
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের মন্তব্য করার পেছনে সমাজের একটি বড় অংশেরও দায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, সবসময় এ জন্য শুধু বিদেশি কূটনীতিকদের দোষারোপ করা ঠিক নয়।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) ও ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন—বাংলাদেশের নির্বাচনসহ বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি কূটনীতিকরা প্রায়ই মন্তব্য করেন। অথচ ভারতে অবস্থানরত কূটনীতিকরা এমন মন্তব্য করেন না বা তাদের করতে দেওয়া হয় না। এ বিষয়টিকে হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখা উচিত কি না?
জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, প্রত্যেক দেশে ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে কিছু কূটনৈতিক ট্র্যাডিশন গড়ে ওঠে। ভারতের ক্ষেত্রে এক ধরনের ট্র্যাডিশন রয়েছে, আবার আমাদের দেশেও একটি ভিন্ন ধরনের ট্র্যাডিশন তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে কূটনৈতিক কমিউনিটির অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলার বিষয়টি এখন এক ধরনের সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। অনেক সময় আমার মনে হয়েছে, সমাজের বড় একটি অংশও চায় তারা এসব বিষয়ে কথা বলুক। সে কারণে শুধু বিদেশি কূটনীতিকদের দোষ দেওয়া ঠিক হবে না। এটি আমাদের সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে।
অনুষ্ঠানে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন লিলার বক্তব্য দেন। ডিক্যাব সভাপতি এ কে এম মঈনুদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবু হেনা ইমরুল কায়েস।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের মন্তব্য করার পেছনে সমাজের একটি বড় অংশেরও দায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, সবসময় এ জন্য শুধু বিদেশি কূটনীতিকদের দোষারোপ করা ঠিক নয়।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) ও ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন—বাংলাদেশের নির্বাচনসহ বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি কূটনীতিকরা প্রায়ই মন্তব্য করেন। অথচ ভারতে অবস্থানরত কূটনীতিকরা এমন মন্তব্য করেন না বা তাদের করতে দেওয়া হয় না। এ বিষয়টিকে হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখা উচিত কি না?
জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, প্রত্যেক দেশে ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে কিছু কূটনৈতিক ট্র্যাডিশন গড়ে ওঠে। ভারতের ক্ষেত্রে এক ধরনের ট্র্যাডিশন রয়েছে, আবার আমাদের দেশেও একটি ভিন্ন ধরনের ট্র্যাডিশন তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে কূটনৈতিক কমিউনিটির অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলার বিষয়টি এখন এক ধরনের সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। অনেক সময় আমার মনে হয়েছে, সমাজের বড় একটি অংশও চায় তারা এসব বিষয়ে কথা বলুক। সে কারণে শুধু বিদেশি কূটনীতিকদের দোষ দেওয়া ঠিক হবে না। এটি আমাদের সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে।
অনুষ্ঠানে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন লিলার বক্তব্য দেন। ডিক্যাব সভাপতি এ কে এম মঈনুদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবু হেনা ইমরুল কায়েস।

ভবিষ্যতে বিদেশ সফরের প্রয়োজন বিবেচনায় অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা ইতোমধ্যে কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, তিনি নিজে কিংবা তাঁর স্ত্রী কেউই এখনো কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেননি।
২ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টা ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে দক্ষ ও সাশ্রয়ী শ্রমিকের বিশাল বাজার রয়েছে। সরকার বাংলাদেশকে বিশ্ব বাণিজ্যের একটি ম্যানুফ্যাকচারিং হাবে পরিণত করতে কাজ করছে। ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার ২০২৬ সালে একটি ‘ইইউ-বাংলাদেশ বিজন
৩ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন বলেছেন, ১৯৯১ সালের নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়েছিল। এবারের নির্বাচনে এর চেয়ে বেশি ভোট পড়বে বলে সরকার আশাবাদী।
৪ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, ‘আপনারা সবসময় বলেন, আইনশৃঙ্খলা কন্ট্রোল করি না। দেখেন এখানে আপনারা কয়জন সাংবাদিক, এই কয়জনের কথা বলাটা বন্ধ করতে অনেক সময় লেগে যায়। তো দেশের ১৮ কোটি লোকের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা অনেক ডিফিকাল্ট কাজ।’
৪ ঘণ্টা আগে