
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে মেজর সাদিকের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী তদন্ত আদালত গঠন করেছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নাশকতার প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগে তাকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়।
শুক্রবার (১ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর এ তথ্য জানিয়েছে। তবেবিজ্ঞপ্তিতে ওই সেনা কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করা হয়নি। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সেনা সদরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মেজর সাদিককে হেফাজতে নেওয়ার তথ্য জানিয়েছিলেন সেনা সদরের মিলিটারি অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম-উদ-দৌলা।
আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি একটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এক সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়া যায়। অভিযোগটি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেনাবাহিনী বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, গত ১৭ জুলাই ওই সেনা কর্মকর্তাকে তার নিজ বাসস্থান রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে আটক করে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়।
আইএসপিআর বলছে, ঘটনাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের লক্ষ্যে এরই মধ্যে একটি তদন্ত আদালত গঠন করা হয়েছে এবং প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। পূর্ণ তদন্ত শেষে পাওয়া তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ওই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা সংস্থার সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় সাধন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মেজর সাদিকের বিরুদ্ধে কর্মস্থল থেকে অনুপস্থিত থাকা সংক্রান্ত ব্যত্যযয়ের বিষয়ে আরেকটি তদন্ত আদালত গঠন করা হয়েছে এবং তদন্ত শেষে আদালতের সুপারিশে সেনা আইন অনুযায়ী দায় নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইএসপিআর আরও বলছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, শৃঙ্খলাপরায়ণ ও পেশাদার প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কোনো সুযোগ নেই। রাজনৈতিক কার্যকলাপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনো সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে সেনা আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সব সদস্যের মধ্যে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও সাংবিধানিক দায়িত্ববোধ বজায় রাখতে সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এর আগে গত ৮ জুলাই রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকার একটি কনভেনশন সেন্টারে ‘গোপন বৈঠক’ হয়েছে বলে তথ্য পায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। জানা যায়, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার ‘ষড়যন্ত্র’ করতে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী ওই বৈঠকে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের তিন থেকে চার শ নেতাকর্মীকে নাশকতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এর আগেও অন্তত এমন চারটি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হওয়ার তথ্য দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ ঘটনায় ভাটারা থানায় একটি মামলা করেছে পুলিশ। ওই বৈঠকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২২ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ৮ জুলাইয়ের বৈঠক ও প্রশিক্ষণসহ আগের বৈঠক ও প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে মেজর সাদিকের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী তদন্ত আদালত গঠন করেছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নাশকতার প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগে তাকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়।
শুক্রবার (১ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর এ তথ্য জানিয়েছে। তবেবিজ্ঞপ্তিতে ওই সেনা কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করা হয়নি। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সেনা সদরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মেজর সাদিককে হেফাজতে নেওয়ার তথ্য জানিয়েছিলেন সেনা সদরের মিলিটারি অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম-উদ-দৌলা।
আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি একটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এক সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়া যায়। অভিযোগটি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেনাবাহিনী বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, গত ১৭ জুলাই ওই সেনা কর্মকর্তাকে তার নিজ বাসস্থান রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে আটক করে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়।
আইএসপিআর বলছে, ঘটনাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের লক্ষ্যে এরই মধ্যে একটি তদন্ত আদালত গঠন করা হয়েছে এবং প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। পূর্ণ তদন্ত শেষে পাওয়া তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ওই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা সংস্থার সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় সাধন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মেজর সাদিকের বিরুদ্ধে কর্মস্থল থেকে অনুপস্থিত থাকা সংক্রান্ত ব্যত্যযয়ের বিষয়ে আরেকটি তদন্ত আদালত গঠন করা হয়েছে এবং তদন্ত শেষে আদালতের সুপারিশে সেনা আইন অনুযায়ী দায় নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইএসপিআর আরও বলছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, শৃঙ্খলাপরায়ণ ও পেশাদার প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কোনো সুযোগ নেই। রাজনৈতিক কার্যকলাপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনো সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে সেনা আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সব সদস্যের মধ্যে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও সাংবিধানিক দায়িত্ববোধ বজায় রাখতে সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এর আগে গত ৮ জুলাই রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকার একটি কনভেনশন সেন্টারে ‘গোপন বৈঠক’ হয়েছে বলে তথ্য পায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। জানা যায়, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার ‘ষড়যন্ত্র’ করতে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী ওই বৈঠকে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের তিন থেকে চার শ নেতাকর্মীকে নাশকতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এর আগেও অন্তত এমন চারটি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হওয়ার তথ্য দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ ঘটনায় ভাটারা থানায় একটি মামলা করেছে পুলিশ। ওই বৈঠকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২২ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ৮ জুলাইয়ের বৈঠক ও প্রশিক্ষণসহ আগের বৈঠক ও প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, আপনারা সারা জীবন ভারতের বিরুদ্ধে রাজনীতি করে ভারতের সঙ্গে গোপনে মিটিং করেছেন। আপনারা সারা জীবন ইসলামের নামে রাজনীতি করে লাস্টে এসে বলছেন, আমরা শরিয়া আইন চান না। আপনারা তো ভোটের জন্য এটা করে ফেলেছেন।
১১ ঘণ্টা আগে
১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টা থেকে শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত যানবাহন ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবে। পহেলা বৈশাখে ক্যাম্পাসে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। এ সময় মোটরসাইকেল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসকারীরা যাতায়াতের জন্য শুধুমাত্র নীলক্ষেত ও পলাশী গেট ব্যবহার করতে পার
১৩ ঘণ্টা আগে
তিনি সংবিধানের ৭২ ও ৭৩ অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে বলেন, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান ও ভাষণ প্রদান করেছেন, যা সংবিধানসম্মত। কিন্তু সংবিধান সংস্কার পরিষদের ক্ষেত্রে এমন কোনো সুস্পষ্ট সাংবিধানিক কাঠামো বর্তমানে বিদ্যমান নেই বলে তিনি মত দেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংবিধান সংরক্ষণের জন্য ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন। কিন্তু তিনি কোন আইন বলে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার ফরম জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে পাঠালেন? এই ফরম দাখিল করার কোনো এখতিয়ার তার নেই। তিনি এটি করে শপথ ভঙ্গ ও সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে