
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

‘ব্যর্থ হয়ে থাকে যদি প্রণয়ের এত আয়োজন,/ আগামী মিছিলে এসো/ স্লোগানে স্লোগানে হবে কথোপকথন। আকালের এই কালে সাধ হলে পথে ভালোবেসো,/ ধ্রুপদী পিপাসা নিয়ে আসো যদি/ লাল শাড়িটা তোমার পরে এসো।’
প্রেম আর দ্রোহের এমন সম্মিলন ঝরেছিল যার কবিতার পঙ্ক্তিতে পঙ্ক্তিতে, সেই হেলাল হাফিজ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গ্লুকোমা, কিডনি জটিলতা, ডায়াবেটিস আর স্নায়বিক জটিলতার সঙ্গে আর পেরে উঠলেন না কবি। পাড়ি জমালেন না ফেরার দেশে।
রাজধানীর শাহবাগের সুপার হোস্টেলে থাকতেন কবি হেলাল হাফিজ। শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে সেই হোস্টেলের বাথরুমে নিথর অবস্থায় পড়ে ছিলেন কবি। দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে নেওয়া হয়।
বিএসএমএমইউ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. রেজাউর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, কবির মৃত্যু হয়েছে আগেই। তাকে মৃত অবস্থায় নেওয়া হয়েছিল হাসপাতালে।
চিরকুমার হেলাল হাফিজ ২০২২ সালে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়লে বেশ কিছুদিন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। পরে বন্ধু ইসমত শিল্পীর বাসায় ছিলেন কিছুদিন। পরে আবার ফিরে যান শাহবাগের সুপার হোম হোস্টেলের একাকী জীবনে।
কবি আবিদ আজম জানিয়েছেন, আগামীকাল শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে হেলাল হাফিজের জানাজা পড়ানো হবে।
ষাটের দশকের শেষভাগ থেকে কবিতা লিখছেন হেলাল হাফিজ। তবে তিনি স্বল্পপ্রজ। ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয় তার কবিতার বই ‘যে জলে আগুন জ্বলে’। তাতে স্থান পেয়েছেন ১৯৬৯ সাল থেকে ১৯৮৫ সালে লেখা কবির গোটা পঞ্চাশেক কবিতা। তাতে ছিল প্রেম, ছিল দ্রোহ। ছিল বাংলার এক তরুণের উদ্দাম আবেগ-উচ্ছ্বলতা, দ্রোহ-প্রেম-বিরহের এক অনবদ্য সংমিশ্রণ।
অন্তত ৩৩ বার পুনর্মুদ্রণ হওয়া সেই একটি কবিতার বই-ই তিন দশক ধরে হেলাল হাফিজকে দিয়েছে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা। কবিতার নিবিড় পাঠক ছাড়াও সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফিরেছে তার কবিতার সব লাইন। এত কম কবিতা লিখে এত জনপ্রিয়তা পাওয়ার নজির ইতিহাসে বিরল।
‘যে জলে আগুন জ্বলে’ বইয়ের অন্যতম জনপ্রিয় কবিতা নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়, যার প্রথম দুটি লাইন— ‘এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়/ এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়’— কিংবদন্তীর মতো ফেরে মানুষের মুখে। ‘নিউট্রন বোমা বোঝো/ মানুষ বোঝো না’— মাত্র দুটি পঙ্ক্তির এই কবিতাটিও কবির পরিচয়ের স্মারক।
গভীর প্রেম নিয়ে কবি লিখেছেন— ‘তোমাকে শুধু তোমাকে চাই, পাবো?/ পাই বা না পাই একজীবনে তোমার কাছেই যাব।’, কিংবা ‘একবার ডাক দিয়ে দেখো আমি কতটা কাঙাল/ কত হুলুস্থূল অনটন আজম্ন ভেতরে আমার।’ লিখেছেন— ‘প্রেমের প্রতিমা তুমি, প্রণয়ের তীর্থ আমার।’, কিংবা ‘এখন তুমি কোথায় আছ কেমন আছ, পত্র দিও’।
