
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামসহ পাঁচজনের নামে মামলা করেছেন তারই ভাড়া করার গাড়ির চালক ওবায়দুর রহমান। মামলায় অজ্ঞাত আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এক আসামি আমিনুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর পল্লবী থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। গাজী নজরুল ও আমিনুর বাদে মামলার বাকি তিন আসামি হলেন— মাসুম বিল্লাহ, মোন্তাসিম বিল্লাহ ও রাকিবুল হাসান।
বুধবার (২২ জুলাই) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পল্লবী জোনাল টিমের উপপরিদর্শক (এসআই) রাকিবুল হুদা আদালতে হাজির করেন আমিনুরকে।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর হাকিম কামাল উদ্দীন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ২৪ আগস্টের মধ্যে এ মামলার প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গাড়িচালক ওবায়দুর বাদী হয়ে মঙ্গলবার পল্লবী থানায় মামলাটি করেন। মামলাটি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বাদী ওবায়দুর রহমান পল্লবীতে তার বোনের বাসায় থাকেন। তিনি সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ভাড়া করা প্রাইভেটকারের চালক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। আত্মীয়তার সূত্রে নজরুল ইসলাম আগে থেকেই ওই বাসায় যাতায়াত করতেন। একপর্যায়ে নজরুল ইসলামের সঙ্গে ওবায়দুরের ভাগ্নির ‘অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
বিষয়টি টের পেয়ে ওবায়দুর তার পরিবারকে জানান এবং নজরুল ইসলামকে এ ধরনের সম্পর্ক থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নজরুল ইসলাম তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেন।
সম্প্রতি নজরুল ইসলাম ও ওবায়দুরের ভাগ্নির কিছু মগবাজারের এক ফ্ল্যাটে অবস্থানরত অবস্থার ‘অপ্রীতিকর ভিডিও’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। গাজী নজরুলের ধারণা, ওবায়দুরই গোপন ভিডিও ধারণ করে সংবাদমাধ্যমসহ চক্রের হাতে তুলে দিয়েছেন।
এজাহারে বলা হয়েছে, এতে নজরুল ইসলাম বাদীকে হত্যার হুমকি দেন। এ নিয়ে বিরোধের জেরে গত ১৪ জুলাই রাত ১১টার দিকে নজরুল ইসলামের নির্দেশে অন্য আসামিরা তার বাসায় যান। আসামিরা তার বোন জামাই ও বোনের সঙ্গে কথা বলে তাকে কৌশলে ড্রয়িংরুমে ডেকে নেন। পরে সেখানে অন্য আসামিরা মিলে তাকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন।
বাদীর অভিযোগ, একপর্যায়ে আমিনুর তাকে ফ্লোরে ফেলে গলা টিপে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন। তখন তার মা ও ছোট বোন এগিয়ে গিয়ে চিৎকার শুরু করলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। আহত অবস্থায় তাকে স্থানীয় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরদিন তিনি হাসপাতাল থেকে বের হয়ে আত্মগোপনে চলে যান। আসামিরা তাকে যেখানে পাবে সেখানেই হত্যা করবে বলে হুমকি দিতে থাকেন।

মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামসহ পাঁচজনের নামে মামলা করেছেন তারই ভাড়া করার গাড়ির চালক ওবায়দুর রহমান। মামলায় অজ্ঞাত আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এক আসামি আমিনুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর পল্লবী থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। গাজী নজরুল ও আমিনুর বাদে মামলার বাকি তিন আসামি হলেন— মাসুম বিল্লাহ, মোন্তাসিম বিল্লাহ ও রাকিবুল হাসান।
বুধবার (২২ জুলাই) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পল্লবী জোনাল টিমের উপপরিদর্শক (এসআই) রাকিবুল হুদা আদালতে হাজির করেন আমিনুরকে।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর হাকিম কামাল উদ্দীন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ২৪ আগস্টের মধ্যে এ মামলার প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গাড়িচালক ওবায়দুর বাদী হয়ে মঙ্গলবার পল্লবী থানায় মামলাটি করেন। মামলাটি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বাদী ওবায়দুর রহমান পল্লবীতে তার বোনের বাসায় থাকেন। তিনি সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ভাড়া করা প্রাইভেটকারের চালক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। আত্মীয়তার সূত্রে নজরুল ইসলাম আগে থেকেই ওই বাসায় যাতায়াত করতেন। একপর্যায়ে নজরুল ইসলামের সঙ্গে ওবায়দুরের ভাগ্নির ‘অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
বিষয়টি টের পেয়ে ওবায়দুর তার পরিবারকে জানান এবং নজরুল ইসলামকে এ ধরনের সম্পর্ক থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নজরুল ইসলাম তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেন।
সম্প্রতি নজরুল ইসলাম ও ওবায়দুরের ভাগ্নির কিছু মগবাজারের এক ফ্ল্যাটে অবস্থানরত অবস্থার ‘অপ্রীতিকর ভিডিও’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। গাজী নজরুলের ধারণা, ওবায়দুরই গোপন ভিডিও ধারণ করে সংবাদমাধ্যমসহ চক্রের হাতে তুলে দিয়েছেন।
এজাহারে বলা হয়েছে, এতে নজরুল ইসলাম বাদীকে হত্যার হুমকি দেন। এ নিয়ে বিরোধের জেরে গত ১৪ জুলাই রাত ১১টার দিকে নজরুল ইসলামের নির্দেশে অন্য আসামিরা তার বাসায় যান। আসামিরা তার বোন জামাই ও বোনের সঙ্গে কথা বলে তাকে কৌশলে ড্রয়িংরুমে ডেকে নেন। পরে সেখানে অন্য আসামিরা মিলে তাকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন।
বাদীর অভিযোগ, একপর্যায়ে আমিনুর তাকে ফ্লোরে ফেলে গলা টিপে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন। তখন তার মা ও ছোট বোন এগিয়ে গিয়ে চিৎকার শুরু করলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। আহত অবস্থায় তাকে স্থানীয় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরদিন তিনি হাসপাতাল থেকে বের হয়ে আত্মগোপনে চলে যান। আসামিরা তাকে যেখানে পাবে সেখানেই হত্যা করবে বলে হুমকি দিতে থাকেন।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর সম্প্রসারণে এয়ারবাস কেনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, যেকোনো ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে। উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে
২ ঘণ্টা আগে
মামলার নথি ও দুদক সূত্রে জানা গেছে, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সুপর্ণা সুর, তার স্বামী এস কে সুর এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে অর্জিত সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ দাখিলের জন্য সুপর্ণাকে নোটিশ দেওয়া হয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, তার হাতে এখনো অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সাত মাসের মধ্যে সবকিছু পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তবে উদ্যোগ এবং কাজের গতি দৃশ্যমান হওয়া দরকার। উপাচার্যের নেতৃত্বে যে দল গঠন করা হয়েছে, তাদের উৎপাদনশীলতা ও
৩ ঘণ্টা আগে
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে পূর্ণাঙ্গ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন এবং পুলিশ সদস্যদের উচ্চতর প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
৩ ঘণ্টা আগে