
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

২০২৪ সালের সাহিত্য পুরস্কারের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য বাংলা একাডেমিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন লেখক-গবেষক ড. মোহাম্মদ হাননান। এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, এই তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে, তিনি দল ও গোত্রহীন একজন লেখক।
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে এ বিবৃতি পাঠিয়েছেন ড. মোহাম্মদ হাননান। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষণায় তিনি এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। বিতর্কের মুখে এক সপ্তাহের মাথায় বাংলা একাডেমি ড. হাননানসহ তিনজনকে বাদ দিয়ে নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে।
ড. হাননান বিবৃতিতে লিখেছেন, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪ প্রাপ্তির তালিকা থেকে আমার নাম বাদ দেওয়ায় আমি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে নিজের ৪০ বছরের গবেষণা কার্যক্রমের কিছু উদাহরণ তুলে ধরেছেন ড. হাননান। লিখেছেন, বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাস নামক গ্রন্থের ১৪টি খণ্ডসহ আমার মোট গবেষণা গ্রন্থের সংখ্যা ৫৮টি। ২০টি শিশু-কিশোর সাহিত্যসহ সম্পাদিত ও অন্যান্য গ্রন্থ মিলে আমার প্রকাশনা সংখ্যা এখন ১৩৪টি। ১৯৯১ সালে আমার লেখা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস প্রকাশিত হয়। পরবর্তীকালে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আরও কাজ করি। ২০২৩ সালে প্রকাশিত হয় বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে আলেম সমাজের ভূমিকা শীর্ষক গ্রন্থ।
ড. হাননান লিখেছেন, তথ্যগুলো দিলাম এ জন্য যে আমার সম্পর্কে মানুষ খুব কমই জানে। দীর্ঘ সময় ধরে লিখলেও রাষ্ট্রীয় কোনো পুরস্কারের জন্য মনোনীত হইনি, গত ১৬ বছরেও না। এ বছর আমার জন্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার ঘোষণার পর আমার নাম বাদ দেওয়ায় আমি যে দলহীন, গোত্রহীন একজন লেখক তা প্রমাণিত হয়েছে। আমি এ জন্য স্বস্তি অনুভব করছি।
‘আমার নাম বাদ দেওয়ায় কোনো খেদ নেই, অভিযোগ নেই। তবু সবাই শান্ত থাকুক,’— বিবৃতিতে বলেন ড. হাননান।
এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি ২০২৪ সালের জন্য সাহিত্য পুরস্কারের তালিকা ঘোষণা করে বাংলা একাডেমি। ১০ জনের ওই তালিকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক তৈরি হলে ২৫ জানুয়ারি তালিকাটি স্থগিত করা হয়। বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে বলা হয়, তালিকায় থাকা কারও কারও বিষয়ে ‘কিছু অভিযোগ আসায়’ তালিকাটি স্থগিত করা হলো।
ওই দিন বাংলা একাডেমি জানায়, তিন কার্যদিবসের মধ্যে পুনর্বিবেচনা করে পুরস্কারের চূড়ান্ত তালিকা পুনর্প্রকাশ করা হবে। পরে গতকাল বুধবার (২৯ জানুয়ারি) এক সভায় সাহিত্য পুরস্কারের জন্য লেখক তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।
বাংলা একাডেমির চূড়ান্ত এই তালিকায় ড. হাননান ছাড়াও আগের তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন ফারুক নওয়াজ ও সেলিম মোরশেদ। এর মধ্যে ফারুক নওয়াজ শিশু সাহিত্য ও সেলিম মোরশেদ কথাসাহিত্যে পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন।
তিনজনকে বাদ দিয়ে বাংলা একাডেমি চূড়ান্ত যে তালিকা প্রকাশ করেছে সে অনুযায়ী পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন— মাসুদ খান (কবিতা), শুভাশিস সিনহা (নাটক ও নাট্যসাহিত্য), সলিমুল্লাহ খান (প্রবন্ধ/গদ্য), জি এইচ হাবীব (অনুবাদ), মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া (গবেষণা), রেজাউর রহমান (বিজ্ঞান) ও সৈয়দ জামিল আহমেদ (ফোকলোর)।
এদিকে পুরস্কার ঘোষণা ও স্থগিতের পর সৃষ্ট বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার বাংলা একাডেমির পুরস্কারসংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন বাংলা একাডেমির পুরস্কারের জন্য গঠিত বোর্ডের সদস্য মোরশেদ শফিউল হাসান। বাংলা একাডেমির নির্বাহী কমিটির পদ থেকে কবি সাজ্জাদ শরিফও পদত্যাগ করেছেন।

২০২৪ সালের সাহিত্য পুরস্কারের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য বাংলা একাডেমিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন লেখক-গবেষক ড. মোহাম্মদ হাননান। এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, এই তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে, তিনি দল ও গোত্রহীন একজন লেখক।