হেলাল হাফিজের কবিতার চরণে চরণে ঝরেছে বিরহ ব্যথাও। লিখেছেন— ‘আমাকে দুঃখের শ্লোক কে শোনাবে?/ কে দেখাবে আমাকে দুঃখের চিহ্ন কী এমন,/ দুঃখ তো আমার সেই জন্ম থেকে জীবনের/ একমাত্র মৌলিক কাহিনি।’, কিংবা ‘আমি তো গিয়েছি জেনে প্রণয়নের দারুণ আকালে/ নীল নীল বনভূমি ভেতরে জন্মালে/ কেউ কেউ চলে যায় চলে যেতে হয়/ অবলীলাক্রমে কেউ বেছে নেয় পৃথক প্লাবন/ কেউ কেউ এইভাবে চলে যায় বুকে নিয়ে ব্যাকুল আগুন।’
এমন প্রেম-বিরহের মধ্যেও কবি জ্বেলে দিয়েছেন দ্রোহের আগুন— ‘ছিল তা এক অগ্ন্যুৎসব, সেদিন আমি/ সবটুকু বুক রেখেছিলাম স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্রে? জীবন বাজি ধরেছিলাম প্রেমের নামে/ রক্তঋণে স্বদেশ হলো,/ তোমার দিকে চোখ ছিল না/ জন্মভূমি সেদিন তোমার সতীন ছিল।’ স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতায় হতাশা আর ক্ষোভের বহির্প্রকাশও রয়েছে তার কবিতায়— ‘আজকাল আমার কষ্টেরা বেশ ভালোই থাকেন, ... বিরোধী দলের ভুল/ মিছিলের শোভা দেখে হাসেন তুমুল,/ ক্লান্তিতে গভীর রাতে ঘরহীন ঘরেও ফেরেন,/ নির্জন নগরে তারা কতিপয় নাগরিক যেন/ কত কথোপকথনে কাটান বাকিটা রাত,.../ আমার কষ্টেরা বেশ ভালোই আছেন, মোটামুটি সুখেই আছেন।/ প্রিয় দেশবাসী;/ আপনারা কেমন আছেন?’
‘যে জলে আগুন জ্বলে’ কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলোর সঙ্গে আরও কিছু কবিতা যুক্ত করে ২০১২ সালে প্রকাশিত হয় তার দ্বিতীয় বই ‘কবিতা একাত্তর’। পরে ২০১৯ সালে প্রকাশিত হয় তৃতীয় বই ‘বেদনাকে বলেছি কেঁদো না’।
কবির জন্ম ১৯৪৮ সালের ৭ অক্টোবর নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার বড়তলী গ্রামে। শৈশব-কৈশোর-তারুণ্য কেটেছে ওই শহরেই। নেত্রকোনা কলেজ থেকে ১৯৬৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে ভর্তি জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে। হেলাল হাফিজ কবিতা লেখার পাশাপাশি সাংবাদিকতাও করেছেন দীর্ঘ দিন।
প্রেমের কবি হয়েও কবির জীবনে বাস্তবে প্রেম ধরা দেয়নি মূর্ত হয়ে। সে কারণেই একাকীত্বের জীবন বেছে নিয়েছিলেন হেলাল হাফিজ। শাহবাগের সুপার হোস্টেল ছিল তার দীর্ঘ একাকীত্বের আবাসস্থল। ৭৬ বছর বয়সী কবির প্রয়াণের সঙ্গে সঙ্গে সুপার হোস্টেল হারাল ‘স্থায়ী’ বোর্ডার। অবসান ঘটল কবির একাকীত্বেরও।

‘ব্যর্থ হয়ে থাকে যদি প্রণয়ের এত আয়োজন,/ আগামী মিছিলে এসো/ স্লোগানে স্লোগানে হবে কথোপকথন। আকালের এই কালে সাধ হলে পথে ভালোবেসো,/ ধ্রুপদী পিপাসা নিয়ে আসো যদি/ লাল শাড়িটা তোমার পরে এসো।’
প্রেম আর দ্রোহের এমন সম্মিলন ঝরেছিল যার কবিতার পঙ্ক্তিতে পঙ্ক্তিতে, সেই হেলাল হাফিজ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গ্লুকোমা, কিডনি জটিলতা, ডায়াবেটিস আর স্নায়বিক জটিলতার সঙ্গে আর পেরে উঠলেন না কবি। পাড়ি জমালেন না ফেরার দেশে।
