এবার মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় গ্রেপ্তার ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের দিলীপ আগরওয়ালা

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
দিলীপ কুমার আগারওয়ালা। ছবি: ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড
দিলীপ কুমার আগারওয়ালা। ছবি: ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড

চোরাচালান, প্রতারণা, জালিয়াতি, অর্থপাচার ও হত্যা মামলায় জামিনে কারামুক্তির এক বছর পর ফের গ্রেপ্তার হয়েছেন ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালা। এবার অর্থপাচারের অভিযোগে মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম জানান, অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দিলীপ কুমার আগারওয়ালার বিরুদ্ধে একটি মামলা তদন্ত করছে। ওই মামলায় সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবির গুলশান বিভাগ।

সিআইডির একটি সূত্র জানিয়েছে, সোনা ও হীরা সংগ্রহের আড়ালে ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকা অর্থপাচারের অভিযোগে রাজধানীর গুলশান থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের একটি মামলা রয়েছে দিলীপ আগরওয়ালার বিরুদ্ধে।

সিআইডির প্রাথমিক অনুসন্ধানে দিলীপের প্রতিষ্ঠান ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের সোনা ও হীরা সংগ্রহের উৎস এবং সরবরাহকারীদের বৈধ নথিপত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ২০০৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড বৈধ পথে আমদানির পাশাপাশি স্থানীয় বাজার থেকেও বিপুল পরিমাণ সোনা ও হীরা সংগ্রহ করলেও এসব পণ্যের উৎস সম্পর্কে প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সিআইডি।

অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, দিলীপ আগরওয়ালাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তাকে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সোনা ও হীরা চোরাচালান, প্রতারণা, জালিয়াতি ও অর্থপাচারের অভিযোগে দিলীপ আগরওয়ালাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। ওই সময় গুলশানে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়।

পরে জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার বাড্ডায় হৃদয় আহমেদ নামে এক কিশোরকে হত্যার মামলায়ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পুলিশি হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ ও সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর গত বছরের ১ অক্টোবর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন তিনি।

দিলীপ কুমার আগারওয়ালা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-১ (আলমডাঙ্গা ও সদরের একাংশ) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক উপকমিটির সদস্য।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement