
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সংযুক্ত আরব আমিরাতে নির্যাতিত হওয়া মেয়েকে ফেরাতে মামলা করে হুমকিতে পড়ার অভিযোগ করেছেন এক মা। স্থানীয় নেতাদের সহায়তায় মধ্যরাতে ডেকে নিয়ে জোর করে সমঝোতা প্রস্তাবে স্বাক্ষর করানো হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকা থেকে টেলিফোনে রাজনীতিডট কমকে এসব কথা জানান ভুক্তভোগী পাঞ্চাশোর্ধ ছাহারা বেগম।
তিনি জানান, তার মেয়ে জান্নাত বেগম ফেরদৌসকে (৩৪) দুবাইয়ে পাচারের অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে ১ জুন মামলা করেন তিনি। তারা হলেন- ইতি বেগম (৩৬), তার স্বামী ওমর ফারদিন খন্দকার ওরফে আকাশ (৩০) ও শিউলি বেগম। তারা নারায়ণগঞ্জ বন্দর নগর এলাকার বাসিন্দা।
গৃহস্থালীর কাজের কথা বলে এ বছরের ৮ মার্চ ফেরদৌসকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে পাঠানো হয়। বিদেশ যাওয়ার প্রাথমিক খরচ হিসেবে ২০ হাজার টাকা নেয় তারা। মাসে ৫০ হাজার টাকা বেতনের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার কারণে রাজি হয় ফেরদৗস ও তাঁর হতদরিদ্র মা। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর ভিন্ন বাস্তবতার শিকার হন ফেরদৗস।
ছাহারা বেগম বলেন, ‘বিদেশ যাওয়ার কিছুদিন পরে মেয়ে আমাকে ফোন করে জানায়, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ না দিয়ে তাকে মারধর করে বাধ্যতামূলকভাবে ড্যান্স বারে নিয়োগ করা হয়েছে। তাদের কথামতো অবৈধ কাজ না করলে আসামি শিউলি বেগম মারধর করে ফেরদৗসকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় বিভিন্ন সময়।’
ফেরদৌস তার সঙ্গে থাকা আরো ১১ জন মেয়েকে ভিডিও কলে মাকে দেখিয়ে জানায়, তাদেরকেও শিউলি বেগম অসামাজিক কাজ করতে বাধ্য করে। তিনি যেকোনোভাবে তাকে দেশে ফেরত আনতে মা ছাহারা বেগমকে অনুরোধ করেন।
ছাহারা বেগম এরপর ইতি বেগম ও তাঁর স্বামী আকাশকে অনুরোধ করেন তার মেয়েকে ফেরত এনে দিতে। কিন্তু ফেরদৌসকে আনার জন্য তারা ৪ লাখ টাকা দাবি করেন। এরপর শিউলি বেগমকে অনুরোধ করলে তিনি ছাহারা বেগমকে অশালীন কথাবার্তা বলে টেলিফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
নিরুপায় হয়ে ছাহারা বেগম র্যাব-৩ এর কাছে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩১ মে অভিযান চালিয়ে ইতি বেগম ও তার স্বামী ওমর ফারদিন খন্দকার ওরফে আকাশকে নারায়ণগঞ্জের বন্দর বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। এদিন বিকেলে র্যাব-৩ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এএসপি মো. শামীম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানের বরাতে তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তার আসামিদের জনশক্তি রপ্তানীর বৈধ লাইসেন্স নেই। তারা সামাজিক ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের তরুণী ও কিশোরী নারীদের দুবাইয়ের বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট ও বাসা-বাড়িতে উচ্চ বেতনে চাকরি এবং বিনামূল্যে থাকা-খাওয়ার লোভনীয় সুযোগ-সুবিধার কথা বলে ফাঁদে ফেলেন। দেশের বিভিন্ন এলাকার অনেক দরিদ্র নারী টাকা-পয়সা খরচ ছাড়া সচ্ছল হওয়ার আশায় দুবাইয়ে যেতে রাজি হন। এই প্রলোভনে যারা রাজি হয় তাদের চক্রটির মূল হোতা ইতি বেগমের দুবাইপ্রবাসী বোন শিউলী বেগমের কাছে পাঠানো হয়।’