রাজধানীর শাহবাগের সুপার হোস্টেলে থাকতেন কবি হেলাল হাফিজ। শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে সেই হোস্টেলের বাথরুমে নিথর অবস্থায় পড়ে ছিলেন কবি। দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে নেওয়া হয়।
বিএসএমএমইউ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. রেজাউর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, কবির মৃত্যু হয়েছে আগেই। তাকে মৃত অবস্থায় নেওয়া হয়েছিল হাসপাতালে।
চিরকুমার হেলাল হাফিজ ২০২২ সালে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়লে বেশ কিছুদিন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। পরে বন্ধু ইসমত শিল্পীর বাসায় ছিলেন কিছুদিন। পরে আবার ফিরে যান শাহবাগের সুপার হোম হোস্টেলের একাকী জীবনে।
কবি আবিদ আজম জানিয়েছেন, আগামীকাল শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে হেলাল হাফিজের জানাজা পড়ানো হবে।
ষাটের দশকের শেষভাগ থেকে কবিতা লিখছেন হেলাল হাফিজ। তবে তিনি স্বল্পপ্রজ। ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয় তার কবিতার বই ‘যে জলে আগুন জ্বলে’। তাতে স্থান পেয়েছেন ১৯৬৯ সাল থেকে ১৯৮৫ সালে লেখা কবির গোটা পঞ্চাশেক কবিতা। তাতে ছিল প্রেম, ছিল দ্রোহ। ছিল বাংলার এক তরুণের উদ্দাম আবেগ-উচ্ছ্বলতা, দ্রোহ-প্রেম-বিরহের এক অনবদ্য সংমিশ্রণ।
অন্তত ৩৩ বার পুনর্মুদ্রণ হওয়া সেই একটি কবিতার বই-ই তিন দশক ধরে হেলাল হাফিজকে দিয়েছে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা। কবিতার নিবিড় পাঠক ছাড়াও সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফিরেছে তার কবিতার সব লাইন। এত কম কবিতা লিখে এত জনপ্রিয়তা পাওয়ার নজির ইতিহাসে বিরল।
‘যে জলে আগুন জ্বলে’ বইয়ের অন্যতম জনপ্রিয় কবিতা নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়, যার প্রথম দুটি লাইন— ‘এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়/ এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়’— কিংবদন্তীর মতো ফেরে মানুষের মুখে। ‘নিউট্রন বোমা বোঝো/ মানুষ বোঝো না’— মাত্র দুটি পঙ্ক্তির এই কবিতাটিও কবির পরিচয়ের স্মারক।
গভীর প্রেম নিয়ে কবি লিখেছেন— ‘তোমাকে শুধু তোমাকে চাই, পাবো?/ পাই বা না পাই একজীবনে তোমার কাছেই যাব।’, কিংবা ‘একবার ডাক দিয়ে দেখো আমি কতটা কাঙাল/ কত হুলুস্থূল অনটন আজম্ন ভেতরে আমার।’ লিখেছেন— ‘প্রেমের প্রতিমা তুমি, প্রণয়ের তীর্থ আমার।’, কিংবা ‘এখন তুমি কোথায় আছ কেমন আছ, পত্র দিও’।
হেলাল হাফিজের কবিতার চরণে চরণে ঝরেছে বিরহ ব্যথাও। লিখেছেন— ‘আমাকে দুঃখের শ্লোক কে শোনাবে?/ কে দেখাবে আমাকে দুঃখের চিহ্ন কী এমন,/ দুঃখ তো আমার সেই জন্ম থেকে জীবনের/ একমাত্র মৌলিক কাহিনি।’, কিংবা ‘আমি তো গিয়েছি জেনে প্রণয়নের দারুণ আকালে/ নীল নীল বনভূমি ভেতরে জন্মালে/ কেউ কেউ চলে যায় চলে যেতে হয়/ অবলীলাক্রমে কেউ বেছে নেয় পৃথক প্লাবন/ কেউ কেউ এইভাবে চলে যায় বুকে নিয়ে ব্যাকুল আগুন।’
