
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাক্ষ্যগ্রহণের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা এবং তল্লাশি ও আলামত জব্দ করার ক্ষেত্রে এর তদন্ত কর্মকর্তার ক্ষমতা বাড়িয়েছে সরকার। এ সংক্রান্ত পরিবর্তন এনে আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন সংশোধন করা হয়েছে। পরে তা সরকার অধ্যাদেশ আকারে জারি করেছে।
সংশোধনের ফলে তদন্ত কর্মকর্তা এখন থেকে ট্রাইব্যুনালের অনুমতি ছাড়াই তল্লাশি করতে পারবেন, আলামত জব্দ করতে পারবেন। ট্রাইব্যুনালকে আসামিদের সম্পদ অবরুদ্ধ বা জব্দের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ন্যায়বিচারের জন্য সেসব সম্পদ ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাজেয়াপ্ত করার সিদ্ধান্তও দিতে পারবে ট্রাইব্যুনাল।
এ ছাড়া মামলার অভিযোগকেও গোপনীয় নথি বলা হয়েছে। অ-কারিগরি পদ্ধতিতেও ট্রাইব্যুনালকে সাক্ষ্য নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে গঠন করা হয়েছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। বর্তমানে এ ট্রাইব্যুনালে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দমনে গণহত্যার অভিযোগের বিচারকাজ চলছে। এর মধ্যেই আইনটি সংশোধন করা হলো।
বিধি অনুযায়ী, কোনো আইনের সংশোধনী পাস হতে হয় জাতীয় সংসদে। সংসদ অধিবেশন না থাকলে রাষ্ট্রপতির বিশেষ অনুমোদনে অধ্যাদেশ আকারে আইন বলবৎ করতে হয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ গত ২০ নভেম্বর এই আইনের সংশোধনীতে অনুমোদন দেয়। সংসদ না থাকায় রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এই সংশোধনীকে অধ্যাদেশ জারি করেছেন। গতকাল সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) তার সইয়ে এই অধ্যাদেশ জারি হয়েছে।
‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অর্ডিন্যান্স ২০২৫’ নামের এই আইনের ৪, ৮, ৯, ১১, ১২ ও ১৯ নম্বর ধারা সংশোধন করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরিবর্তনগুলো অবিলম্বে কার্যকর হবে।
৪ নম্বর ধারা সংশোধন করে আগ্রাসনকে শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ৮ নম্বর ধারার (৩এ) উপধারায় বলা ছিল, তদন্ত কর্মকর্তা প্রয়োজন মনে করলে ট্রাইব্যুনালের অনুমতি নিয়ে তল্লাশি ও আলামত জব্দ করতে পারবেন। সংশোধনে ট্রাইব্যুনালের অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে।
৯ নম্বর ধারার (৩) উপধারায় বিচার শুরুর ছয় সপ্তাহ আগে সাক্ষীর তালিকা ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপনের বিধান ছিল। এটি তিন সপ্তাহ করা হয়েছে।
১১ নম্বর ধারায় একটি নতুন উপধারা যুক্ত করা হয়েছে। নতুন যুক্ত (৯) উপধারায় বলা হচ্ছে, ট্রাইব্যুনাল আসামির সম্পদ অবরুদ্ধ বা জব্দের আদেশ দিতে পারবে এবং ন্যয়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সেসব সম্পদ ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাজেয়াপ্ত করার সিদ্ধান্ত দিতে পারবে।
আইনের ১২ নম্বর ধারার (৩) উপধারায় বলা ছিল, ট্রাইব্যুনালের মামলার প্রতিবেদনসহ নথি হবে গোপনীয়। এখন ওই নথির সঙ্গে অভিযোগও যুক্ত করা হয়েছে।
১৯ নম্বর ধারায় একটি নতুন উপধারা (৫) সন্নিবেশিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আইনে যা কিছু থাকুক না কেন, ট্রাইব্যুনাল সাক্ষ্যের কারিগরি নিয়ম দ্বারা আবদ্ধ থাকবে না এবং দ্রুত এবং অ-কারিগরি পদ্ধতি গ্রহণ এবং প্রয়োগ করতে পারবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাক্ষ্যগ্রহণের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা এবং তল্লাশি ও আলামত জব্দ করার ক্ষেত্রে এর তদন্ত কর্মকর্তার ক্ষমতা বাড়িয়েছে সরকার। এ সংক্রান্ত পরিবর্তন এনে আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন সংশোধন করা হয়েছে। পরে তা সরকার অধ্যাদেশ আকারে জারি করেছে।
