
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ছেলে মঈন উদ্দিন আবদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে তাকে রাজধানীর গুলশান-২ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঈন আব্দুল্লাহ ব্যবসায়ীদের সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক ছিলেন। তার বাবা বরিশাল-১ আসনের সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
তিনি জানান, শেখ পরিবারের সদস্য হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে মঈনউদ্দিন আব্দুল্লাহকে গুলশান-২ থেকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি। তার বিরুদ্ধে বরিশালে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনসহ পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারায় মামলা রয়েছে।
গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর আকস্মিক বরিশালে ঘুরে যান সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর মেজ ছেলে মঈন আবদুল্লাহ। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের ছেলে মুয়াজ আরিফ। বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ছেলে মঈন উদ্দিন আবদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে তাকে রাজধানীর গুলশান-২ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঈন আব্দুল্লাহ ব্যবসায়ীদের সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক ছিলেন। তার বাবা বরিশাল-১ আসনের সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
তিনি জানান, শেখ পরিবারের সদস্য হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে মঈনউদ্দিন আব্দুল্লাহকে গুলশান-২ থেকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি। তার বিরুদ্ধে বরিশালে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনসহ পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারায় মামলা রয়েছে।
গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর আকস্মিক বরিশালে ঘুরে যান সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর মেজ ছেলে মঈন আবদুল্লাহ। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের ছেলে মুয়াজ আরিফ। বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক হোসেন হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
২ ঘণ্টা আগে
আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। চার আইনজীবীর করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসীন আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
এজাহারে বলা হয়, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নজরুল ও মাকসুদা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে মরিয়ম তাঁর পরিবারকে বলে গেছেন। এর মধ্যে রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নজরুল মোবাইল ফোনে বাদীকে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে মরিয়মকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখেন বাবা মাসুম বিল্লাহ।
২ ঘণ্টা আগে
গ্রেপ্তারের পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকার এ তথ্য জানিয়েছেন। সোমবার দুপুর ২টা ২২ মিনিটে আসামিদের আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে