
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, হাসিনার ফাঁসির দড়ি আমরা হাতে নিয়ে বসে আছি। দূর থেকে বাংলাদেশে ফিরে এসে আবারও ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার যে বক্তব্য দেয়া হচ্ছে, তা বিলুপ্তপ্রায় রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার একটি চেষ্টা মাত্র।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাঘগুজারা এলাকায় জুলাই আন্দোলনে নিহত ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে ওয়াসিমের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন, ফাতেহা পাঠ এবং বিশেষ দোয়া-মোনাজাত করা হয়।
ইশরাক হোসেন বলেন, আমি চাই, জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যার সঙ্গে যারা জড়িত ছিল, যারা নির্দেশদাতা ছিল এবং যারা মাঠপর্যায়ে সেই নির্দেশ পালন করেছে, তাদের সবার বিচার হোক।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যারা সংগ্রাম করেছেন এবং যাদের ভাইদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের দৃষ্টিতে এসব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতরা যদি কোনোদিন বাংলাদেশের মাটিতে ফিরে আসে, তবে রাজনীতি করা তো দূরের কথা, বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখা মাত্রই জনগণকে সাথে নিয়ে ফাঁসির রায় কার্যকর করার জন্য যা যা করণীয়, সবকিছু করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই আন্দোলনে অংশ নেয়া কোটি কোটি যুবক এখনও জীবিত রয়েছেন। বাংলাদেশের জনগণ আওয়ামী লীগ ও ফ্যাসিবাদকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। আমরা তাদের ফাঁসির দড়ি হাতে নিয়ে বসে আছি। তারা আসুক বাংলাদেশে, আমরাও দেখিয়ে দেবো যে বাংলাদেশের জনগণ কীভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে জানেন; যা ২০২৪ সালের জুলাই মাসে আমরা দেখিয়েছি।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ‘২০২৪ সালের আজকের এই দিনে (১৬ জুলাই) আবু সাঈদ ও ওয়াসিমসহ ছয়জন শহিদ হয়েছিলেন। এটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একটি মাইলফলক। তারা আমাদের পথ দেখিয়েছিলেন যে জুলাই আন্দোলন থেকে আর পেছনে ফেরার কোনো পথ নেই। প্রায় দুই হাজার মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে গত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের পরিসমাপ্তি ঘটেছে।’
ওয়াসিমের কবর জিয়ারতকালে আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জিয়াউদ্দীন আহমেদ (এনডিসি), পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি), ওয়াসিমের বাবা, কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই চট্টগ্রাম নগরের মুরাদপুর এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন চট্টগ্রাম কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ওয়াসিম আকরাম। তিনি পেকুয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, হাসিনার ফাঁসির দড়ি আমরা হাতে নিয়ে বসে আছি। দূর থেকে বাংলাদেশে ফিরে এসে আবারও ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার যে বক্তব্য দেয়া হচ্ছে, তা বিলুপ্তপ্রায় রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার একটি চেষ্টা মাত্র।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাঘগুজারা এলাকায় জুলাই আন্দোলনে নিহত ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে ওয়াসিমের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন, ফাতেহা পাঠ এবং বিশেষ দোয়া-মোনাজাত করা হয়।
ইশরাক হোসেন বলেন, আমি চাই, জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যার সঙ্গে যারা জড়িত ছিল, যারা নির্দেশদাতা ছিল এবং যারা মাঠপর্যায়ে সেই নির্দেশ পালন করেছে, তাদের সবার বিচার হোক।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যারা সংগ্রাম করেছেন এবং যাদের ভাইদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের দৃষ্টিতে এসব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতরা যদি কোনোদিন বাংলাদেশের মাটিতে ফিরে আসে, তবে রাজনীতি করা তো দূরের কথা, বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখা মাত্রই জনগণকে সাথে নিয়ে ফাঁসির রায় কার্যকর করার জন্য যা যা করণীয়, সবকিছু করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই আন্দোলনে অংশ নেয়া কোটি কোটি যুবক এখনও জীবিত রয়েছেন। বাংলাদেশের জনগণ আওয়ামী লীগ ও ফ্যাসিবাদকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। আমরা তাদের ফাঁসির দড়ি হাতে নিয়ে বসে আছি। তারা আসুক বাংলাদেশে, আমরাও দেখিয়ে দেবো যে বাংলাদেশের জনগণ কীভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে জানেন; যা ২০২৪ সালের জুলাই মাসে আমরা দেখিয়েছি।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ‘২০২৪ সালের আজকের এই দিনে (১৬ জুলাই) আবু সাঈদ ও ওয়াসিমসহ ছয়জন শহিদ হয়েছিলেন। এটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একটি মাইলফলক। তারা আমাদের পথ দেখিয়েছিলেন যে জুলাই আন্দোলন থেকে আর পেছনে ফেরার কোনো পথ নেই। প্রায় দুই হাজার মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে গত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের পরিসমাপ্তি ঘটেছে।’
ওয়াসিমের কবর জিয়ারতকালে আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জিয়াউদ্দীন আহমেদ (এনডিসি), পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি), ওয়াসিমের বাবা, কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই চট্টগ্রাম নগরের মুরাদপুর এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন চট্টগ্রাম কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ওয়াসিম আকরাম। তিনি পেকুয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন।

শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরবি বিভাগের সাতজন; ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ, অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ প্রোগ্রাম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং আইন বিভাগের তিনজন করে শিক্ষার্থী রয়েছেন। ভূগোল ও পরিবেশ, ইংরেজি এবং দর্শন বিভাগ থেকে শাস্তি
২ দিন আগে
নগরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।
২ দিন আগে
বিশ্বব্যাংকের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার জনমিতিক পরিবর্তন নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছে। সরকারগুলো যদি এখনই স্কুলব্যবস্থার পরিকল্পনা করে এবং এই পরিবর্তন থেকে পাওয়া সুবিধা আবার শিক্ষায় বিনিয়োগ করে, তাহলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়াকে প্রতিটি শিশুর জন্য আরও উন্নতমানের শিক্ষা নিশ্চিত করার স
২ দিন আগে
নির্দেশনায় বলা হয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব দাপ্তরিক মূল ভবন এবং জেলা পরিষদের আওতাধীন স্থাপনাগুলোতে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে।
২ দিন আগে