জানা যায়, দুবাইয়ে মোছা. শিউলী ক্লিনিং সার্ভিসেস নামে একটি কোম্পানি আছে শিউলী বেগমের। মূলত দুবাইয়ে পাচার করা নারীদের এয়ারপোর্ট থেকে এই কোম্পানির পক্ষ থেকে রিসিভ করে নেওয়া হয়। এই কোম্পানির পক্ষে মেয়েদের ক্লিনিং সার্ভিস ভিসা দিয়ে দুবাই নেওয়া হয়। এরপর তাদের পাঠানো হয় ডান্স বারে। শিউলী বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ হচ্ছে, তিনি ও তার সহযোগীরা নারীদের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে অসামাজিক কাজে বাধ্য করেন।
এদের মধ্যে কেউ অসামাজিক কাজে লিপ্ত হতে অস্বীকার করলে ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে গেলে তাদের মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয় এবং দেশে থাকা ওই নারীর পরিবারের সদস্যদের ভয়-ভীতি দেখানো হয়।
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় ১ জুন এই আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়। ওই দুই আসামি র্যাবের হাতে আটক হওয়ার পর ছাহারা বেগম আরও চাপে পড়েন।
ছাহারা বেগম জানান, বন্দর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার সাব্বির আহমেদ ইমন, বন্দর রেললাইন পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি মাইনুদ্দিন মানুসহ আরো কয়েকজন আসামিদের পক্ষ নেন। ১ জুন রাতে ছাহারা বেগমকে ডেকে নিয়ে সমঝাতার জন্য জোর করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর করায়। স্বাক্ষর করতে না চাইলে ছাহারা খাতুন ও তার মেয়ের জীবন নাশেরও হুমকি দেন তারা।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে সাব্বির আহমেদ ইমন রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘বিবাদী পক্ষের অনুরোধে আমি সেখানে গিয়েছিলাম সত্য। বিষয়টি মীমাংসার মাধ্যমে মিটমাট করার চেষ্টা করি। ১০ দিনের মধ্য ফেরদৌসকে দুবাই থেকে ফেরত আনা হবে-এমন শর্তে মীমাংসা হয়। সেটা মেনে নিয়ে ওই কাগজে স্বাক্ষর করেন ছাহারা বেগম।’
‘পরে আমি জানতে পারি মানবপাচার মামলা মীমাংসার অযোগ্য। এজন্য আমি ওই কাগজ ছিড়ে ফেলেছি। বিবাদী পক্ষকে বলেছি যে, যেহেতু মামলা হয়েছে, এর সমাধান আদালত দেবেন। এর বাইরে আমি কিছু জানি না। ছাহারা বেগমকে হুমকি দেওয়ার ঘটনাও সত্য নয়,’ যোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে বন্দর থানার ওসি গোলাম মোস্তফা রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘এই মামলায় দুইজন আসামি আটক আছে। আমরা তাদের দুই দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলাম, আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।’
ছাহারা বেগমকে হুমকি দেওয়ার বিষয়ে কিছু জানেন না উল্লেখ করে ওসি বলেন, এমন কিছু ঘটলে তার উচিত ছিল আমাকে জানানো। অভিযোগ পেলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে নির্যাতিত হওয়া মেয়েকে ফেরাতে মামলা করে হুমকিতে পড়ার অভিযোগ করেছেন এক মা। স্থানীয় নেতাদের সহায়তায় মধ্যরাতে ডেকে নিয়ে জোর করে সমঝোতা প্রস্তাবে স্বাক্ষর করানো হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকা থেকে টেলিফোনে রাজনীতিডট কমকে এসব কথা জানান ভুক্তভোগী পাঞ্চাশোর্ধ ছাহারা বেগম।
তিনি জানান, তার মেয়ে জান্নাত বেগম ফেরদৌসকে (৩৪) দুবাইয়ে পাচারের অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে ১ জুন মামলা করেন তিনি। তারা হলেন- ইতি বেগম (৩৬), তার স্বামী ওমর ফারদিন খন্দকার ওরফে আকাশ (৩০) ও শিউলি বেগম। তারা নারায়ণগঞ্জ বন্দর নগর এলাকার বাসিন্দা।
