
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ ঘিরে সমঝোতা ব্যত্যয়, অব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা ঝুঁকির অভিযোগ তুলে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমের কাছে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা চেয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় ১৫ প্রকাশক। ‘প্রকাশক ঐক্যে’র পক্ষে সই করা এক চিঠিতে তারা মেলার সার্বিক পরিবেশের অবনতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
চিঠিতে প্রকাশকরা জানান, নানাবিধ প্রতিকূলতা ও সময়স্বল্পতা সত্ত্বেও শুধুমাত্র মেলা ও নতুন সরকারের প্রতি সহযোগিতার মনোভাব থেকেই তারা এবারের মেলায় অংশ নিয়েছেন। তবে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে বইমেলা শুরুর পর প্রথম ছয় দিনের অভিজ্ঞতায় পাঠক সমাগম নিয়ে পূর্বের আশঙ্কা ‘নিদারুণভাবে’ বাস্তবে প্রমাণিত হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তারা।
প্রকাশকরা আরও জানান, তারা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছেন— মেলার সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং সমঝোতার ব্যত্যয় হয়েছে। এ বিষয়গুলো মেলার সুষ্ঠু পরিবেশ এবং প্রকাশকদের নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ, অস্বচ্ছ ও বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্তের প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেছেন তারা।
‘স্টল বরাদ্দে শর্তভঙ্গ ও বৈষম্য’
প্রকাশকদের অভিযোগ, বাংলা একাডেমির সঙ্গে ‘প্রকাশক ঐক্যে’র সমঝোতা অনুযায়ী এবারের মেলায় সব প্যাভিলিয়ন বাতিল করে সর্বোচ্চ পাঁচ ইউনিটের স্টল বরাদ্দ দেওয়ার কথা ছিল। সে অনুযায়ী ঐতিহ্যবাহী ও শীর্ষ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পাঁচ ইউনিটের স্টল দেওয়া হলেও, ‘অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায়’ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ছয় ইউনিটের স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনাকে তারা ‘স্পষ্ট প্রতারণা’ হিসেবে উল্লেখ করে বিষয়টির সুস্পষ্ট ও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দাবি করেছেন।
‘অবকাঠামোগত ত্রুটি ও স্বাস্থ্যঝুঁকি’
চিঠিতে বলা হয়, মেলার মাঠের অবকাঠামো অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে। দুই সারির স্টলের মাঝখানের রাস্তায় ইট না বিছানো, খোঁড়াখুঁড়ির ফলে গর্ত ও মাটির বড় বড় ঢেলা পড়ে থাকা এবং নিয়মিত পানি না ছিটানোয় প্রচুর ধুলাবালি উড়ছে। এতে পাঠক, দর্শনার্থী ও স্টলকর্মীরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
সন্ধ্যার পর মশার উপদ্রবও চরম আকার ধারণ করছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে মশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না বলেও দাবি করেন প্রকাশকরা।
‘অবৈধ মাদক বিক্রি ও হকারদের অবাধ বিচরণ’
মেলার সার্বিক পরিবেশকে ‘শোচনীয়’ অবিহিত করে চিঠিতে বলা হয়, প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে মেলা প্রাঙ্গণে গাঁজাসহ অবৈধ মাদক বিক্রি ও সেবনের ঘটনা ঘটছে। পাশাপাশি হকাররা ভেতরে ঢুকে বাদাম, ঝালমুড়ি এমনকি সিগারেট বিক্রি করছে, যা বইমেলার পরিবেশকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করছে।
‘নিরাপত্তা ঝুঁকি’
রাতে স্টল বন্ধের পর ছিন্নমূল ও বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশে প্রকাশকদের কোটি টাকার বই ও সম্পদের চরম নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