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে এ বিবৃতি পাঠিয়েছেন ড. মোহাম্মদ হাননান। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষণায় তিনি এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। বিতর্কের মুখে এক সপ্তাহের মাথায় বাংলা একাডেমি ড. হাননানসহ তিনজনকে বাদ দিয়ে নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে।
ড. হাননান বিবৃতিতে লিখেছেন, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪ প্রাপ্তির তালিকা থেকে আমার নাম বাদ দেওয়ায় আমি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে নিজের ৪০ বছরের গবেষণা কার্যক্রমের কিছু উদাহরণ তুলে ধরেছেন ড. হাননান। লিখেছেন, বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাস নামক গ্রন্থের ১৪টি খণ্ডসহ আমার মোট গবেষণা গ্রন্থের সংখ্যা ৫৮টি। ২০টি শিশু-কিশোর সাহিত্যসহ সম্পাদিত ও অন্যান্য গ্রন্থ মিলে আমার প্রকাশনা সংখ্যা এখন ১৩৪টি। ১৯৯১ সালে আমার লেখা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস প্রকাশিত হয়। পরবর্তীকালে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আরও কাজ করি। ২০২৩ সালে প্রকাশিত হয় বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে আলেম সমাজের ভূমিকা শীর্ষক গ্রন্থ।
ড. হাননান লিখেছেন, তথ্যগুলো দিলাম এ জন্য যে আমার সম্পর্কে মানুষ খুব কমই জানে। দীর্ঘ সময় ধরে লিখলেও রাষ্ট্রীয় কোনো পুরস্কারের জন্য মনোনীত হইনি, গত ১৬ বছরেও না। এ বছর আমার জন্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার ঘোষণার পর আমার নাম বাদ দেওয়ায় আমি যে দলহীন, গোত্রহীন একজন লেখক তা প্রমাণিত হয়েছে। আমি এ জন্য স্বস্তি অনুভব করছি।
‘আমার নাম বাদ দেওয়ায় কোনো খেদ নেই, অভিযোগ নেই। তবু সবাই শান্ত থাকুক,’— বিবৃতিতে বলেন ড. হাননান।
এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি ২০২৪ সালের জন্য সাহিত্য পুরস্কারের তালিকা ঘোষণা করে বাংলা একাডেমি। ১০ জনের ওই তালিকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক তৈরি হলে ২৫ জানুয়ারি তালিকাটি স্থগিত করা হয়। বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে বলা হয়, তালিকায় থাকা কারও কারও বিষয়ে ‘কিছু অভিযোগ আসায়’ তালিকাটি স্থগিত করা হলো।
ওই দিন বাংলা একাডেমি জানায়, তিন কার্যদিবসের মধ্যে পুনর্বিবেচনা করে পুরস্কারের চূড়ান্ত তালিকা পুনর্প্রকাশ করা হবে। পরে গতকাল বুধবার (২৯ জানুয়ারি) এক সভায় সাহিত্য পুরস্কারের জন্য লেখক তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।
বাংলা একাডেমির চূড়ান্ত এই তালিকায় ড. হাননান ছাড়াও আগের তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন ফারুক নওয়াজ ও সেলিম মোরশেদ। এর মধ্যে ফারুক নওয়াজ শিশু সাহিত্য ও সেলিম মোরশেদ কথাসাহিত্যে পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন।
তিনজনকে বাদ দিয়ে বাংলা একাডেমি চূড়ান্ত যে তালিকা প্রকাশ করেছে সে অনুযায়ী পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন— মাসুদ খান (কবিতা), শুভাশিস সিনহা (নাটক ও নাট্যসাহিত্য), সলিমুল্লাহ খান (প্রবন্ধ/গদ্য), জি এইচ হাবীব (অনুবাদ), মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া (গবেষণা), রেজাউর রহমান (বিজ্ঞান) ও সৈয়দ জামিল আহমেদ (ফোকলোর)।
এদিকে পুরস্কার ঘোষণা ও স্থগিতের পর সৃষ্ট বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার বাংলা একাডেমির পুরস্কারসংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন বাংলা একাডেমির পুরস্কারের জন্য গঠিত বোর্ডের সদস্য মোরশেদ শফিউল হাসান। বাংলা একাডেমির নির্বাহী কমিটির পদ থেকে কবি সাজ্জাদ শরিফও পদত্যাগ করেছেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, পুরো উৎপাদন ব্যবস্থা অর্গানিক ফ্রি-রেঞ্জ হলে বছরে প্রায় ২৩ লাখ ১৬ হাজার টন কার্বন ডাই-অক্সাইড সমতুল্য (tCO2e) গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
সমস্যা সমাধানে ব্যবসায়ীরা আশাবাদী মন্তব্য করে বিটিএম সভাপতি বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী টেক্সটাইল খাতের পরিস্থিতি বুঝার চেষ্টা করছেন। বিদ্যমান অবস্থায় সরকারের যে মনোযোগ পাওয়া যাচ্ছে তা গেলো ১৭ বছর পাওয়া গেলে বর্তমানের দুরবস্থা হতো না।’
১৫ ঘণ্টা আগে
কয়েকজন ব্যক্তির দায়ের করা রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট রায় দেন যে, সুনির্দিষ্ট কোনো মামলা না থাকলে তাদের গ্রেপ্তার, শ্যোন অ্যারেস্ট বা কোনোভাবে হয়রানি করা যাবে না। একইসাথে আবেদনকারীদের বারবার শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো এবং মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি ও নিপীড়ন করা কেন আইনি কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না
১৫ ঘণ্টা আগে
একইসঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণার রায়ের বিরুদ্ধে নিয়মিত আপিল করতে বলেছেন আদালত।
১৫ ঘণ্টা আগে