গৃহস্থালীর কাজের কথা বলে এ বছরের ৮ মার্চ ফেরদৌসকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে পাঠানো হয়। বিদেশ যাওয়ার প্রাথমিক খরচ হিসেবে ২০ হাজার টাকা নেয় তারা। মাসে ৫০ হাজার টাকা বেতনের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার কারণে রাজি হয় ফেরদৗস ও তাঁর হতদরিদ্র মা। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর ভিন্ন বাস্তবতার শিকার হন ফেরদৗস।
ছাহারা বেগম বলেন, ‘বিদেশ যাওয়ার কিছুদিন পরে মেয়ে আমাকে ফোন করে জানায়, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ না দিয়ে তাকে মারধর করে বাধ্যতামূলকভাবে ড্যান্স বারে নিয়োগ করা হয়েছে। তাদের কথামতো অবৈধ কাজ না করলে আসামি শিউলি বেগম মারধর করে ফেরদৗসকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় বিভিন্ন সময়।’
ফেরদৌস তার সঙ্গে থাকা আরো ১১ জন মেয়েকে ভিডিও কলে মাকে দেখিয়ে জানায়, তাদেরকেও শিউলি বেগম অসামাজিক কাজ করতে বাধ্য করে। তিনি যেকোনোভাবে তাকে দেশে ফেরত আনতে মা ছাহারা বেগমকে অনুরোধ করেন।
ছাহারা বেগম এরপর ইতি বেগম ও তাঁর স্বামী আকাশকে অনুরোধ করেন তার মেয়েকে ফেরত এনে দিতে। কিন্তু ফেরদৌসকে আনার জন্য তারা ৪ লাখ টাকা দাবি করেন। এরপর শিউলি বেগমকে অনুরোধ করলে তিনি ছাহারা বেগমকে অশালীন কথাবার্তা বলে টেলিফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
নিরুপায় হয়ে ছাহারা বেগম র্যাব-৩ এর কাছে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩১ মে অভিযান চালিয়ে ইতি বেগম ও তার স্বামী ওমর ফারদিন খন্দকার ওরফে আকাশকে নারায়ণগঞ্জের বন্দর বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। এদিন বিকেলে র্যাব-৩ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এএসপি মো. শামীম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানের বরাতে তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তার আসামিদের জনশক্তি রপ্তানীর বৈধ লাইসেন্স নেই। তারা সামাজিক ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের তরুণী ও কিশোরী নারীদের দুবাইয়ের বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট ও বাসা-বাড়িতে উচ্চ বেতনে চাকরি এবং বিনামূল্যে থাকা-খাওয়ার লোভনীয় সুযোগ-সুবিধার কথা বলে ফাঁদে ফেলেন। দেশের বিভিন্ন এলাকার অনেক দরিদ্র নারী টাকা-পয়সা খরচ ছাড়া সচ্ছল হওয়ার আশায় দুবাইয়ে যেতে রাজি হন। এই প্রলোভনে যারা রাজি হয় তাদের চক্রটির মূল হোতা ইতি বেগমের দুবাইপ্রবাসী বোন শিউলী বেগমের কাছে পাঠানো হয়।’
জানা যায়, দুবাইয়ে মোছা. শিউলী ক্লিনিং সার্ভিসেস নামে একটি কোম্পানি আছে শিউলী বেগমের। মূলত দুবাইয়ে পাচার করা নারীদের এয়ারপোর্ট থেকে এই কোম্পানির পক্ষ থেকে রিসিভ করে নেওয়া হয়। এই কোম্পানির পক্ষে মেয়েদের ক্লিনিং সার্ভিস ভিসা দিয়ে দুবাই নেওয়া হয়। এরপর তাদের পাঠানো হয় ডান্স বারে। শিউলী বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ হচ্ছে, তিনি ও তার সহযোগীরা নারীদের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে অসামাজিক কাজে বাধ্য করেন।
এদের মধ্যে কেউ অসামাজিক কাজে লিপ্ত হতে অস্বীকার করলে ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে গেলে তাদের মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয় এবং দেশে থাকা ওই নারীর পরিবারের সদস্যদের ভয়-ভীতি দেখানো হয়।
