
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার তুলাতলী থেকে ডালবুগঞ্জ বাজার পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশায় ভোগান্তিতে পড়েছে ১৯ গ্রামের মানুষ। রাস্তার বহু অংশে গভীর গর্ত, কাঁদামাটি ও ক্ষয়ে যাওয়া কালভার্টে চলাচল বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটি বেহাল হয়ে পড়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে বিটুমিন ও ইট-সুরকি উঠে গিয়ে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্তে বৃষ্টির পানি জমে তৈরি হয়েছে দুর্ঘটনার ফাঁদ। এছাড়াও সড়কের কোনো কোনো অংশের মাটি ভেঙে নেমে গেছে। বের হয়ে গেছে ইটের খোয়া ও বালু। কোথাও কোথাও রাস্তা দেবে গিয়ে কাঁদামাটি পর্যন্ত বেরিয়ে গেছে। এমন বেহাল দশায় চলাচল করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে আশপাশের অন্তত ১৯ গ্রামের মানুষ।
এ ছাড়াও এ সড়কে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় একটি কালভার্ট রয়েছে। কালভার্টের অংশে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলের জন্য গাছের গুঁড়ি ও কাঠের টুকরা বিছানো হয়েছে। সড়কের এ অংশে প্রতিদিন হাজারো মানুষ ও শত শত যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে। অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চালকরা যাত্রী নামিয়ে কালভার্ট পার হয়।
স্থানীয়রা জানান, গত দুই বছর ধরে তুলাতলীর রাখাইন পল্লী থেকে ডালবুগঞ্জ বাজার পর্যন্ত সড়কটি পাথর-খোয়া-বালু-পিচ আর খানাখন্দে ভরে আছে। সড়কের এমন বেহাল দশায় ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন ১৪টি এবং পাশের বালিয়াতলী, মিঠাগঞ্জ ও ধূলাসার ইউনিয়নের ৫টি গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল বাশার বলেন, 'গত দুই বছর ধরে এ সড়কটির ভগ্নদশায় ভোগান্তিতে পড়েছি আমরা। জনজীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি জরুরি ভিত্তিতে মেরামত করা দরকার।'
ডালবুগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী যুথি আক্তার বলেন, সড়কটি ব্যবহার করে কলাপাড়া উপজেলা শহরে যেতে কষ্টের শেষ থাকে না। অটোতে উঠলে ভাঙা অংশের বিভিন্ন জায়গায় নামতে হয়। তাই দ্রুত এ সড়কটি মেরামত করার দাবি জানাই।

পক্ষিয়াপাড়া বাজারের দোকানদার আবদুর রশিদ খান বলেন, 'আমরা ব্যবসায়ী। দোকানের জন্য মালামাল আনা, চলাচল কোনো কিছুই শান্তিতে করতে পারি না। এই মুহূর্তে সড়কটির সংস্কার জরুরি হয়ে পড়েছে।
ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হেদায়েত উল্লাহ জেহাদি জানান, বালিয়াতলী ইউনিয়নের তুলাতলী থেকে পক্ষিয়াপাড়া বাজার পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার সড়ক কার্পেটিং করা ছিল। আর পক্ষিয়াপাড়া থেকে ডালবুগঞ্জ বাজার পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কে ইট বিছানো রয়েছে। পুরো রাস্তার তিন কিলোমিটার অংশে সিলকোট উঠে গর্ত হয়ে গেছে। বাকি দুই কিলোমিটার অংশের বিছানো ইটও দেবে গেছে।
তিনি আরও বলেন, 'ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের অন্তত ১৪ গ্রামের মানুষের উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ ক্ষেত্রে এই রাস্তা ছাড়া বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেই। গত বছর এ সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্টটি মেরামত করতে ১৫ হাজার টাকা খরচ করেছি। এখন কালভার্টটি আবারও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এ সড়কটি সংস্কারের জন্য বহুবার উপজেলা পরিষদের সভায় বলেছি। কিন্তু কোনো উপায় হয়নি।'
কলাপাড়া স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন বলেন, এ সড়কটি সংস্কারের তালিকায় রয়েছে। জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে যত দ্রুত সম্ভব, ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার তুলাতলী থেকে ডালবুগঞ্জ বাজার পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশায় ভোগান্তিতে পড়েছে ১৯ গ্রামের মানুষ। রাস্তার বহু অংশে গভীর গর্ত, কাঁদামাটি ও ক্ষয়ে যাওয়া কালভার্টে চলাচল বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটি বেহাল হয়ে পড়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে বিটুমিন ও ইট-সুরকি উঠে গিয়ে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্তে বৃষ্টির পানি জমে তৈরি হয়েছে দুর্ঘটনার ফাঁদ। এছাড়াও সড়কের কোনো কোনো অংশের মাটি ভেঙে নেমে গেছে। বের হয়ে গেছে ইটের খোয়া ও বালু। কোথাও কোথাও রাস্তা দেবে গিয়ে কাঁদামাটি পর্যন্ত বেরিয়ে গেছে। এমন বেহাল দশায় চলাচল করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে আশপাশের অন্তত ১৯ গ্রামের মানুষ।
