
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পুরস্কারপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিক সালিম সামাদ মারা গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানী ঢাকার নিজ বাসায় তার মৃত্যু হয়।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্য সালিম সামাদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ ও সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া। এক বার্তায় তারা জানান, দুপুর আড়াইটায় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে তার জানাজা হবে।
দক্ষিণ এশিয়ায় অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় ৩৫ বছরেরও বেশি সময় কাজ করেছেন সালিম সামাদ। সংঘাত, নিরাপত্তা, জোরপূর্বক অভিবাসন, ইসলামিক জিহাদ, সুশাসন, নির্বাচনি গণতন্ত্র ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে অসংখ্য প্রতিবেদন করেছেন তিনি।
১৯৯১ সালে পরিবেশ ও উন্নয়ন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ছোট শহরের সাংবাদিকদের সংবেদনশীল করে তুলতে কর্মশালা আয়োজনের মাধ্যমে পথ প্রদর্শনের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে অশোকা ফেলোশিপ প্রদান করা হয়।
২০০২ সালের নভেম্বরে সালিম সামাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা হয়। সে মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ৫৫ দিন জেল খাটেন তিনি। পরে ২০০৪ সালে দেশের বাইরে চলে যান এবং ছয় বছর পর দেশে ফেরেন।
ইউএসএআইডি, ইউনিসেফ, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন ও দুবাই কেয়ার্সসহ বহু আন্তর্জাতিক সংস্থায় গণমাধ্যম উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন সালিম সামাদ।
গত ২০ জানুয়ারি নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে সস্ত্রীক ছবিসহ জীবনানন্দ দাসের 'আবার আসিব ফিরে' কবিতার প্রথম কয়েকটি পঙ্ক্তি উদ্ধৃত করে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন সালিম সামাদ। লিখেছিলেন, আরও একবার তাকে ফিরতে হয়েছে সাভারের পক্ষাঘাত পুনর্বাসন কেন্দ্রে (সিআরপি)। ওই সময় তিনি ঠিকমতো দাঁড়াতে ও হাঁটতে পারছিলেন না।
একদিন পর আবার সাভারের সিআরপিতে থাকা অবস্থায় আরও একটি ছবি পোস্ট করেছিলন তিনি। সিআরপির মাসকিউলোস্কেলিটন ইউনিটের সামনে তোলা সে ছবিতেও তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী জেসমিন সুলতানা। লিখেছিলেন, আমি আর জেসমিন এক সাথে সিআরপি সাভারে আছি। দুজনই ট্রিটমেন্ট নিচ্ছি। দুইজনেরই পা ব্যথা।
সম্পূর্ণ সুস্থ না হলেও সিআরপি থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছিলেন সালিম সামাদ। এর কয়েক দিনের মাথায় ক্যান্সারসহ সব শারীরিক জটিলতার কাছে হার মানলেন তিনি। পাড়ি জমালেন না ফেরার দেশে।

পুরস্কারপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিক সালিম সামাদ মারা গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানী ঢাকার নিজ বাসায় তার মৃত্যু হয়।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্য সালিম সামাদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ ও সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া। এক বার্তায় তারা জানান, দুপুর আড়াইটায় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে তার জানাজা হবে।
দক্ষিণ এশিয়ায় অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় ৩৫ বছরেরও বেশি সময় কাজ করেছেন সালিম সামাদ। সংঘাত, নিরাপত্তা, জোরপূর্বক অভিবাসন, ইসলামিক জিহাদ, সুশাসন, নির্বাচনি গণতন্ত্র ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে অসংখ্য প্রতিবেদন করেছেন তিনি।
১৯৯১ সালে পরিবেশ ও উন্নয়ন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ছোট শহরের সাংবাদিকদের সংবেদনশীল করে তুলতে কর্মশালা আয়োজনের মাধ্যমে পথ প্রদর্শনের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে অশোকা ফেলোশিপ প্রদান করা হয়।
২০০২ সালের নভেম্বরে সালিম সামাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা হয়। সে মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ৫৫ দিন জেল খাটেন তিনি। পরে ২০০৪ সালে দেশের বাইরে চলে যান এবং ছয় বছর পর দেশে ফেরেন।
ইউএসএআইডি, ইউনিসেফ, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন ও দুবাই কেয়ার্সসহ বহু আন্তর্জাতিক সংস্থায় গণমাধ্যম উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন সালিম সামাদ।
গত ২০ জানুয়ারি নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে সস্ত্রীক ছবিসহ জীবনানন্দ দাসের 'আবার আসিব ফিরে' কবিতার প্রথম কয়েকটি পঙ্ক্তি উদ্ধৃত করে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন সালিম সামাদ। লিখেছিলেন, আরও একবার তাকে ফিরতে হয়েছে সাভারের পক্ষাঘাত পুনর্বাসন কেন্দ্রে (সিআরপি)। ওই সময় তিনি ঠিকমতো দাঁড়াতে ও হাঁটতে পারছিলেন না।
একদিন পর আবার সাভারের সিআরপিতে থাকা অবস্থায় আরও একটি ছবি পোস্ট করেছিলন তিনি। সিআরপির মাসকিউলোস্কেলিটন ইউনিটের সামনে তোলা সে ছবিতেও তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী জেসমিন সুলতানা। লিখেছিলেন, আমি আর জেসমিন এক সাথে সিআরপি সাভারে আছি। দুজনই ট্রিটমেন্ট নিচ্ছি। দুইজনেরই পা ব্যথা।
সম্পূর্ণ সুস্থ না হলেও সিআরপি থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছিলেন সালিম সামাদ। এর কয়েক দিনের মাথায় ক্যান্সারসহ সব শারীরিক জটিলতার কাছে হার মানলেন তিনি। পাড়ি জমালেন না ফেরার দেশে।

পথচারীরা গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
১ ঘণ্টা আগে
মেলার প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রকাশকদের সুবিধার্থে এবারের বইমেলায় স্টল ভাড়া সম্পূর্ণ মওকুফ করার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। বিশেষ এই দিনটিকে ঘিরে শিক্ষা ও সংস্কৃতি অঙ্গনে এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, বিশেষ করে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, জনশক্তি রপ্তানি এবং জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে