
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

শরীয়তপুরের ঘটনাস্থল থেকে পুলিশের ক্রাইম সিন ইউনিট ও অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম হাতবোমা তৈরির বিভিন্ন উপকরণ ও বিস্ফোরণের আলামত জব্দ করেছে। একই সঙ্গে গত কয়েক দিনে পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হওয়া ৩৮টি তাজা হাতবোমা নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা থেকে পুলিশের সিআইডি ক্রাইম সিন ইউনিট এবং অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘর ও আশপাশের এলাকা তল্লাশি চালায়। এ সময় হাতবোমা তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ ও বিস্ফোরণের আলামত সংগ্রহ করা হয়।
পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিমের পরিদর্শক শংকর কুমার ঘোষ জানান, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের ১০ জন এবং সিআইডি ক্রাইম সিন ইউনিটের ছয়জন সদস্য একযোগে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় বিস্ফোরক দ্রব্য ও বোমা তৈরির নানা উপকরণ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত উপকরণের মধ্যে রয়েছে পটাশ, গান পাউডার, টিনের কৌটা, মার্বেল, তারের কাঁটা, স্কচটেপ, পাথরের গুঁড়া, ধানের তুষ, জর্দার কৌটা, ভাঙা কাচ, স্প্লিন্টার এবং একটি মিক্সচার মেশিন। এসব আলামত জব্দ করে জাজিরা থানায় জমা দেওয়া হয়েছে।

পরে এদিন বিকেলে গত কয়েক দিনে পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হওয়া ৩৮টি তাজা হাতবোমা ও অন্যান্য বিস্ফোরক দ্রব্য জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর এলাকার একটি নিরাপদ খোলা মাঠে নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিলাসপুর ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুটি প্রভাবশালী পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলে আসছে। এক পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন বিলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারী এবং অপর পক্ষের নেতৃত্বে তার প্রতিদ্বন্দ্বী পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল জলিল মাতবর।
গত বছরের এপ্রিল ও নভেম্বর মাসে বিলাসপুর এলাকায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এসব ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা হলে আব্দুল জলিল মাতবর বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অপরদিকে ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারী জামিনে মুক্ত হয়ে এলাকা ছেড়ে গেছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্তমানে কুদ্দুস ব্যাপারীর সমর্থক তাইজুল ইসলাম ছৈয়াল এবং জলিল মাতবরের সমর্থক নাসির ব্যাপারীর লোকজন নতুন করে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছেন।
এর আগে গত ৩ জানুয়ারি বুধাইরহাট এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর জেরে পরদিন সকালে বুধাইরহাট বাজারে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় বাজারের দুটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দুটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। এ সময় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরিত হলে নাসির ব্যাপারীর এক সমর্থক জাবেদ শেখের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
সবশেষ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ভোরে মুলাই ব্যাপারীকান্দি গ্রামে ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারীর বাড়ির পাশে তার চাচাতো ভাই সাগর ব্যাপারীর একটি টিনের বসতঘর বোমা বিস্ফোরণে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। এতে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বসতঘরটি নতুন নির্মিত হলেও সেখানে তখন কেউ বসবাস করছিল না।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলের অদূরে একটি ফসলের মাঠ থেকে তাইজুল ইসলাম ছৈয়ালের পক্ষের সমর্থক হিসেবে পরিচিত সোহান ব্যাপারীর মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় নবীন সরদার ও নয়ন মোল্লা নামে তাইজুল ইসলাম পক্ষের আরও দুজন গুরুতর আহত হন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নবীন সরদার মারা যান। নয়ন মোল্লা বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহম্মদ এ বিষয়ে জানান, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও সিআইডি ক্রাইম সিন ইউনিটের প্রতিবেদন ও উদ্ধারকৃত আলামতের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গত কয়েক বছরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, যাতে অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি হয়েছে। সর্বশেষ ঘটনায় দুইজন নিহত এবং একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শরীয়তপুরের ঘটনাস্থল থেকে পুলিশের ক্রাইম সিন ইউনিট ও অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম হাতবোমা তৈরির বিভিন্ন উপকরণ ও বিস্ফোরণের আলামত জব্দ করেছে। একই সঙ্গে গত কয়েক দিনে পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হওয়া ৩৮টি তাজা হাতবোমা নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা থেকে পুলিশের সিআইডি ক্রাইম সিন ইউনিট এবং অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘর ও আশপাশের এলাকা তল্লাশি চালায়। এ সময় হাতবোমা তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ ও বিস্ফোরণের আলামত সংগ্রহ করা হয়।
পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিমের পরিদর্শক শংকর কুমার ঘোষ জানান, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের ১০ জন এবং সিআইডি ক্রাইম সিন ইউনিটের ছয়জন সদস্য একযোগে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় বিস্ফোরক দ্রব্য ও বোমা তৈরির নানা উপকরণ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত উপকরণের মধ্যে রয়েছে পটাশ, গান পাউডার, টিনের কৌটা, মার্বেল, তারের কাঁটা, স্কচটেপ, পাথরের গুঁড়া, ধানের তুষ, জর্দার কৌটা, ভাঙা কাচ, স্প্লিন্টার এবং একটি মিক্সচার মেশিন। এসব আলামত জব্দ করে জাজিরা থানায় জমা দেওয়া হয়েছে।

