
বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানের রুমা ও থানচির সীমান্তবর্তী বাকলাই এলাকায় দুই ব্যক্তির মরদেহ পাওয়া গেছে। রোববার (২৮ এপ্রিল) সকালে ওই এলাকার জঙ্গলে মরদেহ দুটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ পুলিশ এসে উদ্ধার করে।
তাদের পরনে কেএনএফের পোষাক থাকায় ধারণা করা হচ্ছে মরদেহ দুটি কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) সদস্য। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
পুলিশ জানায়, রবিবার সকালে রুমা ও থানচির বাকলাই এলাকায় দুটি মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। তারা কে বা কারা সে বিষয়ে জানা না গেলেও তারা কেএনএফের পোষাক পরিহিত বলে জানায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এসময় ৩টি অস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ, ওয়াকিটকি, মোবাইল ও অন্যান্য সরাঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসীম উদ্দীন বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় ৩টি অস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ, ওয়াকিটকি, মোবাইল ও অন্যান্য সরাঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।’
ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় রুমা ও থানচিতে কেএনএফ সন্ত্রাসীদের ধরতে পরিচালিত হচ্ছে যৌথ অভিযান। এ পর্যন্ত যৌথ অভিযানে কেএনএফের ৭৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত কেএনএফ ও যৌথ বাহিনী অভিযানে ৬ সেনা সদস্য নিহত হন। এছাড়া, কেএনএফ সদস্য নিহত হয় ১৯ জন। আহত হয়েছে অর্ধ শতাধিক এবং অপহরণের শিকার হয় অন্তত ৩০ জন।

বান্দরবানের রুমা ও থানচির সীমান্তবর্তী বাকলাই এলাকায় দুই ব্যক্তির মরদেহ পাওয়া গেছে। রোববার (২৮ এপ্রিল) সকালে ওই এলাকার জঙ্গলে মরদেহ দুটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ পুলিশ এসে উদ্ধার করে।
তাদের পরনে কেএনএফের পোষাক থাকায় ধারণা করা হচ্ছে মরদেহ দুটি কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) সদস্য। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
পুলিশ জানায়, রবিবার সকালে রুমা ও থানচির বাকলাই এলাকায় দুটি মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। তারা কে বা কারা সে বিষয়ে জানা না গেলেও তারা কেএনএফের পোষাক পরিহিত বলে জানায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এসময় ৩টি অস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ, ওয়াকিটকি, মোবাইল ও অন্যান্য সরাঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসীম উদ্দীন বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় ৩টি অস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ, ওয়াকিটকি, মোবাইল ও অন্যান্য সরাঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।’
ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় রুমা ও থানচিতে কেএনএফ সন্ত্রাসীদের ধরতে পরিচালিত হচ্ছে যৌথ অভিযান। এ পর্যন্ত যৌথ অভিযানে কেএনএফের ৭৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত কেএনএফ ও যৌথ বাহিনী অভিযানে ৬ সেনা সদস্য নিহত হন। এছাড়া, কেএনএফ সদস্য নিহত হয় ১৯ জন। আহত হয়েছে অর্ধ শতাধিক এবং অপহরণের শিকার হয় অন্তত ৩০ জন।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী।
২ ঘণ্টা আগে
পরিচয় শনাক্তের জন্য সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
২ ঘণ্টা আগে