
অরুণ কুমার

রবীন্দ্রনাথ দুঃখী ছিলেন, রোমান্টিকও ছিলেন। তাঁর রসবোধও আমাদের বিস্ময় জাগায়। দুঃখ-বেদনা আড়াল করে মাঝে মাঝে রবীন্দ্রনাথের রসিকসত্তা বেরিয়ে আসত। রসিক রবীন্দ্রনাথ সমসাময়িক বন্ধুদের যেমন হাসিয়েছে, ইতিহাসের ঢুঁড়ে সেইসব হাসির উপদান আজও বেরিয়ে আসে মাঝে মাঝে, আমাদেরকেও হাসিয়ে মারে!
একদিন এক অদ্ভুত কাণ্ড করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ শন্তিনিকেতনের অধ্যাপক অধ্যাপক নেপাল রায়ের সঙ্গে। রবীন্দ্রনাথের সঙ্গেও ওঠাবসা ছিল নেপাল রায়ের। অবশ্য রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতনের বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতাও বটে। সুতরাং নেপাল রায়ের বড়কর্তা তিনি।
নেপাল রায় রবীন্দ্রনাথকে খুব মান্য করতেন, এমনকী ভয় পেতেন। রবীন্দ্রনাথ একদিন একটা পত্র পাঠিয়েছেন নেপাল রায়কে—আজকাল আপনি কাজে বড্ড ভুল করছেন। এটা অমার্জনীয় অপরাধ। কাল বিকেলে একবার আমার সঙ্গে দেখা করবেন, ভুলে যাওয়ার দণ্ড নিতে হবে।
চিঠি পড়ে ভয়ে নেপাল রায়ের মুখ শুকিয়ে গেল। রাতে ঠিকমতো ঘুমাতেও পারলেন না, না জানি রবিঠাকুর তাঁকে কী দণ্ড দেন। পরদিন নেপাল রায় ভয়ে ভয়ে কবিগুরুর বাসায় হাজির। কিন্তু গিয়েই কবির দেখা পেলেন না।
অনেক্ষণ অপেক্ষা করতে হলো। অপেক্ষার প্রহর এমনিতেই দীর্ঘ হয়। তার ওপর শাস্তির জন্য অপেক্ষা! উৎকণ্ঠার একেবারে দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেলেন।
দীর্ঘক্ষণ পরে রবীন্দ্রনাথ এলেন নেপাল রায়ের সামনে। হাতে একটা লাঠি।
নেপাল এমনিতেই ভয়ে কাঠ হয়ে ছিলেন, কবির হাতে লাঠি দেখে ভয় বেড়ে গেল শতগুণে —কী জানি লাঠি পিঠে নাকি মাথায় ভাঙেন। কিন্তু কবি লাঠিটা নেপাল রায়ের দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বললেন, এই নিন আপনার দণ্ড। এটাই আপনি সেদিন এখানে ফেলে গিয়েছিলেন।

রবীন্দ্রনাথ দুঃখী ছিলেন, রোমান্টিকও ছিলেন। তাঁর রসবোধও আমাদের বিস্ময় জাগায়। দুঃখ-বেদনা আড়াল করে মাঝে মাঝে রবীন্দ্রনাথের রসিকসত্তা বেরিয়ে আসত। রসিক রবীন্দ্রনাথ সমসাময়িক বন্ধুদের যেমন হাসিয়েছে, ইতিহাসের ঢুঁড়ে সেইসব হাসির উপদান আজও বেরিয়ে আসে মাঝে মাঝে, আমাদেরকেও হাসিয়ে মারে!
একদিন এক অদ্ভুত কাণ্ড করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ শন্তিনিকেতনের অধ্যাপক অধ্যাপক নেপাল রায়ের সঙ্গে। রবীন্দ্রনাথের সঙ্গেও ওঠাবসা ছিল নেপাল রায়ের। অবশ্য রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতনের বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতাও বটে। সুতরাং নেপাল রায়ের বড়কর্তা তিনি।
নেপাল রায় রবীন্দ্রনাথকে খুব মান্য করতেন, এমনকী ভয় পেতেন। রবীন্দ্রনাথ একদিন একটা পত্র পাঠিয়েছেন নেপাল রায়কে—আজকাল আপনি কাজে বড্ড ভুল করছেন। এটা অমার্জনীয় অপরাধ। কাল বিকেলে একবার আমার সঙ্গে দেখা করবেন, ভুলে যাওয়ার দণ্ড নিতে হবে।
চিঠি পড়ে ভয়ে নেপাল রায়ের মুখ শুকিয়ে গেল। রাতে ঠিকমতো ঘুমাতেও পারলেন না, না জানি রবিঠাকুর তাঁকে কী দণ্ড দেন। পরদিন নেপাল রায় ভয়ে ভয়ে কবিগুরুর বাসায় হাজির। কিন্তু গিয়েই কবির দেখা পেলেন না।
অনেক্ষণ অপেক্ষা করতে হলো। অপেক্ষার প্রহর এমনিতেই দীর্ঘ হয়। তার ওপর শাস্তির জন্য অপেক্ষা! উৎকণ্ঠার একেবারে দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেলেন।
দীর্ঘক্ষণ পরে রবীন্দ্রনাথ এলেন নেপাল রায়ের সামনে। হাতে একটা লাঠি।
নেপাল এমনিতেই ভয়ে কাঠ হয়ে ছিলেন, কবির হাতে লাঠি দেখে ভয় বেড়ে গেল শতগুণে —কী জানি লাঠি পিঠে নাকি মাথায় ভাঙেন। কিন্তু কবি লাঠিটা নেপাল রায়ের দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বললেন, এই নিন আপনার দণ্ড। এটাই আপনি সেদিন এখানে ফেলে গিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীও এই আমন্ত্রণ সাদরে গ্রহণ করেছেন। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানিয়েছেন, শিগগিরই সৌদি ক্রাউন প্রিন্সও বাংলাদেশ সফরে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রাবন্ধিক, গবেষক, সাহিত্যসমালোচক ও সমাজবিশ্লেষক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ। সোমবার সকালে তার দীর্ঘদিনের কর্মস্থল বাংলা একাডেমিতে কফিনবন্দি মরদেহ আনা হলে সহকর্মী, শিক্ষার্থী, লেখক, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা ফুল দিয়
৪ ঘণ্টা আগে
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "নতুন বছরের প্রথম দিনেই যেন শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়া যায়, তা নিশ্চিত করতেই আজকের এই পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছাপাখানার নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।"
৫ ঘণ্টা আগে
এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, পল্লী উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান এজেন্ডা। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পল্লী উন্নয়নে নির্বাচিত সরকার কাজ করছে।
৫ ঘণ্টা আগে