চিঠিতে প্রকাশক ঐক্য স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা মেলা কর্তৃপক্ষের প্রতিপক্ষ নন; বরং গঠনমূলক সমালোচকের ভূমিকায় সহযোগিতা করতে চান। সুশৃঙ্খল, নিরাপদ ও সর্বজনগ্রাহ্য বইমেলা আয়োজনই উভয় পক্ষের অভিন্ন চাওয়া।
এ প্রেক্ষিতে আগামী বৃহস্পতিবারের (৫ মার্চ) মধ্যে মেলার অবকাঠামো, পরিবেশ, নিরাপত্তা ও হকার সমস্যার দ্রুত সমাধান এবং ‘সমঝোতার শর্তভঙ্গ করে’ ছয় ইউনিট স্টল বরাদ্দ বিষয়ে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের কাছে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রকাশকরা।
‘প্রকাশক ঐক্যে’র পক্ষে চিঠিতে সই করা প্রকাশকরা হলেন— মেছবাহউদ্দীন আহমদ (আহমদ পাবলিশিং হাউজ), এ কে নাসির আহমেদ (কাকলী), মনিরুল হক (অনন্যা), মাজহারুল ইসলাম (অন্যপ্রকাশ), সৈয়দ জাকির হোসাইন (অ্যাডর্ন পাবলিকেশন), জসীম উদ্দিন (কথাপ্রকাশ), মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন (বাতিঘর প্রকাশনী), মো. মোবারক হোসেন (পাণ্ডুলিপি সমন্বয়ক, প্রথমা প্রকাশন), মো. গফুর হোসেন (রিদম প্রকাশনা সংস্থা), ইকবাল হোসেন সানু (লাবনী), দীপঙ্কর দাশ (বাতিঘর), কামরুল হাসান শায়ক (পাঞ্জেরি পাবলিকেশন্স), মো. জহির দীপ্তি (ইতি প্রকাশন), মাহ্রুখ মহিউদ্দীন (ইউপিএল) এবং মাহাবুব রাহমান (আদর্শ)।

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ ঘিরে সমঝোতা ব্যত্যয়, অব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা ঝুঁকির অভিযোগ তুলে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমের কাছে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা চেয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় ১৫ প্রকাশক। ‘প্রকাশক ঐক্যে’র পক্ষে সই করা এক চিঠিতে তারা মেলার সার্বিক পরিবেশের অবনতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
চিঠিতে প্রকাশকরা জানান, নানাবিধ প্রতিকূলতা ও সময়স্বল্পতা সত্ত্বেও শুধুমাত্র মেলা ও নতুন সরকারের প্রতি সহযোগিতার মনোভাব থেকেই তারা এবারের মেলায় অংশ নিয়েছেন। তবে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে বইমেলা শুরুর পর প্রথম ছয় দিনের অভিজ্ঞতায় পাঠক সমাগম নিয়ে পূর্বের আশঙ্কা ‘নিদারুণভাবে’ বাস্তবে প্রমাণিত হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তারা।
প্রকাশকরা আরও জানান, তারা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছেন— মেলার সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং সমঝোতার ব্যত্যয় হয়েছে। এ বিষয়গুলো মেলার সুষ্ঠু পরিবেশ এবং প্রকাশকদের নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ, অস্বচ্ছ ও বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্তের প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেছেন তারা।
‘স্টল বরাদ্দে শর্তভঙ্গ ও বৈষম্য’
প্রকাশকদের অভিযোগ, বাংলা একাডেমির সঙ্গে ‘প্রকাশক ঐক্যে’র সমঝোতা অনুযায়ী এবারের মেলায় সব প্যাভিলিয়ন বাতিল করে সর্বোচ্চ পাঁচ ইউনিটের স্টল বরাদ্দ দেওয়ার কথা ছিল। সে অনুযায়ী ঐতিহ্যবাহী ও শীর্ষ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পাঁচ ইউনিটের স্টল দেওয়া হলেও, ‘অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায়’ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ছয় ইউনিটের স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনাকে তারা ‘স্পষ্ট প্রতারণা’ হিসেবে উল্লেখ করে বিষয়টির সুস্পষ্ট ও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দাবি করেছেন।
‘অবকাঠামোগত ত্রুটি ও স্বাস্থ্যঝুঁকি’
