
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাত ঘণ্টারও বেশি সময় পর রাজধানীর শাহবাগ মোড়ের অবরোধ প্রত্যাহার করলেন জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবারের সদস্যরা। অভ্যুত্থানের প্রতিটি হত্যার বিচারের জন্য আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং শহিদ ও আহতদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিসহ পাঁচ দাবিতে তারা সকালে অবরোধ করেছিলেন শাহবাগ মোড়।
জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের মধ্যস্থতায় বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করেন। এ সময় শাহবাগ ঘিরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
পাঁচ দাবিতে সকাল ১১টার দিকে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছিলেন শহিদ পরিবারের সদস্যরা। তাদের দাবি ছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ না করা পর্যন্ত তারা অবরোধ চালিয়ে যাবেন।
এর মধ্যে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম সেখানে উপস্থিত হন। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা আগামী রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) শহিদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বসবেন। তবে তার এ আশ্বাসে কাজ হয়নি, অবরোধ ছাড়েননি আন্দোলনকারীরা।
পরে বিকেল পৌনে ৫টার দিকে সারজিস আলম শাহবাগ মোড়ে উপস্থিত হন। ঘণ্টাখানেক ধরে তিনি শহিদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে শহিদ পরিবারের সদস্যরা অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।
শহিদ পরিবারের কেন্দ্রীয় গ্রুপের মুখপাত্র শহিদ ইমাম হাসানের ভাই রবিউল আউয়াল বলেন, সারজিস ভাই এসেছেন। আমাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে থাকা তিন ছাত্র উপদেষ্টা আজই আমাদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বসবেন। এরর আগামীকাল (শুক্রবার) সারজিস ভাই ও হাসনাত ভাই বসবেন আমাদের সঙ্গে। আর রোববার প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আমাদের শহিদ পরিবারের প্রতিনিধিরা দেখা করবেন। এসব শর্তে আমরা অবরোধ প্রত্যাহার করেছি।

সাত ঘণ্টারও বেশি সময় পর রাজধানীর শাহবাগ মোড়ের অবরোধ প্রত্যাহার করলেন জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবারের সদস্যরা। অভ্যুত্থানের প্রতিটি হত্যার বিচারের জন্য আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং শহিদ ও আহতদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিসহ পাঁচ দাবিতে তারা সকালে অবরোধ করেছিলেন শাহবাগ মোড়।
জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের মধ্যস্থতায় বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করেন। এ সময় শাহবাগ ঘিরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
পাঁচ দাবিতে সকাল ১১টার দিকে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছিলেন শহিদ পরিবারের সদস্যরা। তাদের দাবি ছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ না করা পর্যন্ত তারা অবরোধ চালিয়ে যাবেন।
এর মধ্যে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম সেখানে উপস্থিত হন। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা আগামী রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) শহিদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বসবেন। তবে তার এ আশ্বাসে কাজ হয়নি, অবরোধ ছাড়েননি আন্দোলনকারীরা।
পরে বিকেল পৌনে ৫টার দিকে সারজিস আলম শাহবাগ মোড়ে উপস্থিত হন। ঘণ্টাখানেক ধরে তিনি শহিদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে শহিদ পরিবারের সদস্যরা অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।
শহিদ পরিবারের কেন্দ্রীয় গ্রুপের মুখপাত্র শহিদ ইমাম হাসানের ভাই রবিউল আউয়াল বলেন, সারজিস ভাই এসেছেন। আমাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে থাকা তিন ছাত্র উপদেষ্টা আজই আমাদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বসবেন। এরর আগামীকাল (শুক্রবার) সারজিস ভাই ও হাসনাত ভাই বসবেন আমাদের সঙ্গে। আর রোববার প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আমাদের শহিদ পরিবারের প্রতিনিধিরা দেখা করবেন। এসব শর্তে আমরা অবরোধ প্রত্যাহার করেছি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে হয়েছে, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধর্মঘট কর্মসূচি স্থগিত থাকবে। তবে এ সময়ের মধ্যে বন্দর কর্মচারীদের গ্রেফতার, হয়রানিমূলক বদলি, সাময়িক বরখাস্তসহ পাঁচটি দাবি পূরণ না হলে ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে পুনরায় আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
২ ঘণ্টা আগে
ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ফেসবুক পেজে এক বার্তায় অ্যাম্বাসেডর ক্রিস্টেনসেন বলেন, ঢাকায় তিনি ও তার স্ত্রী ডিয়ান ডাও একসঙ্গে সিনাবন ও ডোমিনোজ উপভোগ করেছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
কমিশন জানিয়েছে, বিসিএস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা-২০১৪ অনুযায়ী এই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মনোনিত প্রার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং যথাযথ এজেন্সির মাধ্যমে প্রাক-নিয়োগ জীবনবৃত্তান্ত যাচাই শেষে সরকার চূড়ান্ত নিয়োগ দেবে। তবে এই মনোনয়ন প্রার্থীর চাকরি প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বা অধিকার প
১৬ ঘণ্টা আগে
পর্যবেক্ষক পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকার ইস্যুর ক্ষেত্রে কমিশন নিম্নোক্ত নির্দেশনা জারি করেছে - আবেদনের সাথে ইলেকশন অবজারভার-২, ইলেকশন অবজারভার-৩ ফরম যথাযথ আছে কিনা তা যাচাই করতে হবে। পর্যবেক্ষকদের জন্মতারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫ বা তার আগে হতে হবে।
১৭ ঘণ্টা আগে