দেশ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় তারেক রহমানের শবে বরাতের বার্তা

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিমকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এক বাণীতে তিনি বিশ্বশান্তি, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য এবং সংহতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সোমবার এক বার্তায় তিনি এই মহিমান্বিত রজনীতে দেশ ও জাতির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া করার আহ্বান জানান।

বার্তায় তারেক রহমান বলেন, বরাত অর্থ নাজাত বা মুক্তি, শবে বরাতের রাতের গুরুত্ব অপরিসীম। শবে বরাতে পরম করুণাময় তার বান্দার জন্য খুলে দেন রহমত আর দয়ার ভান্ডার। তাই এ রাতের ফজিলত ও মর্যাদা অনেক বেশী। এই রজনী জানান দেয় রমজানের আগমনী বার্তা। এই পবিত্র রাতে ধর্মপ্রাণ বান্দারা সারারাত আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের আশায় নিজেদের ভুল-ভ্রান্তি, ত্রুটি-বিচ্যুতির জন্য মহান আল্লাহ’র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করেন। এই রাতে এমন নেক আমল করা উচিৎ, যার মাধ্যমে আল্লাহ’র রহমত ও মাগফিরাত লাভ করা যায়।

এ রাতের আরেকটি তাৎপর্য হলো নাজাত পাওয়া জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান লিখেন, বিশ্বাসী মুসলমানগণ সকল অনাচার, অপকর্ম ও অপবিত্রতা থেকে পরিত্রাণ পেতে আল্লাহ’র কাছে প্রার্থনা করেন এবং মহান রাব্বুল আলামীন অনুগ্রহ প্রার্থীদের প্রতি অনুগ্রহ করেন। আমরা সবাই সহিংসতা, রক্তপাত, হিংসা, বিদ্বেষ পরিহার করে মানব জাতির বৃহত্তর কল্যাণে সহিষ্ণুতা, সংযম ও সৌহার্দ্য অর্জনে নিজেদের নিবেদিত রাখবো, মহিমান্বিত রাতে আমাদের এই নিবেদন নিশ্চয়ই আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কবুল করবেন।

তিনি বলেন, বিশ্ব শান্তিসহ বিশ্ব মুসলিমের ঐক্য, সংহতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নিকট আমরা একান্ত মোনাজাত করবো।

পবিত্র শবে বরাতের এই রজনীতে দেশ, জাতি তথা মুসলিম বিশ্বের উত্তরোত্তর উন্নতি, কল্যাণ ও শান্তি কামনা করেন তারেক রহমান।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

‘ইকোস অব আর্থ’ পুরস্কার পেলেন ৬ ফটোসাংবাদিক

এবারের প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু ‘বায়ু, পানি ও মাটি দূষণ’ এবং ‘জ্বালানি ও পরিবেশ’। প্রতিযোগিতায় জমা পড়া ১৫০০টি ছবির মধ্য থেকে বিচারকদের রায়ে নির্বাচিত সেরা ৩৫টি ছবি প্রদর্শনীর জন্য মনোনীত হয় এবং বিজয়ী ছয়জন ফটোসাংবাদিককে পুরস্কৃত করা হয়।

৬ ঘণ্টা আগে

যমুনা এলাকায় সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহৃত হয়নি: ডিএমপি

যমুনা ও আশপাশের এলাকায় ‘বেআইনি’ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কোনো প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করা হয়নি বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

৬ ঘণ্টা আগে

প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তবে কিছু সময় পর আবারও আন্দোলনকারীরা জড়ো হয়ে যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

১২ ঘণ্টা আগে

সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামানে ছত্রভঙ্গ সরকারি কর্মচারীরা, বিজিবি মোতায়েন

১৩ ঘণ্টা আগে