
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তের নাফ নদীতে মাছ ধরার সময় ধরে নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশি ১০ জেলেকে ছেড়ে দিয়েছে আরাকান আর্মি। বৃহস্পতিবার (২ মে) রাত পৌনে ৮টার দিকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে জেলেদের ছেড়ে দেওয়ার হয়েছে বলে জানিয়েছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর হোসেন।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, গেল বুধবার (১ মে) সকালে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের নাফ নদীর অংশের মোদিরখালে মাছ ধরছিলেন স্থানীয় ১০ জেলে। এ সময় আরাকান আর্মির একটি দল অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে জেলেদের ধরে নিয়ে যায়।
তারা হলেন- উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের রহমতের বিল এলাকার হোসেন আলীর ছেলে জানে আলম, মৃত আবদুস ছালামের ছেলে আব্দুর রহিম, মৃত জালাল আহমদের ছেলে আনোয়ারুল ইসলাম ও সাইফুল ইসলাম, মৃত আলী আহমদের ছেলে আয়ুবুল ইসলাম, আবু তাহেরের ছেলে শাহীন, গৌজঘোনা এলাকার আলী আহমদের ছেলে আবদুর রহিম এবং একই ইউনিয়নের পুটিবনিয়া এলাকার মৃত মিয়া হোসেনের ছেলে ওসমান গণী, মৃত আবুল শামার ছেলে ওসমান, আয়ুব ইসলামের ছেলে আবুল হাশিম।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেন জানান, বাংলাদেশি ১০ জেলেকে আরাকান আর্মি ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বুধবার দুপুরে তাকে অবগত করেন। তাৎক্ষণিক ঘটনাটি বিজিবিসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তিনি জানান। এরপর জেলেদের ফেরত আনতে তৎপরতা শুরু হয়।
তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৮টায় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে ১০ জেলেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সীমান্তের এপার পৌঁছার পর জেলেদের বিজিবির হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের বাড়িতে পাঠানো হয়।
পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, ফেরত আসা জেলেরা নিজ নিজ বাড়িতে নিরাপদে ফিরেছেন। ধরে নিয়ে যাওয়ার পর তাদের ওপর কোনো ধরনের নির্যাতন করা হয়নি বলেও জানিয়েছেন জেলেরা।

কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তের নাফ নদীতে মাছ ধরার সময় ধরে নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশি ১০ জেলেকে ছেড়ে দিয়েছে আরাকান আর্মি। বৃহস্পতিবার (২ মে) রাত পৌনে ৮টার দিকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে জেলেদের ছেড়ে দেওয়ার হয়েছে বলে জানিয়েছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর হোসেন।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, গেল বুধবার (১ মে) সকালে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের নাফ নদীর অংশের মোদিরখালে মাছ ধরছিলেন স্থানীয় ১০ জেলে। এ সময় আরাকান আর্মির একটি দল অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে জেলেদের ধরে নিয়ে যায়।
তারা হলেন- উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের রহমতের বিল এলাকার হোসেন আলীর ছেলে জানে আলম, মৃত আবদুস ছালামের ছেলে আব্দুর রহিম, মৃত জালাল আহমদের ছেলে আনোয়ারুল ইসলাম ও সাইফুল ইসলাম, মৃত আলী আহমদের ছেলে আয়ুবুল ইসলাম, আবু তাহেরের ছেলে শাহীন, গৌজঘোনা এলাকার আলী আহমদের ছেলে আবদুর রহিম এবং একই ইউনিয়নের পুটিবনিয়া এলাকার মৃত মিয়া হোসেনের ছেলে ওসমান গণী, মৃত আবুল শামার ছেলে ওসমান, আয়ুব ইসলামের ছেলে আবুল হাশিম।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেন জানান, বাংলাদেশি ১০ জেলেকে আরাকান আর্মি ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বুধবার দুপুরে তাকে অবগত করেন। তাৎক্ষণিক ঘটনাটি বিজিবিসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তিনি জানান। এরপর জেলেদের ফেরত আনতে তৎপরতা শুরু হয়।
তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৮টায় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে ১০ জেলেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সীমান্তের এপার পৌঁছার পর জেলেদের বিজিবির হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের বাড়িতে পাঠানো হয়।
পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, ফেরত আসা জেলেরা নিজ নিজ বাড়িতে নিরাপদে ফিরেছেন। ধরে নিয়ে যাওয়ার পর তাদের ওপর কোনো ধরনের নির্যাতন করা হয়নি বলেও জানিয়েছেন জেলেরা।

দেশে সাম্প্রতিক বন্যায় যেসব এলাকায় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, সেসব এলাকার ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষি ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। তিনি বলেছেন, তালিকা করার পর সরকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে।
১৬ ঘণ্টা আগে
এদিকে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের পাঁচ বিভাগে ভারী থেকে অতিভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এক সতর্কবার্তায় জানানো হয়, শনিবার দুপুর ১২টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার ভারী এবং ৮৮ মিলিমিটারের বেশি অতিভারি
১৭ ঘণ্টা আগে
শনিবার (১১ জুলাই) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান।
১৮ ঘণ্টা আগে
শুধু রোগ নিরাময় নয়, মানবিকতা, নৈতিকতা ও সেবার মানসিকতা নিয়ে চিকিৎসকদের কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, একজন চিকিৎসকের হাসিমুখে কথা বলা একজন রোগীকে অর্ধেক সুস্থ করে দিতে পারে। তাই ওষুধের পাশাপাশি রোগীদের সঙ্গে সুন্দর আচরণও নিশ্চিত করত
১৮ ঘণ্টা আগে