
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েই কথা বললেন সাকিব আল হাসান ও মাশরাফিক বিন মর্তুজাকে নিয়ে কথা বলেছেন আমিনুল হক।
জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক এই অধিনায়ক জানান, তারা ক্রীড়াঙ্গনের ক্ষেত্রে রাজনীতির বিবেচনা না করে এগোতে চান এবং সাকিব ও মাশরাফির ব্যাপারে তাদের সরকার নমনীয় অবস্থান নেবে। এমনকি সাকিবের দেশে ফেরার কথাও বললেন তিনি
মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন আমিনুল। শপথ নিয়ে মিরপুরের নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সামনে হাজির হন দেশের ইতিহাসের কিংবদন্তি এই গোলরক্ষক। অনেক বিষয়েই নিজের চিন্তা-ভাবনা তুলে ধরেন তিনি।
আওয়ামী লীগ সরকারের সংসদ সদস্য থাকায় দুই ক্রিকেটার সাকিব ও মাশরাফি বিরুদ্ধে অন্তর্বতী সরকারের আমলে হয় একাধিক মামলা। দেশে ফিরতেও বাধা দেওয়া হয় সাকিবকে। তিনি এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেননি। দেশে ফিরে অবসরের ইচ্ছা জানিয়েছেন একাধিকবার। মাশরাফি খেলার বাইরে থাকলেও আছেন অন্তরালে।
এই দুজনের ব্য্যাপারে প্রশ্ন হলে আমিনুল বলেন, ‘সাকিব ও মাশরাফি দেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটার। সাকিব-মাশরাফির বিষয়টি রাষ্ট্রীয়ভাবে দেখা হবে। আমরা এই ব্যাপারে নমনীয় থাকব। তাদের যে মামলা আছে, সেসব নিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে দেখা হবে। আমরা চাই সাকিব-মাশরাফি ফিরে আসুক।’
আমিনুল পরে আবার স্পষ্ট করে বলেন, আইনি বিষয় সমাধান করে তারা এই দুই তারকাকে ক্রিকেটীয় বিষয়ে ফেরাতে চান, ‘যেহেতু তাদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে, রাষ্ট্রীয়ভাবে সেটা দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে যাতে তারা ফিরে আসে, সেই চেষ্টা করা হবে। আমরাও চাই, বাংলাদেশের ক্রিকেটে সাকিব-মাশরাফি ফিরে আসুক।’

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েই কথা বললেন সাকিব আল হাসান ও মাশরাফিক বিন মর্তুজাকে নিয়ে কথা বলেছেন আমিনুল হক।
জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক এই অধিনায়ক জানান, তারা ক্রীড়াঙ্গনের ক্ষেত্রে রাজনীতির বিবেচনা না করে এগোতে চান এবং সাকিব ও মাশরাফির ব্যাপারে তাদের সরকার নমনীয় অবস্থান নেবে। এমনকি সাকিবের দেশে ফেরার কথাও বললেন তিনি
মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন আমিনুল। শপথ নিয়ে মিরপুরের নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সামনে হাজির হন দেশের ইতিহাসের কিংবদন্তি এই গোলরক্ষক। অনেক বিষয়েই নিজের চিন্তা-ভাবনা তুলে ধরেন তিনি।
আওয়ামী লীগ সরকারের সংসদ সদস্য থাকায় দুই ক্রিকেটার সাকিব ও মাশরাফি বিরুদ্ধে অন্তর্বতী সরকারের আমলে হয় একাধিক মামলা। দেশে ফিরতেও বাধা দেওয়া হয় সাকিবকে। তিনি এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেননি। দেশে ফিরে অবসরের ইচ্ছা জানিয়েছেন একাধিকবার। মাশরাফি খেলার বাইরে থাকলেও আছেন অন্তরালে।
এই দুজনের ব্য্যাপারে প্রশ্ন হলে আমিনুল বলেন, ‘সাকিব ও মাশরাফি দেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটার। সাকিব-মাশরাফির বিষয়টি রাষ্ট্রীয়ভাবে দেখা হবে। আমরা এই ব্যাপারে নমনীয় থাকব। তাদের যে মামলা আছে, সেসব নিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে দেখা হবে। আমরা চাই সাকিব-মাশরাফি ফিরে আসুক।’
আমিনুল পরে আবার স্পষ্ট করে বলেন, আইনি বিষয় সমাধান করে তারা এই দুই তারকাকে ক্রিকেটীয় বিষয়ে ফেরাতে চান, ‘যেহেতু তাদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে, রাষ্ট্রীয়ভাবে সেটা দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে যাতে তারা ফিরে আসে, সেই চেষ্টা করা হবে। আমরাও চাই, বাংলাদেশের ক্রিকেটে সাকিব-মাশরাফি ফিরে আসুক।’

মন্ত্রিসভায় যেমন ৮০ বছরের প্রজ্ঞা আছে, তেমনি ৩৫ বছরের তারুণ্যের তেজও আছে। উত্তরবঙ্গ থেকে আসা মিজানুর রহমান মিনু (৭৫) কিংবা দক্ষিণের মীর শাহে আলম (৬৭) যেমন আছেন, তেমনি তারুণ্যের প্রতিনিধি হয়ে চট্টগ্রামের মীর হেলাল (৪২) বা যশোরের অমিতের (৪৪) মতো নেতারা আগামী দিনের নেতৃত্বের মহড়া দিচ্ছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ জানান, ভারতের স্পিকার তারেক রহমানকে সেদেশে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং উভয় নেতা বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতির জারি করা জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী, গণভোটে হ্যাঁ বিজয়ী হলে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা একই সাথে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসাবেও কাজ করবেন। ৬০ সদস্যের কোরাম হলেই এই পরিষদ কাজ করতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। সারা দেশে ভোটারদের মধ্যে ভোটের হার ছিল ৬০.২৬ শতাংশ। গণভোটে পরিবর্তনের পক্ষে, অর্থাৎ ‘হ্যাঁ’ ভোট পেয়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন, বিপক্ষে ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন।
৪ ঘণ্টা আগে