
কুমিল্লা প্রতিনিধি

দেশে সাম্প্রতিক বন্যায় যেসব এলাকায় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, সেসব এলাকার ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষি ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। তিনি বলেছেন, তালিকা করার পর সরকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে।
শনিবার (১১ জুলাই) সকালে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে বৃক্ষ মেলা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।
সাগরে নিম্নচাপের প্রভাবে গত রোববার থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত টানা ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবানসহ দেশের কয়েকটি জেলার বন্যাকবলিত হয়। বন্যা ও পাহাড়ধসে এ পর্যন্ত অন্তত ৩৫ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।
বন্যার ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে এক সংবাদিকের প্রশ্নে কৃষিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের জনবল রয়েছে। যখনই ফসলের কোন ক্ষতি হয় তখনই আমরা তাৎক্ষণিকভাবে জেনে যাই। এই বন্যার সময়ও আমরা সেই তথ্যগুলো জেনে যাচ্ছি। তবে এখন যা হয়েছে সেটি হল, এখন ধান কাটা শেষ। তারপরও যে আবার চারা লাগানো শুরু হয়েছে, সেটির বিশেষ কোনো ক্ষতি হয়নি।”
“কিন্তু যে চারা গুলো পানির নিচে তলিয়ে গেছে সেগুলো যদি দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকে তাহলে পঁচে যাবে। আমরা ধরে নিতে পারি যে চারা রোপণ হয়েছে তার ২৫ শতাংশ বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে। যে কারণে আমরা কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে যেখানে যেখানে বীজ কিংবা চারা সংকট দেখা দিবে তা মোকাবেলা করতে প্রস্তুতি নিয়েছি,” বলেন তিনি।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, “এখন পর্যন্ত কী পরিমাণ ধানের জমি ডুবে গেছে এবং তা পুনরায় রোপণ করতে কী পরিমাণ চারা লাগবে-এসব তথ্য সংগ্রহ করে প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। উঁচু এলাকাতে চারা উৎপাদনের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। আগামীকাল রোববারই আমরা পরিষ্কার হতে পারব কী পরিমাণ আমাদের ক্ষতি হয়েছে এবং কী পরিমাণ চারা প্রয়োজন রয়েছে। হয়তো কৃষকের ঘরে বীজ ধান আর নাও থাকতে পারে, তাই আমরা চারাটি সরবরাহ করার চেষ্টা করব।”
কৃষি ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, “যেখানে যে ধরনের কৃষকই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে-সে হতে পারে মৎস্য চাষী, সবজি, ধান, নারিকেল, সুপারি, পান-সবাইকে আমরা কৃষি কার্ডের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেছি। যারাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সরকার তাদেরকে সহযোগিতা করার জন্য প্রস্তুত আছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত হয়ে যাচ্ছে।”
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অনিয়ম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অসন্তোষ প্রসঙ্গ টেনে আমিন উর রশিদ বলেন, “দীর্ঘদিনের লুটপাটের অভ্যাস অনেকের হয়তো এখনো যায়নি। তবে সবাইকে জেনে রাখতে হবে, সরকার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ঘোষণা করার পর প্রধানমন্ত্রী নিজেই এর অগ্রগতি নিয়মিত তদারকি করেন। তাই এ কর্মসূচিতে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।”
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার, পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান।

দেশে সাম্প্রতিক বন্যায় যেসব এলাকায় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, সেসব এলাকার ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষি ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। তিনি বলেছেন, তালিকা করার পর সরকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে।
শনিবার (১১ জুলাই) সকালে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে বৃক্ষ মেলা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।
সাগরে নিম্নচাপের প্রভাবে গত রোববার থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত টানা ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবানসহ দেশের কয়েকটি জেলার বন্যাকবলিত হয়। বন্যা ও পাহাড়ধসে এ পর্যন্ত অন্তত ৩৫ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।
বন্যার ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে এক সংবাদিকের প্রশ্নে কৃষিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের জনবল রয়েছে। যখনই ফসলের কোন ক্ষতি হয় তখনই আমরা তাৎক্ষণিকভাবে জেনে যাই। এই বন্যার সময়ও আমরা সেই তথ্যগুলো জেনে যাচ্ছি। তবে এখন যা হয়েছে সেটি হল, এখন ধান কাটা শেষ। তারপরও যে আবার চারা লাগানো শুরু হয়েছে, সেটির বিশেষ কোনো ক্ষতি হয়নি।”
“কিন্তু যে চারা গুলো পানির নিচে তলিয়ে গেছে সেগুলো যদি দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকে তাহলে পঁচে যাবে। আমরা ধরে নিতে পারি যে চারা রোপণ হয়েছে তার ২৫ শতাংশ বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে। যে কারণে আমরা কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে যেখানে যেখানে বীজ কিংবা চারা সংকট দেখা দিবে তা মোকাবেলা করতে প্রস্তুতি নিয়েছি,” বলেন তিনি।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, “এখন পর্যন্ত কী পরিমাণ ধানের জমি ডুবে গেছে এবং তা পুনরায় রোপণ করতে কী পরিমাণ চারা লাগবে-এসব তথ্য সংগ্রহ করে প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। উঁচু এলাকাতে চারা উৎপাদনের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। আগামীকাল রোববারই আমরা পরিষ্কার হতে পারব কী পরিমাণ আমাদের ক্ষতি হয়েছে এবং কী পরিমাণ চারা প্রয়োজন রয়েছে। হয়তো কৃষকের ঘরে বীজ ধান আর নাও থাকতে পারে, তাই আমরা চারাটি সরবরাহ করার চেষ্টা করব।”
কৃষি ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, “যেখানে যে ধরনের কৃষকই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে-সে হতে পারে মৎস্য চাষী, সবজি, ধান, নারিকেল, সুপারি, পান-সবাইকে আমরা কৃষি কার্ডের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেছি। যারাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সরকার তাদেরকে সহযোগিতা করার জন্য প্রস্তুত আছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত হয়ে যাচ্ছে।”
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অনিয়ম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অসন্তোষ প্রসঙ্গ টেনে আমিন উর রশিদ বলেন, “দীর্ঘদিনের লুটপাটের অভ্যাস অনেকের হয়তো এখনো যায়নি। তবে সবাইকে জেনে রাখতে হবে, সরকার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ঘোষণা করার পর প্রধানমন্ত্রী নিজেই এর অগ্রগতি নিয়মিত তদারকি করেন। তাই এ কর্মসূচিতে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।”
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার, পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান।

সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি দমনে দেশ জুড়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার, মাদক চোরাচালান, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
গুম প্রতিরোধে শুধু আইন প্রণয়ন যথেষ্ট নয়; গুমের প্রতিটি অভিযোগের স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সত্য জানার অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি বলে জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
৬ ঘণ্টা আগে
তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে কাজ করা উলদ শেখ আহমেদ জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন। মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার বেশ কিছু জটিল রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলায়ও তার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
সতর্কবার্তায় বলা হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর ওড়িশা উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দরগুলো, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
৯ ঘণ্টা আগে