এমন প্রেম-বিরহের মধ্যেও কবি জ্বেলে দিয়েছেন দ্রোহের আগুন— ‘ছিল তা এক অগ্ন্যুৎসব, সেদিন আমি/ সবটুকু বুক রেখেছিলাম স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্রে? জীবন বাজি ধরেছিলাম প্রেমের নামে/ রক্তঋণে স্বদেশ হলো,/ তোমার দিকে চোখ ছিল না/ জন্মভূমি সেদিন তোমার সতীন ছিল।’ স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতায় হতাশা আর ক্ষোভের বহির্প্রকাশও রয়েছে তার কবিতায়— ‘আজকাল আমার কষ্টেরা বেশ ভালোই থাকেন, ... বিরোধী দলের ভুল/ মিছিলের শোভা দেখে হাসেন তুমুল,/ ক্লান্তিতে গভীর রাতে ঘরহীন ঘরেও ফেরেন,/ নির্জন নগরে তারা কতিপয় নাগরিক যেন/ কত কথোপকথনে কাটান বাকিটা রাত,.../ আমার কষ্টেরা বেশ ভালোই আছেন, মোটামুটি সুখেই আছেন।/ প্রিয় দেশবাসী;/ আপনারা কেমন আছেন?’
‘যে জলে আগুন জ্বলে’ কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলোর সঙ্গে আরও কিছু কবিতা যুক্ত করে ২০১২ সালে প্রকাশিত হয় তার দ্বিতীয় বই ‘কবিতা একাত্তর’। পরে ২০১৯ সালে প্রকাশিত হয় তৃতীয় বই ‘বেদনাকে বলেছি কেঁদো না’।
কবির জন্ম ১৯৪৮ সালের ৭ অক্টোবর নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার বড়তলী গ্রামে। শৈশব-কৈশোর-তারুণ্য কেটেছে ওই শহরেই। নেত্রকোনা কলেজ থেকে ১৯৬৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে ভর্তি জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে। হেলাল হাফিজ কবিতা লেখার পাশাপাশি সাংবাদিকতাও করেছেন দীর্ঘ দিন।
প্রেমের কবি হয়েও কবির জীবনে বাস্তবে প্রেম ধরা দেয়নি মূর্ত হয়ে। সে কারণেই একাকীত্বের জীবন বেছে নিয়েছিলেন হেলাল হাফিজ। শাহবাগের সুপার হোস্টেল ছিল তার দীর্ঘ একাকীত্বের আবাসস্থল। ৭৬ বছর বয়সী কবির প্রয়াণের সঙ্গে সঙ্গে সুপার হোস্টেল হারাল ‘স্থায়ী’ বোর্ডার। অবসান ঘটল কবির একাকীত্বেরও।

বাংলাদেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতি কামনা করে আগামীকাল শুক্রবার বাদ জুমা সব মসজিদে বিশেষ দোয়া এবং অন্যান্য উপাসনালয়ে সুবিধাজনক সময়ে বিশেষ প্রার্থনা আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে ইসি।
১ দিন আগে
জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাই— চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পরও যেন গণতান্ত্রিক শালীনতা, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ অটুট থাকে। মতের ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু জাতীয় স্বার্থে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হ
১ দিন আগে
সব অনিশ্চয়তাকে উড়িয়ে দিয়ে শেষ পর্যন্ত শেষ হলো সেই ভোট। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় শেষ হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোটের ভোট গ্রহণ। এখন ভোট গণনার অপেক্ষা, অপেক্ষা জনরায়ে কারা জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলো তা জানার।
১ দিন আগে
সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে ৩৩ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সময়ের মধ্যে কোথাও কোনো ভোটকেন্দ্র বন্ধ হয়নি।
২ দিন আগে