
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (২৬ জুন) এসব কাগজপত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
দুদকের কর্মকর্তারা বলছেন, বেনজীরকে দেশে ফেরাতে এখন কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ শুরু হচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইন অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ আবেদন জমা দিতে হয়। সেই প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই সংশ্লিষ্ট নথি একত্র করা হয়েছে।
দুদকের করা ছয়টি মামলার মধ্যে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি মামলায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ওই পরোয়ানাকে ভিত্তি করেই পরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুল ইসলাম ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আদালতে আবেদন করে উল্লেখ করেন, বেনজীর বিদেশে অবস্থান করছেন এবং বিচারিক কার্যক্রম চালিয়ে নিতে তাকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন। আবেদনের পর আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
পরবর্তী সময়ে ১২ ফেব্রুয়ারি পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে পাঠানো এক আবেদনে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, মামলার বিবরণ, জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্টসংক্রান্ত তথ্যসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করে রেড নোটিশ জারির উদ্যোগ নিতে বলা হয়।
দুদকের অনুরোধ পাওয়ার পর পুলিশ সদর দপ্তরের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) ঢাকা বিষয়টি ইন্টারপোলে পাঠায়। যাচাই-বাছাই শেষে ২০২৫ সালের ১৬ এপ্রিল বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করা হয়। এর মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আইনশৃঙ্খলা সংস্থার ডাটাবেজে তার তথ্য অন্তর্ভুক্ত হয়।
দুদকের মতে, দুবাইয়ে তার গ্রেপ্তার আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। এখন স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দপ্তর ও দুদক সমন্বিতভাবে পরবর্তী পদক্ষেপ বাস্তবায়নের কাজ করছে।
রাজনীতি/আরআইআর

দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (২৬ জুন) এসব কাগজপত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
দুদকের কর্মকর্তারা বলছেন, বেনজীরকে দেশে ফেরাতে এখন কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ শুরু হচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইন অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ আবেদন জমা দিতে হয়। সেই প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই সংশ্লিষ্ট নথি একত্র করা হয়েছে।
দুদকের করা ছয়টি মামলার মধ্যে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি মামলায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ওই পরোয়ানাকে ভিত্তি করেই পরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুল ইসলাম ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আদালতে আবেদন করে উল্লেখ করেন, বেনজীর বিদেশে অবস্থান করছেন এবং বিচারিক কার্যক্রম চালিয়ে নিতে তাকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন। আবেদনের পর আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
পরবর্তী সময়ে ১২ ফেব্রুয়ারি পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে পাঠানো এক আবেদনে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, মামলার বিবরণ, জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্টসংক্রান্ত তথ্যসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করে রেড নোটিশ জারির উদ্যোগ নিতে বলা হয়।
দুদকের অনুরোধ পাওয়ার পর পুলিশ সদর দপ্তরের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) ঢাকা বিষয়টি ইন্টারপোলে পাঠায়। যাচাই-বাছাই শেষে ২০২৫ সালের ১৬ এপ্রিল বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করা হয়। এর মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আইনশৃঙ্খলা সংস্থার ডাটাবেজে তার তথ্য অন্তর্ভুক্ত হয়।
দুদকের মতে, দুবাইয়ে তার গ্রেপ্তার আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। এখন স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দপ্তর ও দুদক সমন্বিতভাবে পরবর্তী পদক্ষেপ বাস্তবায়নের কাজ করছে।
রাজনীতি/আরআইআর

দিল্লিতে হেনস্থা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সেখানে আমাকে কোনো জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। একটা জায়গায় বসতে দেয়া হয়েছিল। ওখানে কোনো রুমে নিয়ে আটকে রাখা হয়েছে, এটা একদম ভুল কথা।
২ ঘণ্টা আগে
অভিবাসন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আটককৃতদের মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক রয়েছেন। মূলত বিদেশি নাগরিকদের বৈধ কাগজপত্র যাচাই, ভিসার শর্ত লঙ্ঘন, অবৈধভাবে অবস্থান এবং অন্যান্য অভিবাসন আইনসংক্রান্ত বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতেই এই চিরুনি অভিযান চালানো হয়।
৬ ঘণ্টা আগে