
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তারের পর গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে ৯০ দিনের ‘ডিটেনশন’ তথা আটক রাখার আদেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। জননিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে তার বিরুদ্ধে এ আদেশ দেওয়া হয়েছে।
গত ১৮ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক শাখা-২ থেকে আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে ডিটেনশনের আদেশ জারি করা হয়। উপসচিব আবেদা আফসারীর সই করা আদেশে বলা হয়েছে, আটকাদেশ জারির তারিখ থেকে এ আদেশ কার্যকর হবে।
এর আগে বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এক বার্তায় বলা হয়, গাজীপুর মহানগর পুলিশের অনুরোধের ভিত্তিতে আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ দিন সকালে তাকে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লা আল মামুন জানান, বিক্রমপুরীকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এ রাখা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আটকাদেশে বলা হয়েছে, গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনারের কার্যালয় থেকে পাওয়া প্রতিবেদন ও সংযুক্ত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে সন্তুষ্ট হওয়া গেছে, আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২(চ) ধারার জননিরাপত্তা ও আইন শৃঙ্খলা পরিপন্থি ক্ষতিকর কাজ থেকে নিবৃত্ত করার জন্য অন্তরীণ রাখা প্রয়োজন।
আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে আবশ্যক বিবেচিত হওয়ায়, ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩(১) ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে আটকাদেশ জারির তারিখ থেকে ৯০ দিন গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক রাখার আদেশ দেওয়া হলো।
ডিটেনশন শব্দের অর্থ আটকাদেশ। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে ডিটেনশনের কথা বলা হয়েছে। কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার পর মুক্তি না দিয়ে এই আইনের ৩(২) ধারা অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত আসামিকে একটি নিদির্ষ্ট সময়ের জন্য বিনা বিচারে আটকাদেশের নির্দেশ দিতে পারেন।
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২ (চ) ধারায় আট ধরনের কাজকে ‘ক্ষতিকর কাজ’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এগুলো হলো—
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩ (১) ধারায় বলা হয়েছে, সরকার যদি সন্তুষ্ট হয় যে কোনো ব্যক্তিকে ‘ক্ষতিকর কাজ’ থেকে নিবৃত্ত করার জন্য আদেশ দেওয়া আবশ্যক, তাহলে ওই ব্যক্তিকে আটক রাখার আদেশ দিতে পারবে। এ ছাড়া ওই ব্যক্তিকে আদেশে উল্লেখ করা পদ্ধিতিতে এবং সময়ের আগে ও পরে বাংলাদেশ ত্যাগ করার আদেশ দিতে পারবে। তবে বাংলাদেশের কোনো নাগরিকের ক্ষেত্রে বহিষ্কারাদেশ দেওয়া যাবে না।
একই আইনের ৩(২) ধারায় বলা হয়েছে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন যে কোনো ব্যক্তিকে এই আইনের ২(চ) ধারা অনুযায়ী শেষ ছয়টি ‘ক্ষতিকর কাজ’ থেকে নিবৃত্ত রাখার জন্য আটক রাখা প্রয়োজন, তাহলে তিনি তাকে আটক রাখার আদেশ দিতে পারবেন।
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে ডিটেনশন বা আটকাদেশের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ উল্লেখ করা হয়নি। তবে আইনজীবীরা বলেন, প্রচলিত চর্চা অনুযায়ী সাধারণত কাউকে সর্বোচ্চ ৯০ দিনের জন্য আটকাদেশ দেওয়া হতে পারে। পরে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ মনে করলে এ আদেশ আরও ৩০ দিনের জন্য বাড়াতে পারে। সব মিলিয়ে ১২০ দিন পর্যন্ত কাউকে ডিটেনশনে রাখা যেতে পারে।

নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তারের পর গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে ৯০ দিনের ‘ডিটেনশন’ তথা আটক রাখার আদেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। জননিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে তার বিরুদ্ধে এ আদেশ দেওয়া হয়েছে।
