
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

৯ বছর আগে আওয়ামী লীগের মিছিলে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে রাজধানীর গুলশান থানায় করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ২৬ জনকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শরীফুর রহমানের আদালত এই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে এ আদেশ দেন।
খালেদা জিয়া বাদে এ মামলার অপর আসামিরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, খালেদা জিয়ার সাবেক প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন (মৃত), স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, বিএনপির সহশ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবীর খান, সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার আ. কাইয়ুম ও বিএনপির সহ-পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু। এছাড়া আসামি হিসেবে মোস্তফা, মামুন, মানিক, আব্দুর রহিম, মো. শফিকুল ইসলাম খান, মো. ওসমান গনি, মো. খোকন মিয়া, মো. রেজাউর রহমান ফাহিম, মো. মিজানুর রহমান সোহাগ, এসএম আমিনুর রহমান, সৈয়দ সাহাদাৎ আহম্মাদ, মাসুদ ইব্রাহিম, মো. মাহফুজুল হক, মো. সাইদুল ইসলাম ও রেজাউর করিম শাহিন রয়েছেন।
খালেদা জিয়াসহ কোন আসামির বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সাক্ষী খুজে না পেয়ে গত ১৩ নভেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. আব্দুস ছোবহান আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। একইসঙ্গে খালেদা জিয়াসহ ২৬ জনকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি চেয়ে সুপারিশ করেছেন।
মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ডাকা মিছিলে অনেক লোক ছিল। তারা মিছিল করে বেলা ১২ টা ৪০ মিনিটের দিকে গুলশান ২নং গোলচত্বরের নিকট পৌছিলে অজ্ঞানামা লোকজন কয়েকটি বোমা নিক্ষেপ করে। এতে মিছিলে থাকা লোকজন আহত হয় এবং মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়। আহত লোকজন ঢাকা মেডিকেলসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়। মিছিল চলাকালে কে বা কারা কোন দিক থেকে বোমা নিক্ষেপ করে তার কোন প্রত্যক্ষ সাক্ষী বা কে কে বোমা নিক্ষেপ করে তা তৎকালিন তদন্তকারী কর্মকর্তা বা পরে একাধিক তদন্তকারী কর্মকর্তা সনাক্ত করতে পারেনি। এ ব্যাপারে কোন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারার জবানবন্দি নেই।
প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, তদন্তকালে কোন সাক্ষী এজাহারনামীয় আসামিদের সংশ্লিষ্টতার তথ্য প্রদান করেননি। মামলাটি দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ায় তদন্ত কালে বর্তমানে ঘটনাস্থলের আশে পাশের তহৎকালিন সময়ে কোন লোকজন না থাকায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোন সাক্ষী পাওযা যায়নি। এ মামলায় কোন আসামী সনাক্ত করতে না পারায় এবং বাদী যে এজাহারে যে তথ্যে ভিক্তিতে নাম উল্লেখ করেন তা ভুল থাকায় এবং এজাহারে উল্লেখিত আসামিগন ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত না থাকায় মামলাটি অহেতুক বিলম্ব না করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।
২০১৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা জেলা যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ঈসমাইল হোসেন বাচ্চু বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, বিএনপি জামায়াত নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের অবরোধ ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি শ্রমিক পেশাজীবী মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়র কার্য্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালনের জন্য গুলশানস্থ পুরাতন ওয়াল্ডার ল্যান্ড মাঠে সমবেত হন। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খানের নেতৃত্বে ২৫/৩০ হাজার লোক খালেদা জিয়ার অফিস অভিমুখে মিছিল নিয়ে রওনা হয়। গুলশান ২ এর গোলচত্তরে পৌঁছিলে তাদের মিছিলের ওপর কয়েকটি শক্তিশালী বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এতে ১৬ জন গুরুতর আহত হয়। পরে তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করা হয়।

