
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফিরতে কোনো বাধা নেই। তিনি চাইলে যেকোনো সময় আসতে পারেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে গাজীপুরের সালনা হাইওয়ে থানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আলাপকালে এমনটা জানান তিনি।
লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের বৈঠকের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দেশে ফেরা সহজ হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, উনার তো দেশে ফিরতে কোনো অসুবিধা নেই। উনি বাংলাদেশের নাগরিক, যেকোনো সময় ইচ্ছা করলেই দেশে ফিরতে পারেন।
সীমান্তে পুশইন ইস্যু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের বাংলাদেশি নাগরিক যদি তাদের দেশে (ভারত) থাকে, তাহলে অবশ্যই নেব। কিন্তু এটার জন্য তাদের প্রোপার চ্যানেলে (নির্ধারিত প্রক্রিয়ায়) আসতে হবে। তারা (ভারত) এটা অনুসরণ না করে জঙ্গলে, রাস্তায় অমানবিকভাবে এমনটা করছে।
আমাদের দিল্লির হাইকমিশনারকেও বিষয়টি আমরা জানিয়েছি, আমাদের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা কথা বলেছেন।
ভারতসহ বাইরের দেশ থেকে আগতদের মাধ্যমে কোভিড মহামারি ঠেকাতে বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থানে সচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
সেই সঙ্গে সাংবাদিকদের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, খণ্ডিত রিপোর্ট আমাদের পাশের দেশ তাদের স্বার্থে ব্যবহার করে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অন্যদের মধ্যে গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার ড. নাজমুল করিম খান, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার ভ. যাবের সাদেকসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিন সালনা হাইওয়ে থানা পরিদর্শন শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) গাজীপুর ব্যাটালিয়ন ও বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করার কথা রয়েছে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফিরতে কোনো বাধা নেই। তিনি চাইলে যেকোনো সময় আসতে পারেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে গাজীপুরের সালনা হাইওয়ে থানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আলাপকালে এমনটা জানান তিনি।
লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের বৈঠকের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দেশে ফেরা সহজ হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, উনার তো দেশে ফিরতে কোনো অসুবিধা নেই। উনি বাংলাদেশের নাগরিক, যেকোনো সময় ইচ্ছা করলেই দেশে ফিরতে পারেন।
সীমান্তে পুশইন ইস্যু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের বাংলাদেশি নাগরিক যদি তাদের দেশে (ভারত) থাকে, তাহলে অবশ্যই নেব। কিন্তু এটার জন্য তাদের প্রোপার চ্যানেলে (নির্ধারিত প্রক্রিয়ায়) আসতে হবে। তারা (ভারত) এটা অনুসরণ না করে জঙ্গলে, রাস্তায় অমানবিকভাবে এমনটা করছে।
আমাদের দিল্লির হাইকমিশনারকেও বিষয়টি আমরা জানিয়েছি, আমাদের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা কথা বলেছেন।
ভারতসহ বাইরের দেশ থেকে আগতদের মাধ্যমে কোভিড মহামারি ঠেকাতে বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থানে সচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
সেই সঙ্গে সাংবাদিকদের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, খণ্ডিত রিপোর্ট আমাদের পাশের দেশ তাদের স্বার্থে ব্যবহার করে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অন্যদের মধ্যে গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার ড. নাজমুল করিম খান, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার ভ. যাবের সাদেকসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিন সালনা হাইওয়ে থানা পরিদর্শন শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) গাজীপুর ব্যাটালিয়ন ও বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করার কথা রয়েছে।

বেনজীরকে ‘জঘন্য হত্যাকারী’ আখ্যা দিয়ে সংসদে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের কাছে যে তথ্য আছে তাতে বেনজীর ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র সেন্ট লুসিয়ায় যাননি। দুবাইয়ে আছেন। তাকে দুবাই থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে জাতীয় সংসদে ক্ষোভ জানিয়েছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। দুবাইয়ে গ্রেপ্তারের পরও বেনজীরের জামিনে মুক্তি এবং পরে তার সেন্ট লুসিয়ায় যাওয়ার খবর জানিয়ে তারা দ্রুত তাকে দেশে ফিরিয়ে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
নোটিশে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকীতে বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি হতাশ ও লজ্জিত হয়েছেন। তার দাবি, প্রবীণ কিছু মানুষ ছিলেন অনুষ্ঠানের বক্তা ও শ্রোতা, যাদের বয়স ৭০ থেকে ৮০ বছরের বেশি।
১৬ ঘণ্টা আগে
নুর মোহাম্মদ এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন। পরে আদালত থেকে জামিন নিয়ে তিনি পলাতক হন। মামলার রায় ঘোষণার সময়ও তিনি পলাতক ছিলেন। দুই যুগ পর সেই মামলায় ১০ বছরের সাজা ভোগ করতে ১০৪ বছর বয়সে কারাগারে গেলেন তিনি।
১৭ ঘণ্টা আগে