
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী ২৯৬ জন সংসদ সদস্যকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বিভাজন ছাড়াই শপথবাক্য পাঠ করিয়ে সংসদীয় ইতিহাসে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে তিনি পর্যায়ক্রমে নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ পড়ান। সংবিধানসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আয়োজিত এই শপথ অনুষ্ঠান ছিল সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিরোধ-সংঘাতমুক্ত পরিবেশে একযোগে এত সংখ্যক সদস্যের শপথ গ্রহণ দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার ইতিবাচক বার্তা বহন করে।
দেশের সংসদীয় ইতিহাসে দ্বিতীয় কোনো সিইসি হিসেবে এই দায়িত্ব পালন করলেন নাসির উদ্দিন। এর আগে ১৯৯১ সালে তৎকালীন সিইসি বিচারপতি আব্দুর রউফ পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর শপথ পাঠ করিয়েছিলেন। তবে সে সময়ের রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে সব সদস্যকে একযোগে শপথ করানো সম্ভব হয়নি। এবারের আয়োজন সেই দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যতিক্রম ও নজিরবিহীন।
সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার অনুপস্থিত বা দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর দায়িত্ব সিইসির ওপর ন্যস্ত হয়। জুলাই অভ্যুত্থানের পর দ্বাদশ সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করে আত্মগোপনে রয়েছেন এবং ডেপুটি স্পিকার বর্তমানে কারাবন্দি। এই পরিস্থিতিতে সংবিধানের ১৪৮ (২ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সচিবালয় থেকে সিইসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানানো হয়।
সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা ১৬ ফেব্রুয়ারি সিইসিকে লেখা চিঠিতে উল্লেখ করেন, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২৯৭টি আসনের গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। সংবিধান অনুসারে, গেজেট প্রকাশের পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে নির্ধারিত ব্যক্তি শপথ করাতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে সিইসি সেই দায়িত্ব পালন করবেন। সেই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থেকেই মঙ্গলবারের শপথ আয়োজন সম্পন্ন হয়।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, এবারের শপথ অনুষ্ঠান ছিল সুশৃঙ্খল ও সময়োপযোগী। ‘জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’-এর অনুচ্ছেদ ৮ অনুযায়ী নির্বাচিত প্রতিনিধিরা প্রথমে সংসদ সদস্য হিসেবে এবং পরে একই অনুষ্ঠানে ‘পরিষদ সদস্য’ হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। ফলে সাংবিধানিক ও আইনি আনুষ্ঠানিকতা একই দিনে সম্পন্ন হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী ২৯৬ জন সংসদ সদস্যকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বিভাজন ছাড়াই শপথবাক্য পাঠ করিয়ে সংসদীয় ইতিহাসে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে তিনি পর্যায়ক্রমে নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ পড়ান। সংবিধানসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আয়োজিত এই শপথ অনুষ্ঠান ছিল সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিরোধ-সংঘাতমুক্ত পরিবেশে একযোগে এত সংখ্যক সদস্যের শপথ গ্রহণ দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার ইতিবাচক বার্তা বহন করে।
দেশের সংসদীয় ইতিহাসে দ্বিতীয় কোনো সিইসি হিসেবে এই দায়িত্ব পালন করলেন নাসির উদ্দিন। এর আগে ১৯৯১ সালে তৎকালীন সিইসি বিচারপতি আব্দুর রউফ পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর শপথ পাঠ করিয়েছিলেন। তবে সে সময়ের রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে সব সদস্যকে একযোগে শপথ করানো সম্ভব হয়নি। এবারের আয়োজন সেই দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যতিক্রম ও নজিরবিহীন।
সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার অনুপস্থিত বা দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর দায়িত্ব সিইসির ওপর ন্যস্ত হয়। জুলাই অভ্যুত্থানের পর দ্বাদশ সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করে আত্মগোপনে রয়েছেন এবং ডেপুটি স্পিকার বর্তমানে কারাবন্দি। এই পরিস্থিতিতে সংবিধানের ১৪৮ (২ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সচিবালয় থেকে সিইসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানানো হয়।
সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা ১৬ ফেব্রুয়ারি সিইসিকে লেখা চিঠিতে উল্লেখ করেন, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২৯৭টি আসনের গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। সংবিধান অনুসারে, গেজেট প্রকাশের পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে নির্ধারিত ব্যক্তি শপথ করাতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে সিইসি সেই দায়িত্ব পালন করবেন। সেই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থেকেই মঙ্গলবারের শপথ আয়োজন সম্পন্ন হয়।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, এবারের শপথ অনুষ্ঠান ছিল সুশৃঙ্খল ও সময়োপযোগী। ‘জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’-এর অনুচ্ছেদ ৮ অনুযায়ী নির্বাচিত প্রতিনিধিরা প্রথমে সংসদ সদস্য হিসেবে এবং পরে একই অনুষ্ঠানে ‘পরিষদ সদস্য’ হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। ফলে সাংবিধানিক ও আইনি আনুষ্ঠানিকতা একই দিনে সম্পন্ন হয়।

এছাড়া অন্য আরেকটি প্রজ্ঞাপনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মামুন শিবলীকে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ হিসেবে নিয়োগের তথ্য জানানো হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রী পদমর্যাদায় মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান, রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ ও রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রিসভায় যেমন ৮০ বছরের প্রজ্ঞা আছে, তেমনি ৩৫ বছরের তারুণ্যের তেজও আছে। উত্তরবঙ্গ থেকে আসা মিজানুর রহমান মিনু (৭৫) কিংবা দক্ষিণের মীর শাহে আলম (৬৭) যেমন আছেন, তেমনি তারুণ্যের প্রতিনিধি হয়ে চট্টগ্রামের মীর হেলাল (৪২) বা যশোরের অমিতের (৪৪) মতো নেতারা আগামী দিনের নেতৃত্বের মহড়া দিচ্ছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ জানান, ভারতের স্পিকার তারেক রহমানকে সেদেশে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং উভয় নেতা বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
৫ ঘণ্টা আগে