
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সচিবালয়ে অপশক্তির প্ররোচনায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশন।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) এসোসিয়েশনের সভাপতি ড. মোঃ আনোয়ার উল্ল্যাহ ও মহাসচিব মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে নিন্দা জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত বুধবার দিবাগত রাতে অর্থাৎ ২৬.১২.২০২৪ তারিখ সরকারের প্রাণকেন্দ্র বাংলাদেশ সচিবালয়ের সাত নম্বর ভবনের পুরুত্বপূর্ণ ৪টি মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে অগ্নিকান্ড ঘটেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি নজিরবিহীন ঘটনা। বড় দিনের ছুটির পর রাতে জনমানবহীন অবস্থায় সংঘটিত ঘটনাটি সুপরিকল্পিত মর্মে বিশেষজ্ঞগণের মতামত হতে প্রতীয়মান হয়েছে।
বিবৃতিতে আরো বলা, কারো কারো মতে এরূপ নাশকতামূলক কাজের পেছনে সচিবালয়ের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে শেখ হাসিনার মদদপুষ্ট তথা স্বৈরাচারের দোসররা এখনও কর্মরত রয়েছে এবং উক্ত ফ্যাসিবাদী সরকারের দোসরদের অনেকের নিকট এখনও সচিবালয়ে প্রবেশের পাস থাকায় তারা সচিবালয়ে অবৈধভাবে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছে। কাজেই স্বৈরাচারের দোসরদের প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ সহযোগিতা ও প্রবেশের ফলে সংঘটিত ঘটনাটির সাথে ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর কোন সম্পর্ক রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
তারা বলেন, সম্প্রতি সচিবালয় ঘিরে আনসার বিদ্রোহ এবং বিভিন্ন সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সম্মানিত উপদেষ্টাগণের বিরুদ্ধে ফ্যাসিস্ট সমর্থিত আত্মগোপনে থাকা অপশক্তি সোস্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় নানান ধরণের অপপ্রচার করে সরকারকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টাও লক্ষ্য করা গিয়েছে। সার্বিক বিবেচনায় এই ঘটনার পেছনে দেশবিরোধী সেই চক্র জড়িত কিনা সেটিও গভীরভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সচিবালয়কে স্বৈরাচারের দোসরমুক্ত করাও এখন জরুরি বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা আরও লক্ষ্য করছি যে, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সুপারিশের বিষয়ে অপরিণামদর্শী ও অযৌক্তিক লেখালেখির মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানা ক্ষেত্রে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য একটি বিরূপ পরিস্থিতি সৃষ্টি করে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপপ্রয়াসও চলছে। আমরা এই অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং এহেন কাজ থেকে বিরত থাকাসহ জড়িতদের অতি দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাই।
তারা আরো বলেন, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন ক্যাডারের সদস্যরা দেশের তৃণমূল প্রশাসন থেকে সচিবালয় পর্যন্ত সরকারের নীতি ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ক্রান্তিলগ্নে যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল তখন থেকেই বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা মাঠ প্রশাসন ও সচিবালয়ে বিপ্লবী সরকারের এজেন্ডা এবং পলিসি বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ভবিষ্যতেও সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নসহ সরকারকে স্থিতিশীল রাখতে এবং সর্বত্র সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন ও জনমুখী রাষ্ট্র বিনির্মাণে সকল কার্যক্রম বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালনে বদ্ধপরিকর। বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশন প্রত্যাশা করছে অগ্নিকান্ডের সুষ্ঠু তদন্তসহ স্বৈরাচার দোসরমুক্ত সচিবালয়ের কার্যক্রম সক্রিয় রাখার সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সফল হবে।

সচিবালয়ে অপশক্তির প্ররোচনায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশন।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) এসোসিয়েশনের সভাপতি ড. মোঃ আনোয়ার উল্ল্যাহ ও মহাসচিব মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে নিন্দা জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত বুধবার দিবাগত রাতে অর্থাৎ ২৬.১২.২০২৪ তারিখ সরকারের প্রাণকেন্দ্র বাংলাদেশ সচিবালয়ের সাত নম্বর ভবনের পুরুত্বপূর্ণ ৪টি মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে অগ্নিকান্ড ঘটেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি নজিরবিহীন ঘটনা। বড় দিনের ছুটির পর রাতে জনমানবহীন অবস্থায় সংঘটিত ঘটনাটি সুপরিকল্পিত মর্মে বিশেষজ্ঞগণের মতামত হতে প্রতীয়মান হয়েছে।