পরে এদিন বিকেলে গত কয়েক দিনে পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হওয়া ৩৮টি তাজা হাতবোমা ও অন্যান্য বিস্ফোরক দ্রব্য জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর এলাকার একটি নিরাপদ খোলা মাঠে নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিলাসপুর ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুটি প্রভাবশালী পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলে আসছে। এক পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন বিলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারী এবং অপর পক্ষের নেতৃত্বে তার প্রতিদ্বন্দ্বী পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল জলিল মাতবর।
গত বছরের এপ্রিল ও নভেম্বর মাসে বিলাসপুর এলাকায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এসব ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা হলে আব্দুল জলিল মাতবর বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অপরদিকে ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারী জামিনে মুক্ত হয়ে এলাকা ছেড়ে গেছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্তমানে কুদ্দুস ব্যাপারীর সমর্থক তাইজুল ইসলাম ছৈয়াল এবং জলিল মাতবরের সমর্থক নাসির ব্যাপারীর লোকজন নতুন করে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছেন।
এর আগে গত ৩ জানুয়ারি বুধাইরহাট এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর জেরে পরদিন সকালে বুধাইরহাট বাজারে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় বাজারের দুটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দুটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। এ সময় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরিত হলে নাসির ব্যাপারীর এক সমর্থক জাবেদ শেখের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
সবশেষ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ভোরে মুলাই ব্যাপারীকান্দি গ্রামে ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারীর বাড়ির পাশে তার চাচাতো ভাই সাগর ব্যাপারীর একটি টিনের বসতঘর বোমা বিস্ফোরণে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। এতে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বসতঘরটি নতুন নির্মিত হলেও সেখানে তখন কেউ বসবাস করছিল না।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলের অদূরে একটি ফসলের মাঠ থেকে তাইজুল ইসলাম ছৈয়ালের পক্ষের সমর্থক হিসেবে পরিচিত সোহান ব্যাপারীর মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় নবীন সরদার ও নয়ন মোল্লা নামে তাইজুল ইসলাম পক্ষের আরও দুজন গুরুতর আহত হন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নবীন সরদার মারা যান। নয়ন মোল্লা বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহম্মদ এ বিষয়ে জানান, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও সিআইডি ক্রাইম সিন ইউনিটের প্রতিবেদন ও উদ্ধারকৃত আলামতের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গত কয়েক বছরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, যাতে অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি হয়েছে। সর্বশেষ ঘটনায় দুইজন নিহত এবং একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সচিব জানান, প্রান্তিক মানুষকে গণভোট সম্পর্কে অবহিত করতে মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করে ৬৪ জেলায় ৪৯৫ উপজেলায় ভোটালাপ উঠান বৈঠক ও টেনমিনিট ব্রিফ করছে তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। মোবাইলফোন ব্যবহার করে গণভোটের নিয়ম শেখাচ্ছেন তথ্যআপা।
১৫ ঘণ্টা আগে
গত ৫ জানুয়ারি পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনে আগের সীমানা পুনর্বহাল সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) গত ২৪ ডিসেম্বরের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির সংশ্লিষ্ট অংশ স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ইসি ও এক প্রার্থীর করা আবেদনের শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভ
১৫ ঘণ্টা আগে
এদিকে চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে গাড়ির ধাক্কায় মো. আলী আব্বাস (২৮) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পিএবি সড়কের কর্ণফুলী উপজেলার দৌলতপুর ফাজিল খাঁর হাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১৫ ঘণ্টা আগে
আমি অনেক আগে থেকে বেগম খালেদা জিয়ার ভক্ত ছিলাম। তিনি সাংবাদিক হিসেবে আমাকে পছন্দ করতেন বলে জানিয়েছেন আইন, ক্রীড়া ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
১৭ ঘণ্টা আগে