
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ধর্ষণের বিরুদ্ধে বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠনের দাবি জানিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী। রোববার (৯ মার্চ) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এ দাবি জানান তিনি।
স্ট্যাটাসে ড. মিজানুর রহমান আজহারী লেখেন, বাকরুদ্ধ বাংলাদেশ!পুরো জাতি যেন আজ স্তব্ধ!এ দেশে মেয়েদের নিরাপত্তা কোথায়? কে নিশ্চিত করবে তাদের সুরক্ষা?
স্ট্যাটাসের মন্তব্যের ঘরে তিনি লিখেন, ধর্ষণের বিরুদ্ধে বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করে কঠোর আইন প্রয়োগ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ন্যায়বিচারের অভাবেই অপরাধীরা সাহস পায়। দেশের আইন ও বিচারব্যবস্থা যখন ক্রিমিনাল ফ্রেন্ডলি হয়ে উঠে মূলত তখনই লম্পটগুলো ধর্ষণের সাহস করে।
তিনি আরও লেখেন, ক্ষমতার বলে ও আইনের ফাঁক-ফোকর মাড়িয়ে এরা সবসময় থাকে ধরাছোঁয়ার আড়ালে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে এসব ঘটনা বারবার ঘটবে। ধর্ষণের নজিরবিহীন শাস্তি নিশ্চিত হোক এটাই আজ গণমানুষের দাবি।

ধর্ষণের বিরুদ্ধে বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠনের দাবি জানিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী। রোববার (৯ মার্চ) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এ দাবি জানান তিনি।
স্ট্যাটাসে ড. মিজানুর রহমান আজহারী লেখেন, বাকরুদ্ধ বাংলাদেশ!পুরো জাতি যেন আজ স্তব্ধ!এ দেশে মেয়েদের নিরাপত্তা কোথায়? কে নিশ্চিত করবে তাদের সুরক্ষা?
স্ট্যাটাসের মন্তব্যের ঘরে তিনি লিখেন, ধর্ষণের বিরুদ্ধে বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করে কঠোর আইন প্রয়োগ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ন্যায়বিচারের অভাবেই অপরাধীরা সাহস পায়। দেশের আইন ও বিচারব্যবস্থা যখন ক্রিমিনাল ফ্রেন্ডলি হয়ে উঠে মূলত তখনই লম্পটগুলো ধর্ষণের সাহস করে।
তিনি আরও লেখেন, ক্ষমতার বলে ও আইনের ফাঁক-ফোকর মাড়িয়ে এরা সবসময় থাকে ধরাছোঁয়ার আড়ালে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে এসব ঘটনা বারবার ঘটবে। ধর্ষণের নজিরবিহীন শাস্তি নিশ্চিত হোক এটাই আজ গণমানুষের দাবি।

এবারের প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু ‘বায়ু, পানি ও মাটি দূষণ’ এবং ‘জ্বালানি ও পরিবেশ’। প্রতিযোগিতায় জমা পড়া ১৫০০টি ছবির মধ্য থেকে বিচারকদের রায়ে নির্বাচিত সেরা ৩৫টি ছবি প্রদর্শনীর জন্য মনোনীত হয় এবং বিজয়ী ছয়জন ফটোসাংবাদিককে পুরস্কৃত করা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
যমুনা ও আশপাশের এলাকায় ‘বেআইনি’ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কোনো প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করা হয়নি বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
৫ ঘণ্টা আগে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তবে কিছু সময় পর আবারও আন্দোলনকারীরা জড়ো হয়ে যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
১০ ঘণ্টা আগে