বিবৃতিতে আরো বলা, কারো কারো মতে এরূপ নাশকতামূলক কাজের পেছনে সচিবালয়ের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে শেখ হাসিনার মদদপুষ্ট তথা স্বৈরাচারের দোসররা এখনও কর্মরত রয়েছে এবং উক্ত ফ্যাসিবাদী সরকারের দোসরদের অনেকের নিকট এখনও সচিবালয়ে প্রবেশের পাস থাকায় তারা সচিবালয়ে অবৈধভাবে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছে। কাজেই স্বৈরাচারের দোসরদের প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ সহযোগিতা ও প্রবেশের ফলে সংঘটিত ঘটনাটির সাথে ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর কোন সম্পর্ক রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
তারা বলেন, সম্প্রতি সচিবালয় ঘিরে আনসার বিদ্রোহ এবং বিভিন্ন সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সম্মানিত উপদেষ্টাগণের বিরুদ্ধে ফ্যাসিস্ট সমর্থিত আত্মগোপনে থাকা অপশক্তি সোস্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় নানান ধরণের অপপ্রচার করে সরকারকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টাও লক্ষ্য করা গিয়েছে। সার্বিক বিবেচনায় এই ঘটনার পেছনে দেশবিরোধী সেই চক্র জড়িত কিনা সেটিও গভীরভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সচিবালয়কে স্বৈরাচারের দোসরমুক্ত করাও এখন জরুরি বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা আরও লক্ষ্য করছি যে, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সুপারিশের বিষয়ে অপরিণামদর্শী ও অযৌক্তিক লেখালেখির মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানা ক্ষেত্রে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য একটি বিরূপ পরিস্থিতি সৃষ্টি করে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপপ্রয়াসও চলছে। আমরা এই অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং এহেন কাজ থেকে বিরত থাকাসহ জড়িতদের অতি দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাই।
তারা আরো বলেন, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন ক্যাডারের সদস্যরা দেশের তৃণমূল প্রশাসন থেকে সচিবালয় পর্যন্ত সরকারের নীতি ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ক্রান্তিলগ্নে যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল তখন থেকেই বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা মাঠ প্রশাসন ও সচিবালয়ে বিপ্লবী সরকারের এজেন্ডা এবং পলিসি বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ভবিষ্যতেও সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নসহ সরকারকে স্থিতিশীল রাখতে এবং সর্বত্র সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন ও জনমুখী রাষ্ট্র বিনির্মাণে সকল কার্যক্রম বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালনে বদ্ধপরিকর। বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশন প্রত্যাশা করছে অগ্নিকান্ডের সুষ্ঠু তদন্তসহ স্বৈরাচার দোসরমুক্ত সচিবালয়ের কার্যক্রম সক্রিয় রাখার সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সফল হবে।

সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে ৩৩ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সময়ের মধ্যে কোথাও কোনো ভোটকেন্দ্র বন্ধ হয়নি।
১১ ঘণ্টা আগে
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস বলেছেন, বাংলাদেশের নাগরিকরা ভোটে অংশগ্রহণে উৎসাহী এবং তারা আশা করছেন এবারের নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য।
১২ ঘণ্টা আগে
ভোট দেওয়ার অনুভূতি জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খুব ভালো লাগল। আমার জীবনে মহা আনন্দের দিন। বাংলাদেশের সবার জন্য মহা আনন্দের দিন। আজ মুক্তির দিন। আমাদের দুঃস্বপ্নের অবসান। নতুন স্বপ্ন শুরু। সেটাই আমাদের আজকের এই প্রক্রিয়া।
১৩ ঘণ্টা আগে
সিইসি বলেন, আমরা চাই— বাংলাদেশ এই যে গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেল, এই ট্রেন ইনশাল্লাহ গন্তব্যস্থলে পৌঁছাবে আপনাদের সবার সহযোগিতায়। আপনারা জানেন, ২০২৬ সালে সারা বিশ্বে সবচেয়ে বড় একটা নির্বাচন দিচ্ছে বাংলাদেশ। এত বড় নির্বাচন আর এ বছরে কোথাও হয় নাই।
১৩ ঘণ্টা আগে