গত ১৮ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক শাখা-২ থেকে আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে ডিটেনশনের আদেশ জারি করা হয়। উপসচিব আবেদা আফসারীর সই করা আদেশে বলা হয়েছে, আটকাদেশ জারির তারিখ থেকে এ আদেশ কার্যকর হবে।
এর আগে বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এক বার্তায় বলা হয়, গাজীপুর মহানগর পুলিশের অনুরোধের ভিত্তিতে আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ দিন সকালে তাকে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লা আল মামুন জানান, বিক্রমপুরীকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এ রাখা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আটকাদেশে বলা হয়েছে, গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনারের কার্যালয় থেকে পাওয়া প্রতিবেদন ও সংযুক্ত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে সন্তুষ্ট হওয়া গেছে, আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২(চ) ধারার জননিরাপত্তা ও আইন শৃঙ্খলা পরিপন্থি ক্ষতিকর কাজ থেকে নিবৃত্ত করার জন্য অন্তরীণ রাখা প্রয়োজন।
আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে আবশ্যক বিবেচিত হওয়ায়, ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩(১) ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে আটকাদেশ জারির তারিখ থেকে ৯০ দিন গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক রাখার আদেশ দেওয়া হলো।
ডিটেনশন শব্দের অর্থ আটকাদেশ। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে ডিটেনশনের কথা বলা হয়েছে। কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার পর মুক্তি না দিয়ে এই আইনের ৩(২) ধারা অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত আসামিকে একটি নিদির্ষ্ট সময়ের জন্য বিনা বিচারে আটকাদেশের নির্দেশ দিতে পারেন।
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২ (চ) ধারায় আট ধরনের কাজকে ‘ক্ষতিকর কাজ’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এগুলো হলো—
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩ (১) ধারায় বলা হয়েছে, সরকার যদি সন্তুষ্ট হয় যে কোনো ব্যক্তিকে ‘ক্ষতিকর কাজ’ থেকে নিবৃত্ত করার জন্য আদেশ দেওয়া আবশ্যক, তাহলে ওই ব্যক্তিকে আটক রাখার আদেশ দিতে পারবে। এ ছাড়া ওই ব্যক্তিকে আদেশে উল্লেখ করা পদ্ধিতিতে এবং সময়ের আগে ও পরে বাংলাদেশ ত্যাগ করার আদেশ দিতে পারবে। তবে বাংলাদেশের কোনো নাগরিকের ক্ষেত্রে বহিষ্কারাদেশ দেওয়া যাবে না।
একই আইনের ৩(২) ধারায় বলা হয়েছে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন যে কোনো ব্যক্তিকে এই আইনের ২(চ) ধারা অনুযায়ী শেষ ছয়টি ‘ক্ষতিকর কাজ’ থেকে নিবৃত্ত রাখার জন্য আটক রাখা প্রয়োজন, তাহলে তিনি তাকে আটক রাখার আদেশ দিতে পারবেন।
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে ডিটেনশন বা আটকাদেশের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ উল্লেখ করা হয়নি। তবে আইনজীবীরা বলেন, প্রচলিত চর্চা অনুযায়ী সাধারণত কাউকে সর্বোচ্চ ৯০ দিনের জন্য আটকাদেশ দেওয়া হতে পারে। পরে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ মনে করলে এ আদেশ আরও ৩০ দিনের জন্য বাড়াতে পারে। সব মিলিয়ে ১২০ দিন পর্যন্ত কাউকে ডিটেনশনে রাখা যেতে পারে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের পরিবেশ খুব ভালো। উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ।
৩ ঘণ্টা আগে
ভোটের সময় টাকা বহনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো সীমা নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, অর্থের উৎস ও ব্যবহারের বৈধতা দেখাতে পারলে ৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটকে সামনে রেখে ঢাকার ১ হাজার ৪০০ কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) এই তথ্য জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটে বিজয়ী হলেও বিএনপি মনোনীত চার প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। তারা হলেন—চট্টগ্রাম-৪ আসনের আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ আসনের সারোয়ার আলমগীর, শেরপুর-২ আসনের ফাহিম চৌধুরী ও কুমিল্লা-১০ আসনের প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া।
৪ ঘণ্টা আগে