
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। গত ১০ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদাতিক ডিভিশন ও স্বতন্ত্র ব্রিগেডের ইউনিটসমূহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে।
এই অভিযানে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী, চিহ্নিত দুর্বৃত্ত, ডাকাত, চাঁদাবাজ, পলাতক আসামি, ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাং সদস্য, মাদক ব্যবসায়ী ও দালালচক্রের সদস্যসহ মোট ৩৯০ জন অপরাধীকে আটক করা হয়।
শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) আইএসপিআরের সহকারী পরিচালক রাশেদুল আলম খান সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, অভিযানের সময় ১০টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ৪৬ রাউন্ড গোলাবারুদ, মাদকদ্রব্য, দেশীয় অস্ত্র, চোরাই মোবাইল, ল্যাপটপ, বৈদেশিক মুদ্রা ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।
আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক আইনি প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযান চলাকালে অপরাধীদের কাছ থেকে উদ্ধারকৃত আলামতও থানায় জমা দেওয়া হয় বলেও জানান তিনি।
বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উপলক্ষে আয়োজিত বৈশাখী উৎসব ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বর্ষবরণ অনুষ্ঠান ঘিরেও সেনাবাহিনী টহল ও নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও জনসমাগমস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী তৎপর ছিল।
এছাড়া চলমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী টহল জোরদার করেছে সেনাবাহিনী। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। সাধারণ মানুষকে সন্দেহজনক কোনো কার্যকলাপ সম্পর্কে সেনা ক্যাম্পে তথ্য দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। গত ১০ থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদাতিক ডিভিশন ও স্বতন্ত্র ব্রিগেডের ইউনিটসমূহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে।
এই অভিযানে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী, চিহ্নিত দুর্বৃত্ত, ডাকাত, চাঁদাবাজ, পলাতক আসামি, ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাং সদস্য, মাদক ব্যবসায়ী ও দালালচক্রের সদস্যসহ মোট ৩৯০ জন অপরাধীকে আটক করা হয়।
শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) আইএসপিআরের সহকারী পরিচালক রাশেদুল আলম খান সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, অভিযানের সময় ১০টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ৪৬ রাউন্ড গোলাবারুদ, মাদকদ্রব্য, দেশীয় অস্ত্র, চোরাই মোবাইল, ল্যাপটপ, বৈদেশিক মুদ্রা ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।
আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক আইনি প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযান চলাকালে অপরাধীদের কাছ থেকে উদ্ধারকৃত আলামতও থানায় জমা দেওয়া হয় বলেও জানান তিনি।
বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উপলক্ষে আয়োজিত বৈশাখী উৎসব ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বর্ষবরণ অনুষ্ঠান ঘিরেও সেনাবাহিনী টহল ও নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও জনসমাগমস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী তৎপর ছিল।
এছাড়া চলমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী টহল জোরদার করেছে সেনাবাহিনী। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। সাধারণ মানুষকে সন্দেহজনক কোনো কার্যকলাপ সম্পর্কে সেনা ক্যাম্পে তথ্য দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এবারের প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু ‘বায়ু, পানি ও মাটি দূষণ’ এবং ‘জ্বালানি ও পরিবেশ’। প্রতিযোগিতায় জমা পড়া ১৫০০টি ছবির মধ্য থেকে বিচারকদের রায়ে নির্বাচিত সেরা ৩৫টি ছবি প্রদর্শনীর জন্য মনোনীত হয় এবং বিজয়ী ছয়জন ফটোসাংবাদিককে পুরস্কৃত করা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
যমুনা ও আশপাশের এলাকায় ‘বেআইনি’ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কোনো প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করা হয়নি বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
৬ ঘণ্টা আগে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তবে কিছু সময় পর আবারও আন্দোলনকারীরা জড়ো হয়ে যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
১১ ঘণ্টা আগে