
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে শৈত্যপ্রবাহ পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। আগের দিন পাঁচ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ থাকলেও তা এখন ১০ জেলায় ছড়িয়েছে। মৃদু ও মাঝারি এ শৈত্যপ্রবাহ কিছু এলাকায় অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
এদিকে শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। চলতি মৌসুমে এটিই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
শুক্রবার আবহাওয়া অধিদফতরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির তথ্য বলছে, সারা দেশে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত থাকতে পারে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা।
যে ১০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে সেগুলো হলো— রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, যশোর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, গোপালগঞ্জ ও মৌলভীবাজার। এর মধ্যে পঞ্চগড়ে মাঝারি ও বাকি জেলাগুলোতে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে।
পঞ্চগড়ে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার কথা আগেই বলা হয়েছে। এ ছাড়া শুক্রবার সকালে গোপালগঞ্জ ও কুষ্টিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া রাজশাহীতে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পাবনার ঈশ্বরদীতে ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাঘাবাড়ীতে ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দিনাজপুরে ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শ্রীমঙ্গলে ৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও চুয়াডাঙ্গায় ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে দেশের অন্য এলাকায় তা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রাও সামান্য বাড়তে পারে।
শনিবার ও রোববারের আবহাওয়ার পূর্বাভাসেও সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশাও পড়তে পারে। তবে বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই সময়ের শেষ ভাগে গিয়ে দিন ও রাতের তাপমাত্রা আবারও কমতে পারে।

দেশে শৈত্যপ্রবাহ পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। আগের দিন পাঁচ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ থাকলেও তা এখন ১০ জেলায় ছড়িয়েছে। মৃদু ও মাঝারি এ শৈত্যপ্রবাহ কিছু এলাকায় অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
এদিকে শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। চলতি মৌসুমে এটিই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
শুক্রবার আবহাওয়া অধিদফতরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির তথ্য বলছে, সারা দেশে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত থাকতে পারে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা।
যে ১০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে সেগুলো হলো— রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, যশোর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, গোপালগঞ্জ ও মৌলভীবাজার। এর মধ্যে পঞ্চগড়ে মাঝারি ও বাকি জেলাগুলোতে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে।
পঞ্চগড়ে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার কথা আগেই বলা হয়েছে। এ ছাড়া শুক্রবার সকালে গোপালগঞ্জ ও কুষ্টিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া রাজশাহীতে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পাবনার ঈশ্বরদীতে ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাঘাবাড়ীতে ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দিনাজপুরে ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শ্রীমঙ্গলে ৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও চুয়াডাঙ্গায় ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে দেশের অন্য এলাকায় তা অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রাও সামান্য বাড়তে পারে।
শনিবার ও রোববারের আবহাওয়ার পূর্বাভাসেও সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশাও পড়তে পারে। তবে বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই সময়ের শেষ ভাগে গিয়ে দিন ও রাতের তাপমাত্রা আবারও কমতে পারে।

সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘গণতন্ত্রের এ ঐতিহাসিক অভিযাত্রায় আপনাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ একটি শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের পথে আমাদের সম্মিলিতভাবে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে।’
৩ ঘণ্টা আগে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদের ওপর অনুষ্ঠেয় গণভোটে ভোট দেবেন রাজধানীর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের পরিবেশ খুব ভালো। উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ।
৪ ঘণ্টা আগে
ভোটের সময় টাকা বহনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো সীমা নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, অর্থের উৎস ও ব্যবহারের বৈধতা দেখাতে পারলে ৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই।
৫ ঘণ্টা আগে