মানিকগঞ্জে পৌঁছেছে পাইলট জাওয়াদের মরদেহ

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত স্কোয়াড্রন লিডার অসীম জাওয়াদের মরদেহ মানিকগঞ্জে পৌঁছেছে।

শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে তাকে বহনকারী বিমানবাহিনীর-২১৯ হেলিকপ্টার মানিকগঞ্জের শহীদ মিরাজ-তপন স্টেডিয়ামে অবতরণ করে। নিহত ছেলের বহনকারী হেলিকপ্টার দেখেই কান্নায় ভেঙে পড়েন মা নিলুফা আক্তারসহ স্বজনরা।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শহীদ মিরাজ-তপন স্টেডিয়ামে অসীম জাওয়াদের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর জেলা শহরের সেওতা কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন তিনি।

বিমানবাহিনীর উইং কমান্ডার আন্নু বলেন, পাইলট আসীম জাওয়াদের মরদেহ মানিকগঞ্জে পৌঁছানোর পর গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে তার মরদেহের কফিনটি একটি ফ্রিজিং গাড়িতে রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কর্ণফুলী নদীতে বিমানবাহিনীর ইয়াক-১৩০ প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। আকাশ থেকে বিমানটি কর্ণফুলী নদীতে ছিটকে পড়ে পানিতে তলিয়ে যায়। এর আগে পাইলট উইং কমান্ডার মো. সোহান হাসান খান ও স্কোয়াড্রন লিডার আসীম জাওয়াদ জরুরি প্যারাসুট দিয়ে বিমান থেকে নদীতে অবতরণ করেন।

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীর উদ্ধারকারী দল এবং স্থানীয় জেলেদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তাদের উদ্ধার করা হয়। আসীম জাওয়াদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য বিএনএস পতেঙ্গাতে নেওয়া হয়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

Ad
Ad
ad
ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

৬ জেলায় বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের সই করা পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

৪ ঘণ্টা আগে

২ টার্মিনালের এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বুধবার— আশা কর্তৃপক্ষের

এর আগে সামিট এলএনজি টার্মিনালের উদ্দেশে রওয়ানা হওয়া একটি এলএনজি বহনকারী জাহাজ বৈরী আবহাওয়া ও অতিরিক্ত বায়ুপ্রবাহের কারণে গত ১০ আগস্ট সিঙ্গাপুর বন্দরে ফিরে যায়। ফলে টার্মিনালটি থেকে গ্যাস সরবরাহ দৈনিক ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট কমে যায়।

১৫ ঘণ্টা আগে

৫ মাসে হাম ও উপসর্গে প্রাণহানি ছাড়াল ৯০০, গড়ে প্রতিদিন মৃত্যু ৬ জনের

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, গত পাঁচ মাস সময়ে গড়ে প্রতি মাসে হাম ও হামের উপসর্গে ১৮০ জন করে মারা গেছে। সে হিসাবে গত পাঁচ মাস ধরে গড়ে প্রতিদিন ছয়জন মারা যাচ্ছে হাম অথবা হামের উপসর্গ নিয়ে।

২০ ঘণ্টা আগে

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অবসর ও কল্যাণ ভাতার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১ দিন আগে