
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রানা প্লাজা ধসে সহস্রাধিক মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় ভবন মালিক সোহেল রানাকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিতই থাকবে বলে জানিয়েছেন আপিল বিভাগ। তবে ভবনটির মালিক সোহেল রানার জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল দুই মাসের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগকে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৮ অক্টোবর) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে সোহেল রানার পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ।
এর আগে ২ অক্টোবর রানা প্লাজা ধসে পড়লে সহস্রাধিক মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় ভবন মালিক সোহেল রানাকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে আপিল বিভাগে পাঠিয়ে দেন চেম্বার আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি নিয়ে চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এই আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক।
এর আগের দিন ১ অক্টোবর সোহেল রানারকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছিলেন বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ। আদালতে সোহেল রানার পক্ষে শুনানি করেছিলেন অ্যাডভোকেট সাজ্জাতুল হায়দার চৌধুরী, রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মাসুদ রানা। পরে হাইকোর্টের জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
২০২৩ সালের ৬ এপ্রিলও এ মামলায় সোহেল রানাকে জামিন দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। পরে ৯ এপ্রিল হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে আপিল করা হয় আপিল বিভাগে।
তারও আগে ২০২২ সালের মার্চে রানাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। ওই রুলকে যথাযথ ঘোষণা করেই গত ৬ এপ্রিল তাকে জামিন দেওয়া হয়েছিল।
২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা রানা প্লাজা ধসের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১৩ শ মানুষের মৃত্যু হয়, যাদের প্রায় সবাই ছিলেন পোশাক কারখানার শ্রমিক। এ ঘটনায় ভবন মালিক সোহেল রানাকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় ২০১৩ সালের ২৯ এপ্রিল বেনাপোল থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে র্যাব। এর পর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

রানা প্লাজা ধসে সহস্রাধিক মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় ভবন মালিক সোহেল রানাকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিতই থাকবে বলে জানিয়েছেন আপিল বিভাগ। তবে ভবনটির মালিক সোহেল রানার জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল দুই মাসের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগকে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৮ অক্টোবর) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে সোহেল রানার পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ।
এর আগে ২ অক্টোবর রানা প্লাজা ধসে পড়লে সহস্রাধিক মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় ভবন মালিক সোহেল রানাকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে আপিল বিভাগে পাঠিয়ে দেন চেম্বার আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি নিয়ে চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এই আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক।
এর আগের দিন ১ অক্টোবর সোহেল রানারকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছিলেন বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ। আদালতে সোহেল রানার পক্ষে শুনানি করেছিলেন অ্যাডভোকেট সাজ্জাতুল হায়দার চৌধুরী, রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মাসুদ রানা। পরে হাইকোর্টের জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
২০২৩ সালের ৬ এপ্রিলও এ মামলায় সোহেল রানাকে জামিন দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। পরে ৯ এপ্রিল হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে আপিল করা হয় আপিল বিভাগে।
তারও আগে ২০২২ সালের মার্চে রানাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। ওই রুলকে যথাযথ ঘোষণা করেই গত ৬ এপ্রিল তাকে জামিন দেওয়া হয়েছিল।
২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা রানা প্লাজা ধসের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১৩ শ মানুষের মৃত্যু হয়, যাদের প্রায় সবাই ছিলেন পোশাক কারখানার শ্রমিক। এ ঘটনায় ভবন মালিক সোহেল রানাকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় ২০১৩ সালের ২৯ এপ্রিল বেনাপোল থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে র্যাব। এর পর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

আজ শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘তুরাগ নদীতে ভাসছে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ’ শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।’
১০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে দেশটির কাছ থেকে প্রকল্প সহায়তার বিষয়ে করা প্রশ্নে ‘বিব্রত’ হওয়ার কথা বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এক প্রশ্নের রেশ ধরে তিনি বলেন, ‘উনি নগদ প্রাপ্তির কথা বললেন। ভাই, এ সমস্ত প্রশ্ন করবেন না, আমরা খুব বিব্রত হই। এখানে উনি (প্রধানমন্ত্রী) ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে
১১ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে ২২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
১৩ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২৭ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, চীনের করিডোর প্রস্তাবটি সরকার খতিয়ে দেখছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো অবস্থান নেওয়া হয়নি। পরিবহন ব্যয় কমানোর সম্ভাবনাই এ প্রস্তাবে সরকারের আগ্রহের অন্যতম কারণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
১৩ ঘণ্টা আগে