৯ বছর আগে আওয়ামী লীগের মিছিলে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে রাজধানীর গুলশান থানায় করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ২৬ জনকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শরীফুর রহমানের আদালত এই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে এ আদেশ দেন।
খালেদা জিয়া বাদে এ মামলার অপর আসামিরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, খালেদা জিয়ার সাবেক প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন (মৃত), স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, বিএনপির সহশ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবীর খান, সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার আ. কাইয়ুম ও বিএনপির সহ-পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু। এছাড়া আসামি হিসেবে মোস্তফা, মামুন, মানিক, আব্দুর রহিম, মো. শফিকুল ইসলাম খান, মো. ওসমান গনি, মো. খোকন মিয়া, মো. রেজাউর রহমান ফাহিম, মো. মিজানুর রহমান সোহাগ, এসএম আমিনুর রহমান, সৈয়দ সাহাদাৎ আহম্মাদ, মাসুদ ইব্রাহিম, মো. মাহফুজুল হক, মো. সাইদুল ইসলাম ও রেজাউর করিম শাহিন রয়েছেন।
খালেদা জিয়াসহ কোন আসামির বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সাক্ষী খুজে না পেয়ে গত ১৩ নভেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. আব্দুস ছোবহান আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। একইসঙ্গে খালেদা জিয়াসহ ২৬ জনকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি চেয়ে সুপারিশ করেছেন।
মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ডাকা মিছিলে অনেক লোক ছিল। তারা মিছিল করে বেলা ১২ টা ৪০ মিনিটের দিকে গুলশান ২নং গোলচত্বরের নিকট পৌছিলে অজ্ঞানামা লোকজন কয়েকটি বোমা নিক্ষেপ করে। এতে মিছিলে থাকা লোকজন আহত হয় এবং মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়। আহত লোকজন ঢাকা মেডিকেলসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়। মিছিল চলাকালে কে বা কারা কোন দিক থেকে বোমা নিক্ষেপ করে তার কোন প্রত্যক্ষ সাক্ষী বা কে কে বোমা নিক্ষেপ করে তা তৎকালিন তদন্তকারী কর্মকর্তা বা পরে একাধিক তদন্তকারী কর্মকর্তা সনাক্ত করতে পারেনি। এ ব্যাপারে কোন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারার জবানবন্দি নেই।
প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, তদন্তকালে কোন সাক্ষী এজাহারনামীয় আসামিদের সংশ্লিষ্টতার তথ্য প্রদান করেননি। মামলাটি দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ায় তদন্ত কালে বর্তমানে ঘটনাস্থলের আশে পাশের তহৎকালিন সময়ে কোন লোকজন না থাকায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোন সাক্ষী পাওযা যায়নি। এ মামলায় কোন আসামী সনাক্ত করতে না পারায় এবং বাদী যে এজাহারে যে তথ্যে ভিক্তিতে নাম উল্লেখ করেন তা ভুল থাকায় এবং এজাহারে উল্লেখিত আসামিগন ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত না থাকায় মামলাটি অহেতুক বিলম্ব না করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।
২০১৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা জেলা যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ঈসমাইল হোসেন বাচ্চু বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, বিএনপি জামায়াত নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের অবরোধ ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি শ্রমিক পেশাজীবী মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়র কার্য্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালনের জন্য গুলশানস্থ পুরাতন ওয়াল্ডার ল্যান্ড মাঠে সমবেত হন। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খানের নেতৃত্বে ২৫/৩০ হাজার লোক খালেদা জিয়ার অফিস অভিমুখে মিছিল নিয়ে রওনা হয়। গুলশান ২ এর গোলচত্তরে পৌঁছিলে তাদের মিছিলের ওপর কয়েকটি শক্তিশালী বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এতে ১৬ জন গুরুতর আহত হয়। পরে তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করা হয়।

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করায় বিএনপি ও দলটির শীর্ষ নেতা তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন কমনওয়েলথ মহাসচিব শার্লি বোচওয়ে।
১১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের ওপর কোনো নির্দিষ্ট আক্রমণ বা দমন-পীড়নের ঘটনা পর্যবেক্ষক দল প্রত্যক্ষ করেনি বলে জানিয়েছে কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল।
১২ ঘণ্টা আগে
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পড়াবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ।
১৩ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতা থেকে বিরত থাকার জন্য দেশের সব রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা। একই সঙ্গে যেকোনো নির্বাচনি বিরোধ আইনসম্মত ও শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন তারা।
১৪ ঘণ্টা আগে