এ ছাড়াও এ সড়কে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় একটি কালভার্ট রয়েছে। কালভার্টের অংশে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলের জন্য গাছের গুঁড়ি ও কাঠের টুকরা বিছানো হয়েছে। সড়কের এ অংশে প্রতিদিন হাজারো মানুষ ও শত শত যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে। অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চালকরা যাত্রী নামিয়ে কালভার্ট পার হয়।
স্থানীয়রা জানান, গত দুই বছর ধরে তুলাতলীর রাখাইন পল্লী থেকে ডালবুগঞ্জ বাজার পর্যন্ত সড়কটি পাথর-খোয়া-বালু-পিচ আর খানাখন্দে ভরে আছে। সড়কের এমন বেহাল দশায় ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন ১৪টি এবং পাশের বালিয়াতলী, মিঠাগঞ্জ ও ধূলাসার ইউনিয়নের ৫টি গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল বাশার বলেন, 'গত দুই বছর ধরে এ সড়কটির ভগ্নদশায় ভোগান্তিতে পড়েছি আমরা। জনজীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি জরুরি ভিত্তিতে মেরামত করা দরকার।'
ডালবুগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী যুথি আক্তার বলেন, সড়কটি ব্যবহার করে কলাপাড়া উপজেলা শহরে যেতে কষ্টের শেষ থাকে না। অটোতে উঠলে ভাঙা অংশের বিভিন্ন জায়গায় নামতে হয়। তাই দ্রুত এ সড়কটি মেরামত করার দাবি জানাই।

পক্ষিয়াপাড়া বাজারের দোকানদার আবদুর রশিদ খান বলেন, 'আমরা ব্যবসায়ী। দোকানের জন্য মালামাল আনা, চলাচল কোনো কিছুই শান্তিতে করতে পারি না। এই মুহূর্তে সড়কটির সংস্কার জরুরি হয়ে পড়েছে।
ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হেদায়েত উল্লাহ জেহাদি জানান, বালিয়াতলী ইউনিয়নের তুলাতলী থেকে পক্ষিয়াপাড়া বাজার পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার সড়ক কার্পেটিং করা ছিল। আর পক্ষিয়াপাড়া থেকে ডালবুগঞ্জ বাজার পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কে ইট বিছানো রয়েছে। পুরো রাস্তার তিন কিলোমিটার অংশে সিলকোট উঠে গর্ত হয়ে গেছে। বাকি দুই কিলোমিটার অংশের বিছানো ইটও দেবে গেছে।
তিনি আরও বলেন, 'ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের অন্তত ১৪ গ্রামের মানুষের উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ ক্ষেত্রে এই রাস্তা ছাড়া বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেই। গত বছর এ সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্টটি মেরামত করতে ১৫ হাজার টাকা খরচ করেছি। এখন কালভার্টটি আবারও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এ সড়কটি সংস্কারের জন্য বহুবার উপজেলা পরিষদের সভায় বলেছি। কিন্তু কোনো উপায় হয়নি।'
কলাপাড়া স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন বলেন, এ সড়কটি সংস্কারের তালিকায় রয়েছে। জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে যত দ্রুত সম্ভব, ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ভারতের কূটনীতিকরা চাইলে তাদের পরিবারকে সরাতেই পারেন। এটি তাদের ব্যাপার। কিন্তু নিরাপত্তা নিয়ে বাংলাদেশে কোনো শঙ্কা নেই। এ বিষয়ে তাদের সংকেত যে কী, তা আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।
৮ ঘণ্টা আগে
ইসি সচিব বলেন, তারা আমাদেরকে জানিয়েছেন যে নির্বাচন উপলক্ষে তাদের কোন পর্যবেক্ষক দল আসবে না। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বাধীন একটা দল আসবে এবং মার্কিন দূতাবাস থেকে ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও খুলনায় নিজ উদ্যোগে, নিজেদের মতো করে তারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণে যাবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
এ ছাড়া যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবির র্যাপিড অ্যাকশন টিম (র্যাট), কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ) এবং প্রয়োজনে হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে এবার বডি ওর্ন ক্যামেরা, নাইট ভিশন ডিভাইস, এপিসি ও আধুনিক সিগন্যাল সরঞ্জাম ব্যবহার করা হবে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ
১০ ঘণ্টা আগে
আগুন নিয়ন্ত্রণে তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। আরো দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাকিবুল হাসান।
১০ ঘণ্টা আগে