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় ১ জুন এই আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়। ওই দুই আসামি র্যাবের হাতে আটক হওয়ার পর ছাহারা বেগম আরও চাপে পড়েন।
ছাহারা বেগম জানান, বন্দর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার সাব্বির আহমেদ ইমন, বন্দর রেললাইন পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি মাইনুদ্দিন মানুসহ আরো কয়েকজন আসামিদের পক্ষ নেন। ১ জুন রাতে ছাহারা বেগমকে ডেকে নিয়ে সমঝাতার জন্য জোর করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর করায়। স্বাক্ষর করতে না চাইলে ছাহারা খাতুন ও তার মেয়ের জীবন নাশেরও হুমকি দেন তারা।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে সাব্বির আহমেদ ইমন রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘বিবাদী পক্ষের অনুরোধে আমি সেখানে গিয়েছিলাম সত্য। বিষয়টি মীমাংসার মাধ্যমে মিটমাট করার চেষ্টা করি। ১০ দিনের মধ্য ফেরদৌসকে দুবাই থেকে ফেরত আনা হবে-এমন শর্তে মীমাংসা হয়। সেটা মেনে নিয়ে ওই কাগজে স্বাক্ষর করেন ছাহারা বেগম।’
‘পরে আমি জানতে পারি মানবপাচার মামলা মীমাংসার অযোগ্য। এজন্য আমি ওই কাগজ ছিড়ে ফেলেছি। বিবাদী পক্ষকে বলেছি যে, যেহেতু মামলা হয়েছে, এর সমাধান আদালত দেবেন। এর বাইরে আমি কিছু জানি না। ছাহারা বেগমকে হুমকি দেওয়ার ঘটনাও সত্য নয়,’ যোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে বন্দর থানার ওসি গোলাম মোস্তফা রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘এই মামলায় দুইজন আসামি আটক আছে। আমরা তাদের দুই দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলাম, আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।’
ছাহারা বেগমকে হুমকি দেওয়ার বিষয়ে কিছু জানেন না উল্লেখ করে ওসি বলেন, এমন কিছু ঘটলে তার উচিত ছিল আমাকে জানানো। অভিযোগ পেলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে।

বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, সময়মতো মানসম্মত পাঠ্যবই সরবরাহই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। কেউ কাজে বাধা সৃষ্টি করলে এবার হয়ত পার পেয়ে যেতে পারেন, কিন্তু ভবিষ্যতে আর পারবেন না।
১৯ ঘণ্টা আগে
চাকরির প্রত্যাশায় রাশিয়ায় যাওয়া ৩০ বাংলাদেশিকে জোর করে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানোর অভিযোগ এবং তাদের চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
১৯ ঘণ্টা আগে
বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে দেশে প্রায় ৪১ হাজার ২০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সাবিকুন্নাহারের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য দেন।
২০ ঘণ্টা আগে
নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি, ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদ, করের বাড়তি চাপ এবং ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) ও নতুন ইমারত বিধিমালার বিভিন্ন জটিলতায় দেশের আবাসন খাত ‘গভীর সংকটে’ পড়েছে বলে দাবি করেছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। খাতটিকে টিকিয়ে রাখতে সরকারের নীতিগত ও আর্থিক সহায়তার আহ্
২০ ঘণ্টা আগে