
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গত কয়েক সপ্তাহে অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল এবং ফসলরক্ষা বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকে হাওর অঞ্চলে ব্যপক ফসলহানির ঘটনা ঘটেছে। এই বিপর্যয়কে ‘মানবসৃষ্ট’ বলে অভিহিত করেছে বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতি। একই সঙ্গে সংগঠনটির পক্ষ থেকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তাসহ দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতি। সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে হাওর অঞ্চলে বিপর্যয়ের জন্য পাউবো, স্থানীয় প্রশাসন ও দায়িত্বশীলদের ‘গাফিলতি’কে দায়ী করেন সংগঠনটির সভাপতি ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু।
দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে হাওরের কৃষকদের দুটি দাবি মানা হলেও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিশ্চুপ থাকতে দেখছি। আমরা আজ দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তি দাবি করে গেলাম। এটার বাস্তবায়ন দেখতে চাই।’

সমাবেশে গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ রুমী বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতির বড় তিনটি খাত হলো ফসলের উৎপাদন, গার্মেন্ট শিল্পের সস্তা শ্রমিক, বৈদেশিক মুদ্রার রেমিট্যান্স প্রবাহ। এই সবগুলোর যোগান দেয় এই বাংলার কৃষক পরিবার। অথচ কৃষকদের তাকিয়ে নীতিনির্ধারকরা অর্থনৈতিক পরিকল্পনা করেন না।’
বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলিম বলেন, ‘হাওড়ের সাতটি জেলার কৃষকের ধান ডুবেছে, স্বপ্ন ডুবেছে। ২০১৭ সালের বন্যাতেও ডুবেছিল, প্রতিবারই ডোবে। এই রাষ্ট্রের কাঠামোগত ব্যর্থতার কারণে কৃষকদের ক্ষতির সম্মুখীন হওয়াটাই নিয়তি। হাওরের এই মানবসৃষ্ট বিপর্যয়ের পেছনে দায়ী পাউবো ও জেলা প্রশাসকদের জবাবদিহিতার আওতায় এনে নতুন করে হাওর ব্যবস্থাপনা সাজাতে হবে।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন— বাংলাদেশ বহুমুখী শ্রমজীবী সমিতির সভাপতি বাচ্চু ভূঁইয়া; বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক আলিফ দেওয়ান; বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতির যুগ্ম সম্পাদক তৌহিদুর রহমান, অর্থ সম্পাদক কামরুল হাসান লিটন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জাফর মুহাম্মদ; বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফ প্রমুখ।

গত কয়েক সপ্তাহে অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল এবং ফসলরক্ষা বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকে হাওর অঞ্চলে ব্যপক ফসলহানির ঘটনা ঘটেছে। এই বিপর্যয়কে ‘মানবসৃষ্ট’ বলে অভিহিত করেছে বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতি। একই সঙ্গে সংগঠনটির পক্ষ থেকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তাসহ দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতি। সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে হাওর অঞ্চলে বিপর্যয়ের জন্য পাউবো, স্থানীয় প্রশাসন ও দায়িত্বশীলদের ‘গাফিলতি’কে দায়ী করেন সংগঠনটির সভাপতি ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু।
দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে হাওরের কৃষকদের দুটি দাবি মানা হলেও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিশ্চুপ থাকতে দেখছি। আমরা আজ দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তি দাবি করে গেলাম। এটার বাস্তবায়ন দেখতে চাই।’

সমাবেশে গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ রুমী বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতির বড় তিনটি খাত হলো ফসলের উৎপাদন, গার্মেন্ট শিল্পের সস্তা শ্রমিক, বৈদেশিক মুদ্রার রেমিট্যান্স প্রবাহ। এই সবগুলোর যোগান দেয় এই বাংলার কৃষক পরিবার। অথচ কৃষকদের তাকিয়ে নীতিনির্ধারকরা অর্থনৈতিক পরিকল্পনা করেন না।’
বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলিম বলেন, ‘হাওড়ের সাতটি জেলার কৃষকের ধান ডুবেছে, স্বপ্ন ডুবেছে। ২০১৭ সালের বন্যাতেও ডুবেছিল, প্রতিবারই ডোবে। এই রাষ্ট্রের কাঠামোগত ব্যর্থতার কারণে কৃষকদের ক্ষতির সম্মুখীন হওয়াটাই নিয়তি। হাওরের এই মানবসৃষ্ট বিপর্যয়ের পেছনে দায়ী পাউবো ও জেলা প্রশাসকদের জবাবদিহিতার আওতায় এনে নতুন করে হাওর ব্যবস্থাপনা সাজাতে হবে।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন— বাংলাদেশ বহুমুখী শ্রমজীবী সমিতির সভাপতি বাচ্চু ভূঁইয়া; বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক আলিফ দেওয়ান; বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতির যুগ্ম সম্পাদক তৌহিদুর রহমান, অর্থ সম্পাদক কামরুল হাসান লিটন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জাফর মুহাম্মদ; বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফ প্রমুখ।

শুক্রবার (২৬ জুন) বিশ্ব ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশের দুটি পৃথক প্রকল্পের জন্য এই অর্থায়ন অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য জরুরি সহায়তা প্রকল্পে দেওয়া হবে ৩০ কোটি ডলার।
৩ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২৭ জুন) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
৪ ঘণ্টা আগে
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুণগত ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের প্রয়োজন ছিল, যার সূচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশ যাওয়ার সময় কিংবা দেশে ফেরার সময় বিমানবন্দরে হাজার হাজার মানুষের সংবর্ধনা নেওয়ার যে রেওয়াজ ছিল, তিনি তা পরিহার করেছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে প্রধানমন্ত্রী মরহুম পিতা-মাতার আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের মানুষের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও ফাতেহা পাঠ করেন। এ সময় সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও দলীয় নেতৃবৃন্দ তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
৫ ঘণ্টা আগে