
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চিঠিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের করা বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের আশাবাদ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা চুক্তির আহ্বানও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভবন হোয়াইট হাউজ থেকে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে এ চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে আমেরিকান জনগণের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক এই বিজয়ে শুভেচ্ছা ও সফলতা কামনা করা হয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট চিঠিতে তারেক রহমানকে ‘প্রিয় জনাব প্রধানমন্ত্রী’ উল্লেখ করে বলেন, ‘আমেরিকার জনগণের পক্ষ থেকে আপনাকে আপনার ঐতিহাসিক নির্বাচনী বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানাই। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার মেয়াদ সফল হোক—এই কামনা করি।’
দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আমাদের দুই দেশের অংশীদারি পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও একটি অভিন্ন স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। আমরা একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তুলতে চাই, যেখানে শক্তিশালী ও সার্বভৌম দেশগুলো সমৃদ্ধ হতে পারে।’
যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে তারেক রহমানের সরকার যাত্রা শুরু করেছে, সেই নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করে তখন ক্ষমতায় থাকা অন্তর্বর্তী সরকার।
ওই চুক্তির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আপনি যখন আপনার দায়িত্বের মেয়াদ শুরু করছেন, তখন আমি আশা করি আমাদের পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে আপনি আমাদের বাণিজ্য সম্পর্কের অসাধারণ অগ্রগতি ধরে রাখতে আমাকে সহায়তা করবেন। এই চুক্তি আমাদের দুই দেশের কৃষক ও শ্রমিকদের জন্য উপকারী।’
পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়েও উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বলেন, ‘আমি আরও আশা করি, নিয়মিত প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলো সম্পন্ন করার জন্য আপনি দৃঢ় পদক্ষেপ নেবেন। এর ফলে, আপনার সামরিক বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি উচ্চমানের সরঞ্জাম ব্যবহারের সুযোগ পাবে, যেসব সরঞ্জাম বিশ্বের সেরা।’
চিঠিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আশাবাদ জানিয়ে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী করতে আপনার সঙ্গে কাজ করার জন্য আমি আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছি। বাংলাদেশে আমার রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা একসঙ্গে আমাদের দুই দেশকে আরও সমৃদ্ধ ও নিরাপদ করার সুযোগ পেয়েছি। আগামী দিনগুলোর জন্য আপনাকে শুভকামনা।’
চিঠিটি শেয়ার করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ক্যাপশনে লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। অভিনন্দনবার্তায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চিঠিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের করা বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের আশাবাদ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা চুক্তির আহ্বানও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভবন হোয়াইট হাউজ থেকে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে এ চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে আমেরিকান জনগণের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক এই বিজয়ে শুভেচ্ছা ও সফলতা কামনা করা হয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট চিঠিতে তারেক রহমানকে ‘প্রিয় জনাব প্রধানমন্ত্রী’ উল্লেখ করে বলেন, ‘আমেরিকার জনগণের পক্ষ থেকে আপনাকে আপনার ঐতিহাসিক নির্বাচনী বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানাই। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার মেয়াদ সফল হোক—এই কামনা করি।’
দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আমাদের দুই দেশের অংশীদারি পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও একটি অভিন্ন স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। আমরা একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তুলতে চাই, যেখানে শক্তিশালী ও সার্বভৌম দেশগুলো সমৃদ্ধ হতে পারে।’
যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে তারেক রহমানের সরকার যাত্রা শুরু করেছে, সেই নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করে তখন ক্ষমতায় থাকা অন্তর্বর্তী সরকার।
ওই চুক্তির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আপনি যখন আপনার দায়িত্বের মেয়াদ শুরু করছেন, তখন আমি আশা করি আমাদের পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে আপনি আমাদের বাণিজ্য সম্পর্কের অসাধারণ অগ্রগতি ধরে রাখতে আমাকে সহায়তা করবেন। এই চুক্তি আমাদের দুই দেশের কৃষক ও শ্রমিকদের জন্য উপকারী।’
পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়েও উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বলেন, ‘আমি আরও আশা করি, নিয়মিত প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলো সম্পন্ন করার জন্য আপনি দৃঢ় পদক্ষেপ নেবেন। এর ফলে, আপনার সামরিক বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি উচ্চমানের সরঞ্জাম ব্যবহারের সুযোগ পাবে, যেসব সরঞ্জাম বিশ্বের সেরা।’
চিঠিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আশাবাদ জানিয়ে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী করতে আপনার সঙ্গে কাজ করার জন্য আমি আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছি। বাংলাদেশে আমার রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা একসঙ্গে আমাদের দুই দেশকে আরও সমৃদ্ধ ও নিরাপদ করার সুযোগ পেয়েছি। আগামী দিনগুলোর জন্য আপনাকে শুভকামনা।’
চিঠিটি শেয়ার করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ক্যাপশনে লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। অভিনন্দনবার্তায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

এসব বিধান উল্লেখ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ফলে দ্বৈত নাগরিকত্ব বহাল থাকা অবস্থায় টেকনোক্র্যাট কোটায় তার (হুমায়ুন কবির) নিয়োগ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এ বিষয়ে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিজের অবস্থান প্রকাশ না করে প্রতিমন্ত্রীর পদ গ্রহণের মাধ্যমে তিনি নিজেকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
উপদেষ্টা আরও বলেন, সুতরাং চায়নার তৈরি একটা মাল্টিরোল ফাইটার, সেটি রাফালের সঙ্গে কমব্যাট সিচুয়েশনে খুবই ভালো করেছে, যে রাফালকে এখন বলা হয় ৪.৫ জেনারেশনের সবচেয়ে আধুনিক ফাইটারগুলোর একটি। ফলে বাংলাদেশ সেদিকে মনোযোগ দিয়েছে এবং আশা করা যায় আমরা এই পথে খুব ভালোভাবে এগিয়ে যাচ্ছি।
৬ ঘণ্টা আগে
সাক্ষাতে মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে স্টিফেন রড্রিগেজ বলেন, আপনি সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন জেনে আমরা আনন্দিত। আপনি চাইলে আমরা এ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে আগ্রহী।
৭ ঘণ্টা আগে
ঢাকার বড় ও প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলের বিষয়েও কথা বলেন তথ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘এসব যান চলাচলে মানুষের কিছুটা সুবিধা হলেও যানজটসহ নানা সমস্যা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি চালকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ঘাটতি এবং যানবাহনের কারিগরি নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।’
৮ ঘণ্টা আগে