
চট্টগ্রাম ব্যুরো

সংঘর্ষের পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আজকের (রোববার) সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
রোববার (৩১ আগস্ট) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক কামাল উদ্দিন।
অধ্যাপক কামাল বলেন, “রাতে হামলার ঘটনায় অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অনেকের পরীক্ষা ছিল। এ অবস্থায় আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।”
প্রসঙ্গত, শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। হামলার সময় পুলিশ, প্রক্টর ও নিরাপত্তা বাহিনীর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি শেষে ক্যাম্পাসে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

সংঘর্ষের পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আজকের (রোববার) সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
রোববার (৩১ আগস্ট) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক কামাল উদ্দিন।
অধ্যাপক কামাল বলেন, “রাতে হামলার ঘটনায় অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অনেকের পরীক্ষা ছিল। এ অবস্থায় আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।”
প্রসঙ্গত, শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। হামলার সময় পুলিশ, প্রক্টর ও নিরাপত্তা বাহিনীর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি শেষে ক্যাম্পাসে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের মধ্যে ৯ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত বাস থেকে শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা নেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
পোস্টে সারজিস আলম লেখেন, ‘আজমেরী হক বাঁধন, আমরা আপনাকে নিয়ে গর্বিত। আপনি এই দেশের জন্য লড়াই করেছেন, দেশের মানুষকে স্বৈরাচার থেকে মুক্ত করার জন্য লড়াই করেছেন।’
৩ ঘণ্টা আগে
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যায়, নিজেদের ছাত্রলীগ কর্মী বলে দাবি করা কয়েকজন ব্যক্তি বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ অ্যাখ্যা দিয়ে গালিগালাজ করছেন এবং তার ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, চলচ্চিত্র উৎসব প্রাঙ্গণে বাঁধনের উপস্থিতি কেন্দ্র করে রাজনৈতিক স্লোগান ও বাগবিতণ্ডা শু
৩ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী দেশে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু সরকারি হাসপাতালগুলোতে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৩০ হাজার ৩১১ জন চিকিৎসক। এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালে অনুমোদিত জনবল কাঠামো অনুযায়ীও চিকিৎসকের শূন্য পদ রয়েছে ১১ হাজার ৪৯৫টি।
১২ ঘণ্টা আগে