক্রবার (৯ মে) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে রাজধানীর বকশীবাজার এলাকা মাহমুদ হোসেনকে গ্রেফতার করে ডিবি সাইবার বিভাগের একটি দল।
গ্রেফতার সবার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে। তারা সংঘবদ্ধ হয়ে আইনশৃঙ্খলা বিনষ্টের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করাসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিল করার মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিলেন বলেও জানান তালেবুর রহমান।
গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি।

বাংলাদেশ পুলিশের ১৭ জন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। অবসরপ্রাপ্তদের মধ্যে তিনজন উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এবং ১১ জন অতিরিক্ত ডিআইজি সমমর্যাদার কর্মকর্তা রয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে ছড়িয়ে পড়া আলোচনাকে ‘গুঞ্জন’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্যগত বা অন্য কোনো কারণে পদত্যাগ করতে চাইলে সংবিধানে সে সুযোগ রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী বলেন, প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কমিটির প্রতিটি সিদ্ধান্তে সংবিধান, প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের প্রতিফলন থাকতে হবে। একই সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণে দূরদর্শিতা, প্রজ্ঞা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী জানান, পরীক্ষার্থীরা এখন থেকে পূর্বঘোষিত নিয়মিত রুটিন অনুযায়ী বাকি পরীক্ষাগুলোতে অংশ নেবেন। তবে যেসব পরীক্ষা ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সেগুলো পরে নতুন সময়সূচি প্রকাশ করে আবার নেওয়া হবে।
৭ ঘণ্টা আগে