
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে একটি সিলিন্ডারের গোডাউনে সিলিন্ডার লোড-আনলোডের সময় বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধদের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। দগ্ধ আরও আটজন ভর্তি রয়েছেন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে।
চন্দনাইশ উপজেলার বৈলতলী ইউনিয়নে চন্দনাইশ-সাতকানিয়া উপজেলার সীমানায় অবস্থিত একটি গ্যাস সিলিন্ডারের গোডাউনে গত বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে গোডাউন মালিক মাহবুবুর রহমানসহ ১০ জন দগ্ধ হন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন, শনিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে ইউসুফ (৩২) মারা যান। তার শরীরের ৫৭ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। অন্যদিকে রোববার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মৃত্যু হয়েছে ইদ্রিসের (২৭)। তার শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
ডা. শাওন জানান, ইউসুফ ও ইদ্রিস দুজনেরই শ্বাসনালী পুড়ে গিয়েছিল। তারা দুজনেই বার্ন ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।
বুধবার সকালে বিস্ফোরণের পর দগ্ধ ১০ জনকেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে চারজনকে পাঠানো হয় ঢাকায় জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে। তাদের দুজন মারা গেলেন। বাকি দুজনের মধ্যে মাহবুবুর রহমান (৪৫) নামে একজনের শরীরের ৫০ শতাংশ ও রিয়াজ (২০) নামে আরেকজনের শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
দগ্ধ বাকি ছয়জন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাদের অবস্থাও ছিল আশঙ্কাজনক। পরে শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে তাদেরও ঢাকায় এনে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
এই ছয়জনের মধ্যে আকিবের (১২) শরীরের ৩৩ শতাংশ, সৌরভের (২৫) শরীরের ১৬ শতাংশ, কফিল উদ্দিনের (২৫) শরীরের ৪৫ শতাংশ, হারুনের (২০) শরীরের ৫০ শতাংশ, সালেহর (৩৩) শরীরের ৩৫ শতাংশ ও লিটনের (৩০) শরীরের ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে একটি সিলিন্ডারের গোডাউনে সিলিন্ডার লোড-আনলোডের সময় বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধদের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। দগ্ধ আরও আটজন ভর্তি রয়েছেন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে।
চন্দনাইশ উপজেলার বৈলতলী ইউনিয়নে চন্দনাইশ-সাতকানিয়া উপজেলার সীমানায় অবস্থিত একটি গ্যাস সিলিন্ডারের গোডাউনে গত বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে গোডাউন মালিক মাহবুবুর রহমানসহ ১০ জন দগ্ধ হন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন, শনিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে ইউসুফ (৩২) মারা যান। তার শরীরের ৫৭ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। অন্যদিকে রোববার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মৃত্যু হয়েছে ইদ্রিসের (২৭)। তার শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
ডা. শাওন জানান, ইউসুফ ও ইদ্রিস দুজনেরই শ্বাসনালী পুড়ে গিয়েছিল। তারা দুজনেই বার্ন ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।
বুধবার সকালে বিস্ফোরণের পর দগ্ধ ১০ জনকেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে চারজনকে পাঠানো হয় ঢাকায় জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে। তাদের দুজন মারা গেলেন। বাকি দুজনের মধ্যে মাহবুবুর রহমান (৪৫) নামে একজনের শরীরের ৫০ শতাংশ ও রিয়াজ (২০) নামে আরেকজনের শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
দগ্ধ বাকি ছয়জন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাদের অবস্থাও ছিল আশঙ্কাজনক। পরে শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে তাদেরও ঢাকায় এনে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
এই ছয়জনের মধ্যে আকিবের (১২) শরীরের ৩৩ শতাংশ, সৌরভের (২৫) শরীরের ১৬ শতাংশ, কফিল উদ্দিনের (২৫) শরীরের ৪৫ শতাংশ, হারুনের (২০) শরীরের ৫০ শতাংশ, সালেহর (৩৩) শরীরের ৩৫ শতাংশ ও লিটনের (৩০) শরীরের ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে মতবিনিময়সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তসহ সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
১২ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের বগুড়ায় প্রথম সফর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১০ মার্চ। ওইদিন তিনি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। আজ শুক্রবার দুপুর সোয়া একটার দিকে শিবগঞ্জের মহাস্থানগড় শাহ সুলতান বলখী (রহঃ) এর মাজারে জুম্মার নামাজের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল
১৩ ঘণ্টা আগে
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সামগ্রিকভাবে গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক রূপ দিতে চাই। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বৈশ্বিক ইকোসিস্টেমে নতুন ধরনের গণমাধ্যমের সঙ্গে আমরা এখনও পুরোপুরি যুক্ত হতে পারিনি।
১৩ ঘণ্টা আগে
জেলা মৎস্য অফিস ও জেলে সূত্রে জানায়, এই জেলায় ৫২ হাজার জেলে রয়েছে। এদের মধ্যে ৪৩ হাজার জেলে নিবন্ধিত। এসব জেলে মেঘনা নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে। জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস নদীতে সকল ধরনের জাল ফেলা ও মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে