
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

দামুড়হুদায় বিপন্ন প্রজাতির একটি মেছো বিড়াল হত্যার অভিযোগে তিনজনের নামে বন বিভাগ গতকাল শনিবার দর্শনা থানায় মামলা করেছে। পরে পুলিশ আলমগীরকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার আলমগীর উপজেলার ধান্যঘরা গ্রামের বটতলা পাড়ার মৃত সহিদুল ইসলামের ছেলে। অন্য দুজন মিন্টু ও সাইফুল ইসলাম পালাতক।
কুড়ালগাছি ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শাহ মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন জানান, ধান্যঘরা গ্রামে আলমগীর ফকিরের বাড়ির সঙ্গে একটি ধানক্ষেত আছে। শুক্রবার দুপুরে তিনি টেঁটা নিয়ে ধানক্ষেতে মেছো বিড়ালটি দেখে টেঁটাবিদ্ধ করে রাস্তার ওপর নিয়ে আসে। দীর্ঘ সময় টেঁটাবিদ্ধ থাকায় বিড়ালটি মারা যায়।
দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহীদ তিতুমীর জানান, মেছোবিড়াল হত্যার ঘটনায় পুলিশ প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। অন্য দুইজন পলাতক। গ্রেফতার আলমগীরকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের সোপর্দ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার তিথি মিত্র জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বন বিভাগ ও দর্শনা থানা পুলিশের সহায়তায় সকল ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বন্যপ্রাণী কেউ হত্যা করতে পারে না।
উল্লেখ্য, শুক্রবার দুপুরে দামুড়হুদা উপজেলার ধান্যঘরা গ্রামের বটতলা পাড়ার একটি ধানক্ষেতে এ ঘটনা ঘটে। আলমগির ফকিরের বাড়ির সঙ্গে একটি ধানক্ষেত আছে। সেখানে বন্যপ্রাণীর অবাধ যাতায়াত রয়েছে। বেশ কয়েক দিন আগে সে বাড়ির পাশে একটি মেছো বিড়াল দেখতে পায়। মেছো বিড়াল আলমগির খোড়ার হাঁস খেয়ে ফেলতে পারে সেই শঙ্কা থেকে টেঁটা নিয়ে নিয়মিত পাহারা বসায় বাড়ি ও ধানক্ষেতে। শুক্রবার দুপুরে টেঁটা নিয়ে ধানক্ষেতের ভেতরে লুকিয়ে ছিলেন তিনি। মেছো বিড়ালটি ধানক্ষেতে আসলে পেছনের দিকে টেঁটাবিদ্ধ করে টেনে-হিঁচড়ে রাস্তার উপর নিয়ে আসে। দীর্ঘ সময় টেঁটাবিদ্ধ করে রাখে। বিড়ালটি প্রাণে বাঁচতে বারবার পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে শক্ত করে বিদ্ধ করে রাখা হয়। এক পর্যায়ে বিড়ালটি মারা যায়।

দামুড়হুদায় বিপন্ন প্রজাতির একটি মেছো বিড়াল হত্যার অভিযোগে তিনজনের নামে বন বিভাগ গতকাল শনিবার দর্শনা থানায় মামলা করেছে। পরে পুলিশ আলমগীরকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার আলমগীর উপজেলার ধান্যঘরা গ্রামের বটতলা পাড়ার মৃত সহিদুল ইসলামের ছেলে। অন্য দুজন মিন্টু ও সাইফুল ইসলাম পালাতক।
কুড়ালগাছি ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শাহ মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন জানান, ধান্যঘরা গ্রামে আলমগীর ফকিরের বাড়ির সঙ্গে একটি ধানক্ষেত আছে। শুক্রবার দুপুরে তিনি টেঁটা নিয়ে ধানক্ষেতে মেছো বিড়ালটি দেখে টেঁটাবিদ্ধ করে রাস্তার ওপর নিয়ে আসে। দীর্ঘ সময় টেঁটাবিদ্ধ থাকায় বিড়ালটি মারা যায়।
দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহীদ তিতুমীর জানান, মেছোবিড়াল হত্যার ঘটনায় পুলিশ প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। অন্য দুইজন পলাতক। গ্রেফতার আলমগীরকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের সোপর্দ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার তিথি মিত্র জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বন বিভাগ ও দর্শনা থানা পুলিশের সহায়তায় সকল ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বন্যপ্রাণী কেউ হত্যা করতে পারে না।
উল্লেখ্য, শুক্রবার দুপুরে দামুড়হুদা উপজেলার ধান্যঘরা গ্রামের বটতলা পাড়ার একটি ধানক্ষেতে এ ঘটনা ঘটে। আলমগির ফকিরের বাড়ির সঙ্গে একটি ধানক্ষেত আছে। সেখানে বন্যপ্রাণীর অবাধ যাতায়াত রয়েছে। বেশ কয়েক দিন আগে সে বাড়ির পাশে একটি মেছো বিড়াল দেখতে পায়। মেছো বিড়াল আলমগির খোড়ার হাঁস খেয়ে ফেলতে পারে সেই শঙ্কা থেকে টেঁটা নিয়ে নিয়মিত পাহারা বসায় বাড়ি ও ধানক্ষেতে। শুক্রবার দুপুরে টেঁটা নিয়ে ধানক্ষেতের ভেতরে লুকিয়ে ছিলেন তিনি। মেছো বিড়ালটি ধানক্ষেতে আসলে পেছনের দিকে টেঁটাবিদ্ধ করে টেনে-হিঁচড়ে রাস্তার উপর নিয়ে আসে। দীর্ঘ সময় টেঁটাবিদ্ধ করে রাখে। বিড়ালটি প্রাণে বাঁচতে বারবার পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে শক্ত করে বিদ্ধ করে রাখা হয়। এক পর্যায়ে বিড়ালটি মারা যায়।

আন্দোলনকারী নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, গত ১৫ ডিসেম্বরের সরকারি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ হওয়ায় সাধারণ কর্মচারীদের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে। আজকের মধ্যে কার্যকর উদ্যোগ না নিলে আগামীকালকের ‘ভুখা মিছিল’ থেকে অনির্দিষ্টকালের সর্বাত্মক ধর্মঘটের মতো আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা আসতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে দেশে ও প্রবাসে মিলিয়ে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৪ জন ভোটার ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নিবন্ধন করেছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সাভারের আশুলিয়ায় পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান ছয় তরুণ। এরপর পুলিশ ভ্যানে তাদের মরদেহ তুলে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। নৃশংস এ ঘটনার সময় একজন জীবিত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পেট্রোল ঢেলে তাকেও পুড়িয়ে মারা হয়। এছাড়া, সেখানে এর আগের দিন একজন শহীদ হয়েছিলেন। এ ঘটনায় একই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর মান
৬ ঘণ্টা আগে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দলীয় আধিপত্য বিস্তার, প্রতিশোধপরায়ণতা, সমাবেশকেন্দ্রিক সংঘর্ষ, নির্বাচন ও চাঁদাবাজিকে ঘিরে ১৪১১টি সহিংস ঘটনায় ১৯৫ জন নিহত ও ১১ হাজার ২২৯ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বিএনপির ১৩৪, আওয়ামী লীগের ২৬, জামায়াতের ৫, ইউপিডিএফের ৬ জনসহ বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী রয়েছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে