
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ব্যবসার সম্ভাবনা দেখতে বাংলাদেশে এসে জিম্মি হয়ে পড়া তিন শ্রীলঙ্কান নাগরিককে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তারা নিজ দেশে ফিরেও গেছেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে পুলিশ গ্রেপ্তারও করেছে। তাদের মধ্যে তিনজন ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
বুধবার (২৩ এপ্রিল) দিবাগত রাতে পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে বাগেরহাট থেকে উদ্ধার করে তিন শ্রীলঙ্কানকে। তারা হলেন— মালাভি পাথিরানা, তার স্ত্রী পাথিরানা ও থুপ্পি মুদিইয়ান সেল্যাগ নীল। শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) তারা নিজ দেশে ফিরে গেছেন।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. তৌহিদুল আরিফ জানান, অ্যাকুরিয়াম ফিশের ব্যবসায় যুক্ত তিন শ্রীলঙ্কান। ফরিদপুরে অ্যাকুরিয়াম ফিশ উৎপাদনের প্রতিষ্ঠান দেখানোর কথা বলে তাদের আমন্ত্রণ জানান শহিদুল শেখ নামে একজন। ২২ এপ্রিল তারা ঢাকায় পৌঁছালে রাতে তাদের বাগেরহাটে নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, পাথিরানাদের সঙ্গে এমদাদ ও শহীদুলের পরিচয় হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরেই তাদের ব্যবসার প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
তিন শ্রীলঙ্কানকে উদ্ধারের পর বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করেন পুলিশের খুলনা রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. রেজাউল হক। তিনি বলেন, বাগেরহাটে নিয়ে গিয়ে তাদের জিম্মি করে পাঁচ কোটি টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়। তারা এত টাকা দিতে পারবে না জানালে অপহরণকারীরা শ্রীলঙ্কায় তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে ফোন করে থেকে মুক্তিপণ দাবি করেন। আড়াই কোটি টাকা মুক্তিপণ দিতে রাজি হওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে মৌখিক চুক্তি হয়।
ডিআইজি জানান, পরিবার খবর পেয়ে দূতাবাসের মাধ্যমে বাংলাদেশে যোগাযোগ করে। দূতাবাস বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানালে সেখান থেকে বিষয়টি জানানো হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে। এরপর পুলিশ সদর দপ্তর হয়ে খুলনা রেঞ্জ ও বাগেরহাট জেলা পুলিশ খবর পেয়ে অভিযান চালায়।
এর মধ্যে শ্রীলঙ্কা থেকে ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা আনার চেষ্টা করা হয়। অপহরণকারীরা টাকা জমা দিতে চারটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য পাঠিয়েছিল জিম্মিদের পরিবারকে।
এ ঘটনায় চারজনকে আটক করে পুলিশ। তারা হলেন— কাজী এমদাদ হোসেন, শহিদুল শেখ, জনি শেখ ও এস এম সামসুল আলম। ডিআইজি রেজাউল হক শুক্রবার বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। পরে আটক চারজনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তাদের মধ্যে তিনজন অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
ডিআইজির সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে মালাভি পাথিরানাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের উদ্ধার করার জন্য তিনি পুলিশ ও বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। বলেন, খুব অল্প কিছু খারাপ লোকের জন্য বাংলাদেশের মানুষের বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক ধারণা পোষণ করতে চান না তিনি।

ব্যবসার সম্ভাবনা দেখতে বাংলাদেশে এসে জিম্মি হয়ে পড়া তিন শ্রীলঙ্কান নাগরিককে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তারা নিজ দেশে ফিরেও গেছেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে পুলিশ গ্রেপ্তারও করেছে। তাদের মধ্যে তিনজন ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
বুধবার (২৩ এপ্রিল) দিবাগত রাতে পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে বাগেরহাট থেকে উদ্ধার করে তিন শ্রীলঙ্কানকে। তারা হলেন— মালাভি পাথিরানা, তার স্ত্রী পাথিরানা ও থুপ্পি মুদিইয়ান সেল্যাগ নীল। শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) তারা নিজ দেশে ফিরে গেছেন।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. তৌহিদুল আরিফ জানান, অ্যাকুরিয়াম ফিশের ব্যবসায় যুক্ত তিন শ্রীলঙ্কান। ফরিদপুরে অ্যাকুরিয়াম ফিশ উৎপাদনের প্রতিষ্ঠান দেখানোর কথা বলে তাদের আমন্ত্রণ জানান শহিদুল শেখ নামে একজন। ২২ এপ্রিল তারা ঢাকায় পৌঁছালে রাতে তাদের বাগেরহাটে নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, পাথিরানাদের সঙ্গে এমদাদ ও শহীদুলের পরিচয় হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরেই তাদের ব্যবসার প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
তিন শ্রীলঙ্কানকে উদ্ধারের পর বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করেন পুলিশের খুলনা রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. রেজাউল হক। তিনি বলেন, বাগেরহাটে নিয়ে গিয়ে তাদের জিম্মি করে পাঁচ কোটি টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়। তারা এত টাকা দিতে পারবে না জানালে অপহরণকারীরা শ্রীলঙ্কায় তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে ফোন করে থেকে মুক্তিপণ দাবি করেন। আড়াই কোটি টাকা মুক্তিপণ দিতে রাজি হওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে মৌখিক চুক্তি হয়।
ডিআইজি জানান, পরিবার খবর পেয়ে দূতাবাসের মাধ্যমে বাংলাদেশে যোগাযোগ করে। দূতাবাস বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানালে সেখান থেকে বিষয়টি জানানো হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে। এরপর পুলিশ সদর দপ্তর হয়ে খুলনা রেঞ্জ ও বাগেরহাট জেলা পুলিশ খবর পেয়ে অভিযান চালায়।
এর মধ্যে শ্রীলঙ্কা থেকে ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা আনার চেষ্টা করা হয়। অপহরণকারীরা টাকা জমা দিতে চারটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য পাঠিয়েছিল জিম্মিদের পরিবারকে।
এ ঘটনায় চারজনকে আটক করে পুলিশ। তারা হলেন— কাজী এমদাদ হোসেন, শহিদুল শেখ, জনি শেখ ও এস এম সামসুল আলম। ডিআইজি রেজাউল হক শুক্রবার বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। পরে আটক চারজনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তাদের মধ্যে তিনজন অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
ডিআইজির সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে মালাভি পাথিরানাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের উদ্ধার করার জন্য তিনি পুলিশ ও বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। বলেন, খুব অল্প কিছু খারাপ লোকের জন্য বাংলাদেশের মানুষের বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক ধারণা পোষণ করতে চান না তিনি।

ঈদুল আজহা উদযাপিত হয় গত ২৮ মে। এর আগে ২৬ ও ২৭ মে এবং পরে ২৯ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি ছুটি ছিল। ২৩ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অফিস খোলা থাকলেও পরে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে ২৫ মে অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়, যার ফলে টানা সাত দিনের ছুটি নিশ্চিত হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিচতলায় বেকারির সন্ধান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘হাজার হাজার শিক্ষার্থীর জন্য বেকারিতে খাবার তৈরি হতো। সেখান থেকে কোনো গ্যাস বের হয়েছে কিনা সেটি দেখা হবে। দুইজন ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলা
১৭ ঘণ্টা আগে
অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৮৩ জন। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৯০ জনের শরীরে। অন্যদিকে শরীরে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪৯৩ জন।
১৯ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) জাহিদ রায়হান গণমাধ্যমকে বলেন, যেসব শিশু মারা গেছে, তাদের মায়েদের সঙ্গে কথা বলার জন্য আরও সময় প্রয়োজন। এ কারণে কমিটিকে আরও চার দিন সময় দিয়ে ৩ জুন পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
১ দিন আগে