চিঠিতে বলা হয়, মেলার মাঠের অবকাঠামো অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে। দুই সারির স্টলের মাঝখানের রাস্তায় ইট না বিছানো, খোঁড়াখুঁড়ির ফলে গর্ত ও মাটির বড় বড় ঢেলা পড়ে থাকা এবং নিয়মিত পানি না ছিটানোয় প্রচুর ধুলাবালি উড়ছে। এতে পাঠক, দর্শনার্থী ও স্টলকর্মীরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
সন্ধ্যার পর মশার উপদ্রবও চরম আকার ধারণ করছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে মশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না বলেও দাবি করেন প্রকাশকরা।
‘অবৈধ মাদক বিক্রি ও হকারদের অবাধ বিচরণ’
মেলার সার্বিক পরিবেশকে ‘শোচনীয়’ অবিহিত করে চিঠিতে বলা হয়, প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে মেলা প্রাঙ্গণে গাঁজাসহ অবৈধ মাদক বিক্রি ও সেবনের ঘটনা ঘটছে। পাশাপাশি হকাররা ভেতরে ঢুকে বাদাম, ঝালমুড়ি এমনকি সিগারেট বিক্রি করছে, যা বইমেলার পরিবেশকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করছে।
‘নিরাপত্তা ঝুঁকি’
রাতে স্টল বন্ধের পর ছিন্নমূল ও বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশে প্রকাশকদের কোটি টাকার বই ও সম্পদের চরম নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
চিঠিতে প্রকাশক ঐক্য স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা মেলা কর্তৃপক্ষের প্রতিপক্ষ নন; বরং গঠনমূলক সমালোচকের ভূমিকায় সহযোগিতা করতে চান। সুশৃঙ্খল, নিরাপদ ও সর্বজনগ্রাহ্য বইমেলা আয়োজনই উভয় পক্ষের অভিন্ন চাওয়া।
এ প্রেক্ষিতে আগামী বৃহস্পতিবারের (৫ মার্চ) মধ্যে মেলার অবকাঠামো, পরিবেশ, নিরাপত্তা ও হকার সমস্যার দ্রুত সমাধান এবং ‘সমঝোতার শর্তভঙ্গ করে’ ছয় ইউনিট স্টল বরাদ্দ বিষয়ে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের কাছে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রকাশকরা।
‘প্রকাশক ঐক্যে’র পক্ষে চিঠিতে সই করা প্রকাশকরা হলেন— মেছবাহউদ্দীন আহমদ (আহমদ পাবলিশিং হাউজ), এ কে নাসির আহমেদ (কাকলী), মনিরুল হক (অনন্যা), মাজহারুল ইসলাম (অন্যপ্রকাশ), সৈয়দ জাকির হোসাইন (অ্যাডর্ন পাবলিকেশন), জসীম উদ্দিন (কথাপ্রকাশ), মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন (বাতিঘর প্রকাশনী), মো. মোবারক হোসেন (পাণ্ডুলিপি সমন্বয়ক, প্রথমা প্রকাশন), মো. গফুর হোসেন (রিদম প্রকাশনা সংস্থা), ইকবাল হোসেন সানু (লাবনী), দীপঙ্কর দাশ (বাতিঘর), কামরুল হাসান শায়ক (পাঞ্জেরি পাবলিকেশন্স), মো. জহির দীপ্তি (ইতি প্রকাশন), মাহ্রুখ মহিউদ্দীন (ইউপিএল) এবং মাহাবুব রাহমান (আদর্শ)।

মন্ত্রী বলেন, দলীয় প্রতীক না থাকায় এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে আরও বেশি প্রতিযোগিতামূলক। গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে জনবান্ধব ও সত্যিকারের প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করতে এখন থেকেই ভোটার ও নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮টিতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া, টিকার ঘাটতি এবং মৃত্যুর ক্রমবর্ধমান হারের ওপর ভিত্তি করে পরিস্থিতিকে জাতীয়ভাবে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে মূল্যায়ন করেছে সংস্থাটি।
৮ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে সার্ক সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করেন। সদস্য রাষ্ট্রসমূহের প্রতিনিধিদলগুলো সার্কের উন্নয়নের জন্য তাদের নিজ নিজ জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকার তুলে ধরে।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৪২ জন মারা গেছেন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৯৮ জন।
৮ ঘণ্টা আগে