
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গত শুক্রবার ১৩ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। কিন্তু গতকাল শনিবার শৈত্যপ্রবাহ ছিল শুধু পঞ্চগড় জেলায়। এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় পঞ্চগড়ে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানী ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় কক্সবাজার জেলার টেকনাফে ২৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আজ রবিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে সারা দেশের কোথাও কোথাও দিবাভাগে শীতের অনুভূতি বিরাজমান থাকতে পারে।
আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ সময়ের শুরুর দিকে দেশের উত্তরাংশে হালকা বৃষ্টি বা গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। তবে শেষের দিকে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা হ্রাস পেতে পারে। দেশব্যাপী তাপমাত্রা বাড়লেও চুয়াডাঙ্গা, পঞ্চগড় ও সাতক্ষীরায় তীব্র শীতের কথা জানিয়েছেন প্রতিনিধিরা।
চুয়াডাঙ্গা: কনকনে ঠাণ্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গা। তীব্র শীত উপেক্ষা করেই পেটের দায়ে কাজে বের হচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা। সব থেকে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন মৌসুমের গাছিরা। খেজুর রস সংগ্রহের জন্য ভোর থেকেই বের হচ্ছেন তারা। গতকাল সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র শীতে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে রোটাভাইরাসের কারণে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিদিন হাসপাতালের আউটডোরে ৫০০-৬০০ রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।
পঞ্চগড়: দেশের মধ্যে একমাত্র উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে শৈত্যপ্রবাহ। শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেলেও সেখানে তাপমাত্রা বেড়েছে। তবে প্রচণ্ড শীতে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। তেঁতুলিয়া সদরের চা-শ্রমিক সোলেমান আলী বলেন, ‘ঘন কুয়াশা, বাতাস ও শিশিরবিন্দুর কারণে আমরা কাজকর্ম করতে পারি না। বাগানে পাতা কাটতে যাই। কিন্তু শীতের কারণে চলে আসি।’ তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ‘শনিবার সকালে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ এ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে।
শ্যামনগর (সাতক্ষীরা): উপকূলীয় এলাকা শ্যামনগরে তীব্র শীতে বেজায় কষ্টে আছেন দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ। আটুলিয়া, বুড়িগোয়ালিনী, মুন্সীগঞ্জের মৎস্য পল্লিসহ বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গরম কাপড় না থাকায় কষ্ট পাচ্ছেন দরিদ্র ও অক্ষম মানুষ।
উপকূলীয় গাবুরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, গত দুই-তিন দিন তীব্র শীত পড়ছে। নদীর পাশের মানুষের কষ্ট বেশি। এখানে শীত বেশি হলেও কম্বল বিতরণ চোখে পড়ছে না। গতকাল শনিবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. রনী খাতুন জানান, শ্যামনগর উপজেলার প্রায় চার লাখ জনসংখ্যার মধ্যে অন্তত সাড়ে তিন লাখ নিম্নবিত্ত। তাদের শীতবস্ত্র, খাদ্য ও অর্থসহায়তা দরকার।

গত শুক্রবার ১৩ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। কিন্তু গতকাল শনিবার শৈত্যপ্রবাহ ছিল শুধু পঞ্চগড় জেলায়। এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় পঞ্চগড়ে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানী ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় কক্সবাজার জেলার টেকনাফে ২৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আজ রবিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং তা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে সারা দেশের কোথাও কোথাও দিবাভাগে শীতের অনুভূতি বিরাজমান থাকতে পারে।
আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ সময়ের শুরুর দিকে দেশের উত্তরাংশে হালকা বৃষ্টি বা গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। তবে শেষের দিকে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা হ্রাস পেতে পারে। দেশব্যাপী তাপমাত্রা বাড়লেও চুয়াডাঙ্গা, পঞ্চগড় ও সাতক্ষীরায় তীব্র শীতের কথা জানিয়েছেন প্রতিনিধিরা।
চুয়াডাঙ্গা: কনকনে ঠাণ্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গা। তীব্র শীত উপেক্ষা করেই পেটের দায়ে কাজে বের হচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা। সব থেকে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন মৌসুমের গাছিরা। খেজুর রস সংগ্রহের জন্য ভোর থেকেই বের হচ্ছেন তারা। গতকাল সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র শীতে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে রোটাভাইরাসের কারণে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিদিন হাসপাতালের আউটডোরে ৫০০-৬০০ রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।
পঞ্চগড়: দেশের মধ্যে একমাত্র উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে শৈত্যপ্রবাহ। শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেলেও সেখানে তাপমাত্রা বেড়েছে। তবে প্রচণ্ড শীতে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। তেঁতুলিয়া সদরের চা-শ্রমিক সোলেমান আলী বলেন, ‘ঘন কুয়াশা, বাতাস ও শিশিরবিন্দুর কারণে আমরা কাজকর্ম করতে পারি না। বাগানে পাতা কাটতে যাই। কিন্তু শীতের কারণে চলে আসি।’ তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ‘শনিবার সকালে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ এ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে।
শ্যামনগর (সাতক্ষীরা): উপকূলীয় এলাকা শ্যামনগরে তীব্র শীতে বেজায় কষ্টে আছেন দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ। আটুলিয়া, বুড়িগোয়ালিনী, মুন্সীগঞ্জের মৎস্য পল্লিসহ বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গরম কাপড় না থাকায় কষ্ট পাচ্ছেন দরিদ্র ও অক্ষম মানুষ।
উপকূলীয় গাবুরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, গত দুই-তিন দিন তীব্র শীত পড়ছে। নদীর পাশের মানুষের কষ্ট বেশি। এখানে শীত বেশি হলেও কম্বল বিতরণ চোখে পড়ছে না। গতকাল শনিবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. রনী খাতুন জানান, শ্যামনগর উপজেলার প্রায় চার লাখ জনসংখ্যার মধ্যে অন্তত সাড়ে তিন লাখ নিম্নবিত্ত। তাদের শীতবস্ত্র, খাদ্য ও অর্থসহায়তা দরকার।

দুদকের কর্মকর্তারা বলছেন, বেনজীরকে দেশে ফেরাতে এখন কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ শুরু হচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইন অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ আবেদন জমা দিতে হয়। সেই প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই সংশ্লিষ্ট নথি একত্র করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সারাদেশে একযোগে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন চালু হবে। ক্যাম্পেইনটি সফল করতে কাজ করছি। আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে জানানো হবে, ঠিক কবে থেকে এটি শুরু হচ্ছে। তবে মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আগামী ২৮ জুন এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আদ্-দ্বীন হাসপাতালে নবজাতক ও শিশুদের জন্য নিরাপদ চিকিৎসা পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়নি। অক্সিজেন প্রবাহের জন্য ভেন্টিলেশন ব্যবস্থাও ছিলো না হাসপাতালটিতে। নবজাতকদের শ্বাসকষ্ট হলেও, কোনো ডাক্তার তখন দায়িত্বে ছিলেন না। ডেকেও নার্সদের সাড়া মেলেনি।
৪ ঘণ্টা আগে