সংশোধনের ফলে তদন্ত কর্মকর্তা এখন থেকে ট্রাইব্যুনালের অনুমতি ছাড়াই তল্লাশি করতে পারবেন, আলামত জব্দ করতে পারবেন। ট্রাইব্যুনালকে আসামিদের সম্পদ অবরুদ্ধ বা জব্দের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ন্যায়বিচারের জন্য সেসব সম্পদ ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাজেয়াপ্ত করার সিদ্ধান্তও দিতে পারবে ট্রাইব্যুনাল।
এ ছাড়া মামলার অভিযোগকেও গোপনীয় নথি বলা হয়েছে। অ-কারিগরি পদ্ধতিতেও ট্রাইব্যুনালকে সাক্ষ্য নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে গঠন করা হয়েছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। বর্তমানে এ ট্রাইব্যুনালে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দমনে গণহত্যার অভিযোগের বিচারকাজ চলছে। এর মধ্যেই আইনটি সংশোধন করা হলো।
বিধি অনুযায়ী, কোনো আইনের সংশোধনী পাস হতে হয় জাতীয় সংসদে। সংসদ অধিবেশন না থাকলে রাষ্ট্রপতির বিশেষ অনুমোদনে অধ্যাদেশ আকারে আইন বলবৎ করতে হয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ গত ২০ নভেম্বর এই আইনের সংশোধনীতে অনুমোদন দেয়। সংসদ না থাকায় রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এই সংশোধনীকে অধ্যাদেশ জারি করেছেন। গতকাল সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) তার সইয়ে এই অধ্যাদেশ জারি হয়েছে।
‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অর্ডিন্যান্স ২০২৫’ নামের এই আইনের ৪, ৮, ৯, ১১, ১২ ও ১৯ নম্বর ধারা সংশোধন করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরিবর্তনগুলো অবিলম্বে কার্যকর হবে।
৪ নম্বর ধারা সংশোধন করে আগ্রাসনকে শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ৮ নম্বর ধারার (৩এ) উপধারায় বলা ছিল, তদন্ত কর্মকর্তা প্রয়োজন মনে করলে ট্রাইব্যুনালের অনুমতি নিয়ে তল্লাশি ও আলামত জব্দ করতে পারবেন। সংশোধনে ট্রাইব্যুনালের অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে।
৯ নম্বর ধারার (৩) উপধারায় বিচার শুরুর ছয় সপ্তাহ আগে সাক্ষীর তালিকা ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপনের বিধান ছিল। এটি তিন সপ্তাহ করা হয়েছে।
১১ নম্বর ধারায় একটি নতুন উপধারা যুক্ত করা হয়েছে। নতুন যুক্ত (৯) উপধারায় বলা হচ্ছে, ট্রাইব্যুনাল আসামির সম্পদ অবরুদ্ধ বা জব্দের আদেশ দিতে পারবে এবং ন্যয়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সেসব সম্পদ ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাজেয়াপ্ত করার সিদ্ধান্ত দিতে পারবে।
আইনের ১২ নম্বর ধারার (৩) উপধারায় বলা ছিল, ট্রাইব্যুনালের মামলার প্রতিবেদনসহ নথি হবে গোপনীয়। এখন ওই নথির সঙ্গে অভিযোগও যুক্ত করা হয়েছে।
১৯ নম্বর ধারায় একটি নতুন উপধারা (৫) সন্নিবেশিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আইনে যা কিছু থাকুক না কেন, ট্রাইব্যুনাল সাক্ষ্যের কারিগরি নিয়ম দ্বারা আবদ্ধ থাকবে না এবং দ্রুত এবং অ-কারিগরি পদ্ধতি গ্রহণ এবং প্রয়োগ করতে পারবে।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও রয়্যাল নেভির মধ্যে দীর্ঘ কারিগরি আলোচনা শেষে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সদর দপ্তরে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সঙ্গে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ব্রিটিশ হাইকমিশন।
১০ ঘণ্টা আগে
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, পিছিয়ে পড়া মানুষদের ভোটে আনা এবং ভোটের আগে-পরে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব অন্তর্বর্তী সরকারকে নিতে হবে। সরকারের সামনে ভালো কাজ করার শেষ সুযোগ এটি। এই সরকার সর্বশেষ ভালো কাজটি যদি করে যেতে পারে, তাহলে ইতিহাসের পাতায় তাদের কিছুটা জায়গা পাওয়ার সুযোগ হলেও হতে পারে।
১০ ঘণ্টা আগে
সরকার রমজান মাসে সাহরি ও ইফতারের সময় বিবেচনা করে দেশের সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধাস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস সময়সূচি নির্ধারণ করেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট স্থগিত হওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
১০ ঘণ্টা আগে